Thursday, April 17, 2014

মানি ট্রান্সফার সার্ভিস চালু করছে ফেসবুক ;

   
           সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকের ব্যবহারকারীরা যাতে এর মাধ্যমে মানি ট্রান্সফার সুবিধা লাভ করতে পারেন সেই লক্ষ্যে কাজ করছে ওয়েবসাইটটির কর্তৃপক্ষ। ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্ট জানিয়েছে, ওই ব্যাংকিং সুবিধার আওতায় ফেসবুকের ইউজাররা তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা জমা করতে পারবেন এবং অন্যের সঙ্গে বিনিময়ও করতে পারবেন। ফেসবুক কতৃর্পক্ষ ইতিমধ্যেই আয়ারল্যান্ডের সেন্টাল ব্যাংকের সঙ্গে এ ব্যাপারে আলোচনা করেছে। এখন তারা ওই ব্যাংকের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছেন বলেও জানা গেছে। যদিও আয়ারল্যান্ড সেন্ট্রাল ব্যাংক এ ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।
এ ছাড়া লন্ডনভিত্তিক তিনটি মানি ট্রান্সফার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেও আলোচনা করেছে তারা। ওই তিনটি প্রতিষ্ঠান হলো, ট্রান্সফারওয়াইজ, মানি টেকনোলজিস এবং আজিমো। এ তিনটি প্রতিষ্ঠানই অনলাইন এবং মোবাইল মানি ট্রান্সফারে কাজ করে আসছে। ফেসবুকের নির্দিষ্ট পরিকল্পনা হলো ইলেকট্রনিক মানি সার্ভিস চালু করা।
উল্লেখ্য, অনলাইনে টাকা ট্রান্সফারের দিকে দিন দিন ঝুঁকছে মানুষ। গুগলও আগামী বছরে 'মানি ওয়ালট' নামে  টাকা ট্রান্সফার সুবিধা চালু করতে যাচ্ছে। 'পেপাল' নামের একটি কম্পানি ২০১৩ সালে ২৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ট্রান্সফার করতে সক্ষম হয়েছে। ভোদেফোন রুমানিয়ায় গত মাসে অনুরূপ মোবাইল মানি এক্সচেঞ্জ চালু করেছে। তারা আফ্রিকাতেও ওই সার্ভিসের ব্যাপক সাড়া পেয়েছে। তারা এখন ওই সেবা পশ্চিম এবং সেন্টাল ইউরোপে চালু করতে যাচ্ছে। এ প্রসঙ্গে অ্যাপলের চিফ এক্সিকিউটিভ টিম কুক বলেন, "প্রতিষ্ঠানগুলোর মোবাইল পেমেন্ট সার্ভিস চালুর নেপথ্যে মূল অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে আইফোন ফাইভ এস স্মার্ট ফোন। এই ফোনের ফিঙ্গার প্রিন্ট সেন্সর নিরাপদ বলেই এর মাধ্যমে মানুষ টাকা ট্রান্সফারে ভরসা পাচ্ছে।" - 

রাজীব বর্মণ ।

Thursday, April 10, 2014

আউটসোর্সিং কাজ পাওয়ার টিপস......

 ইন্টারনেটের মাধ্যমে আউটসোর্সিংয়ের কাজ অনেকেই করছেন, আবার অনেকে নতুন করে শুরু করতে যাচ্ছেন। অনলাইনে সহজে আউটসোর্সিংয়ের কাজ পেতে কিছু কৌশল অবলম্বন করলেই চলে। নিচে সে রকম কিছু কৌশল দেওয়া হলো।
 
 অনেকেই যাঁরা চার-পাঁচটা কাজের (জব) জন্য আবেদন করেই জব (কাজ) পেয়ে যান। আবার কেউ কেউ ১০০টা আবেদন করেও জব পান না। এটা নির্ভর করে আপনি কত কম মূল্যে (রেটে) আবেদন করেছেন তার ওপর।
 যেসব বায়ারের পেমেন্ট মেথড ভেরিফায়েড না সেসব বায়ারের জবে আবেদন করবেন না। কারণ, কোনো কনট্রাক্টরকে (ফ্রিল্যান্সার) ভাড়া বা হায়ার করতে হলে তার পেমেন্ট মেথড ভেরিফায়েড থাকতে হয়।
 কোনো একটা জব পোস্ট করার পর যত তাড়াতাড়ি সেটিতে আবেদন করবেন ততই ভালো।
 আপনি যত বেশি সময় অনলাইনে (ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে) থাকবেন ততই আপনার কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। কারণ কিছু কিছু কাজ আছে, যেগুলো পোস্ট করার এক-দুই ঘণ্টার মধ্যেই সম্পন্ন করে জমা দিতে হয়। যেমন ফেসবুকে বা অন্য কোনো সাইটে ভোট দেওয়া এবং কিছু ভোট সংগ্রহ করে দেওয়া; আবার হঠাৎ করে কোনো ওয়েবসাইটে সমস্যা হয়েছে তা ঠিক করে দেওয়া ইত্যাদি। কাজেই শুরুতে বেশি সময় অনলাইনে থাকার চেষ্টা করুন। যাতে বায়ার আপনাকে কোনো বার্তা পাঠালে সঙ্গে সঙ্গে তার প্রত্যুত্তর দিতে পারেন।
 মার্কেটপ্লেসগুলোতে দেখবেন প্রতি মিনিটে নতুন নতুন জব পোস্ট করা হচ্ছে, সেগুলোতে আবেদন করুন। যেসব জবে কোনো কনট্রাক্টরের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে, সেসবে আবেদন না করাই ভালো। কারণ বায়ার যদি এদের মধ্য পছন্দের কনট্রাক্টর পেয়ে যায় তাহলে আর অন্য কনট্রাক্টরের প্রোফাইল চেক করে দেখবে না।
 যেসব জবে শর্ত দেওয়া আছে এবং সেগুলো যদি আপনি পূরণ করতে না পারেন তাহলে আবেদন না করাই ভালো।
 যাঁরা ওডেস্কে দুই-তিনটা কাজ করেছেন, এখন বেশি মূল্য হারে আবেদন করতে চান, তাঁরা যে জবটিতে আবেদন করবেন সে জবের নিচে দেখুন বায়ারের আগের জবগুলোর তালিকা দেওয়া আছে। সেখানে যদি দেখেন বায়ার তাঁর আগের জবগুলোতে বেশি ডলার দিয়ে অন্য কনট্রাক্টরকে কাজ করিয়েছেন, তাহলে আবেদন করতে পারেন। আর যেসব বায়ার আগের জবগুলোতে বেশি ডলারে কাজ করায়নি, তাদের জবে বেশি রেটে আবেদন না করাই ভালো।
-----রাজীব বর্মণ -----

. ইল্যান্সে এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ

           বিশ্বের অন্যতম অনলাইন ফ্রিল্যান্সার মার্কেটপ্লেস ইল্যান্সে বিশ্বব্যাপী ফ্রিল্যান্সারদের সম্মিলিত আয় ১০০ কোটি ডলার অতিক্রম করেছে। ইল্যান্সের ওয়েবসাইটের ট্রেন্ডস পেজের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের সকল ফ্রিল্যান্সার মিলে এই পর্যন্ত এই মার্কেটপ্লেস থেকে ইল্যান্স ডট কম থেকে আয় করেছে ১০৪ কোটি মার্কিন ডলার। এর মধ্যে বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সাররা আয় করেছেন প্রায় ৭৬ লাখ ডলার। আয়ের দিক থেকে ১৭০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ রয়েছে ১৩তম অবস্থানে।
                               
বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সারদের ফ্রিল্যান্সিং ক্ষেত্রে অগ্রগতি প্রসঙ্গে ইল্যান্সের বাংলাদেশ কান্ট্রি ম্যানেজার সাইদুর মামুন খান জানিয়েছেন, উন্নত দেশগুলোর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সাররা। ২০১৩ সালেই নিবন্ধিত ফ্রিল্যান্সারের সংখ্যা আগের বছরের তুলনায় ৮৩ শতাংশ বেড়েছে। ২০১২ সালে যেখানে ১০ হাজার ৯৬১টি কাজে বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সার নিয়োগ পেয়েছিলেন, সেখানে ২০১৩ সালে এসে সেই সংখ্যাটি বেড়ে ২২ হাজার ৯৭ হয়েছিল। চলতি বছরেও এগিয়ে যাচ্ছেন দেশের ফ্রিল্যান্সাররা।
বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সারদের এই অগ্রগতির বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে ইল্যান্স কর্তৃপক্ষ। বাংলাদেশ অনলাইন মার্কেটপ্লেসের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ হওয়ায় বাংলাদেশ মার্কেটের জন্য ইল্যান্সের বেশ কিছু নতুন কার্যক্রম শুরু করেছে। নতুন কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে দেশে ইল্যান্সের অফিস স্থাপন এবং ইল্যান্স এক্সপার্ট চ্যাট সেবা।
ইল্যান্স কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশে ইল্যান্সের অফিস হওয়ায় ফ্রিল্যান্সাররা তাদের যে কোনো সমস্যার দ্রুত সমাধান পাবেন। ঢাকার ধানমন্ডিতে মমতাজ প্লাজায় চালু হয়েছে ইল্যান্সের নিজস্ব অফিস। এ ছাড়াও ইল্যান্স বাংলাদেশ পেজ থেকেও সাহায্য পাবেন ফ্রিল্যান্সাররা। বিভিন্ন কাজে দক্ষ ব্যক্তিদের মাঝে যোগাযোগ বাড়াতে ইল্যান্স এক্সপার্ট চ্যাট নামে একটি মাসিক আয়োজন করবে ইল্যান্স।
এ বছর ইল্যান্সের পরিকল্পনা প্রসঙ্গে সাইদুর মামুন খান জানিয়েছেন, গত বছরের মতো এ বছরেও উন্নতির ধারা বজায় রাখতে সব ধরনের চেষ্টা চালিয়ে যাবে ইল্যান্স। পাশাপাশি দক্ষ ও পেশাদার ফ্রিল্যান্সার তৈরিতে কাজ করবে।
প্রসঙ্গত, ইল্যান্সে ফ্রিল্যান্সারের সংখ্যা প্রায় ৩১ লাখ। বাংলাদেশ থেকে এই সাইটটিতে কাজ করছেন প্রায় ৫৭ হাজার ফ্রিল্যান্সার।

Wednesday, April 2, 2014

সম্পূর্ণ নতুন একটি পিটিসি সাইট হতে আয় করুন! অন্য পিটিসি সাইটের সাথে মিলিয়ে নিন! ১০০% ট্রাস্টেড!!


অনেকেই বলবেন পিটিসি নিয়ে পোস্ট কি দরকার ছিল? হ্যা কথাটা ঠিকই। কিন্তু অনেকের কথা চিন্তা করে এই পোস্টটি করতে হচ্ছে। আসলে অনেকের মত আমিও পিটিসি পচ্চন্দ করিনা। কারন ১ম দিকে পিটিসিতে কাজ করতাম, অতপর ফিল্যান্সিং। তাছাড়া অনেকেই আছেন যারা পিটিসিতে কাজ করে নেটের বিল উসুল করেন। এর মধ্যে অনেকেই বলবেন ভাল পিটিসি কোনটি হ্যা ভাই এই নিয়ে পূর্বে পোস্ট করেছি। দুনিয়ার সবচেয়ে ভাল পিটিসি হল neobux.com এবং clixsense.com । এর পরে অনেক পিটিসি সাইট এসেছে কিন্তু বেশ কিছুদিন পরেই স্ক্যম হয়ে গেছে। তার পর আরেকটি বিষয় হল এখন যে সব পিটিসি সেখানে প্রায় ৫০-৬০ অ্যাডে ক্লিক করতে প্রায় ৩০ মিনিট ব্যয় হয়ে যায় যেমন- probux.com, Oojoo.com, nerdbux.com ইত্যাদি।
আজ আপনাদেরকে এমন একটি পিটিসি সাইটের সাথে পরিচয় করিয়ে দিব এবং আমি সিউর আপনাদের কাজ করতে ১০০% ভাল লাগবে। এই পিটিসি সাইটের নাম হচ্ছে..
Fusebux.com

এক নজরে এর সুবিধাবলী দেখে নিই:

ScreenShot007

১। এটি কোন স্ক্যাম সাইট নই ১০০% ট্রাস্টেড সাইট।
২। গত বছরের ডিমেস্বরে চালু হয়েছে। এখনো পেমেন্ট শুরু করেনি তাবে আগামী মাসে দেওয়া শুরু হবে। সাইটটির রিভিউ ও স্ক্যাম কিনা পরীক্ষা করতে এখানে ক্লিক করুন।
৩। অনেক সাইট ইন্টারফেস জটিল কিন্তু এটি অনেক সাধারন।
৪। এরা প্রতিদিন ১৫ টি অ্যাড দেয় প্রতিটি ০.৫ সেকেন্ড। টোটাল কাজ করতে ৪ মিনিটের বেশী সময় নেবেনা। সার্ভার অনেক ফাস্টেড। যেখানে অন্য পিটিসিতে কাজ করতে প্রায় ২০ মিনিটের বেশী সময় ব্যয় হয়।
৫। পেমেন্ট ৪ ডলার হলেই পেপাল, পেইজা, ইগোতে পাবেন।
৬। আনলিমিটেড ও রেন্টাল রেফারেলে আয় করতে পারবেন। এই জন্য যখন একাউন্ট খুলবেন তখন রেফারেল অনুসারে করতে হবে। তাহলে আয় বৃদ্ধি হবে বেশী। অন্যথায় পয়েন্ট কম পাবেন। যেমন: ২ দিন পূর্বে রেফারেল অনুসারে একাউন্ট করে আয় হয়েছে ০.১৪৫৬।
৭। আপনার যদি পেইজা একাউন্টে ডলার থাকে তাহলে সর্বনিম্ন ৫ ডলার ইনডোর্স করে রেন্টেড আয় বৃদ্ধি করতে পারবেন।
৮। যেহেতু সাইট নতুন, পিটিসি ইনভিটেগেশন অনুযায়ী রেটিং ভাল। সুতরাং এই মুহুর্তে এখানে একাউন্ট করা ভাল। কারন, ১ম দিকে যারা নিয়মে কাজ করবে তারা অবশ্যই টাকা পাবে। কেননা, কোম্পানীর প্রচার ও আস্থা বৃদ্ধি করতে হবে। তবে তারা যদি স্ক্যাম হবে তাহলে মনে করি ১/১.৫ বছরের পূর্বে হবেনা। ততদিনে হয়ত ২০-৩৫ ডলার আয় হবে।
৯। একাউন্ট করলে নিয়মিত কাজ করবেন। কারন এখানে তো সময় নষ্ট হবেনা। মাত্র ৪ মিনিট, নিজেই গ্যারান্টি, কাজ করছি নিজে। অন্য কোন লেখকের/ব্লগার মত একটুও বানিয়ে মিথ্যা বলছিনা। নিজেই দেখুন! যদি কাজ না হয় তাহলে কমেন্টে আমাকে গালি-গালাজ করেন!!

কিভাবে একাউন্ট করবেন ও কাজ করবেন?

1.  Fusebux   সাইটে কাজ করতে এখানে Fusebux.com   ক্লিক করুন।
ScreenShot005


২। সেখানে create an account এ- ইমেইল ঠিকানা, ইউজার নেম, পাসওয়ার্ড, ভেরীফিকেশন কোড পূরন করে রেজি: বাটনে ক্লিক করুন।
৩। এবার পাসওয়ার্ড ও ইউজার নেম দ্বারা লগইন করুন।
৪। এবার নিজেই কাজ করতে পারবেন। অ্যাডে ক্লিক করা অন্যদের মতই। তবে এখানে ক্যাপচা কিংবা ছবি পূরনের দরকার নাই। অ্যাডে ক্লিক করলেই ০.৫ সেকেন্ড অপেক্ষাতে পয়েন্ট কাউন্ট হয়ে যায়। মাত্র ৪ মিনিটেই কাজ শেষ।
৫। ব্যস এই ভাবে নিয়মিত কাজ করতে থাকুন ও বন্ধুদের রেফার করুন।

FACEBOOK , TWITTER , YOUTUBE থেকে আয় !


এই সাইট থেকে  মূলত আমরা Facebook / Twitter /Youtube দারা Point আয় করব । এই  Point Convert করে আমরা এটা   থেকে আমরা  টাকা বা $  আয় করতে  পারি ।
যাই হোক  আগে  Pament নিয়ে  কথা বলি । আমাদের  টাকা উঠাবার সহজ উপায় হল Payza , Paypal , okpay .

এখানে আমরা  Payza 5000 Point = $1

Paypal 5000 Point = $1
okpay 5000 Point = $1

তবে  একটির  বেশি  Account খুলেবন না কখনও ।

যদি  কারও ACCOUNT না থাকে তবে http://likesplanet.com/

লিংক থেকে করতে পারেন ।

আমার পেমে্নট  Proof আপনাদের মাঝে শেয়ার করলাম  http://prntscr.com/320s06

তবে একটি কথা বেশি আয় না হলেও নেট খরচের টাকাটা অন্তত উঠে আসবে। এটাইবা কম কিসের?

ছোট ছোট কাজ করে টাকা উপার্জন


আশা করি সবাই ভালো আছেন। ইন্টারনেট এ ছোট ছোট কাজ করে কিছু টাকা উপার্জনের কিছু সাইট নিয়ে হাজির হলাম আপনাদের সামনে। হয়তবা অনেকেই এই সাইট গুলোর নাম আগে থেকেই জানেন। যারা জানেন না তাদের জন্য আমার আজকের এই টিউন ।

microworkers.com:এই সাইটটি অনেক জনপ্রিয়। কাজ করার সাত দিনের মাঝে আপনার টাকা হয়ে যাবে। একাধিক একাউন্ট করা যাবে না। নয় ডলারের বেশি হলে পেপাল, পায়জা ও মানিবুকের্স দিয়ে টাকা তুলতে পারবেন.
shorttask.com : এই সাইটটি কার্যক্রম অনেক ভালো। একাধিক একাউন্ট করা যাবে না। দশ ডলারের বেশি হলে পেপাল দিয়ে টাকা তুলতে পারবেন।
minuteworkers.com: এই সাইটটি ভালো সাইট হিসাবে যথেষ্ট সুনাম অর্জন করেছে। রেফারেল দিলে পাচ সেন্ট পাবেন ও আপনার রেফারার যদি একটি কাজ সফলভাবে শেষ করেন তবে দশ সেন্ট পাবেন। দুই ডলারের বেশি হলে ১০% ফী দিয়ে টাকা তুলতে পারবেন। তবে দশ ডলারের বেশি হলে কোনো ফী দিতে হবে না। পেপাল ও পায়জা দিয়ে টাকা তুলতে পারবেন।
microtoilers.com: এই সাইটটিতে একাউন্ট করার সাথে সাথে এক ডলার পাবেন। এই সাইট এ রেফারেল এর বেবস্থা আছে। প্রথমবার টাকা তুলতে পচিশ ডলার বেশি হতে হবে। এরপর নয় ডলারের বেশি হলে পেপাল ও পায়জা দিয়ে টাকা তুলতে পারবেন। (তবে এই সাইটটিতে আমি কখনো কাজ করিনি)
jobboy.com: এই সাইটটিতে একাউন্ট করার সাথে সাথে এক ডলার পাবেন। এই সাইট এ রেফারেল এর বেবস্থা আছে। দশ ডলারের বেশি হলে পেপাল ও পায়জা দিয়ে টাকা তুলতে পারবেন।

Tuesday, April 1, 2014

WordPress এর জন্য SEO Tools & Plugins


অনেকেই আছেন যারা নতুন ব্লগ খুলেছেন এখন SEO করার জন্য Tools & Plugins খুঁজে পাচ্ছেন না। আপনাদের এই সমস্যার কথা চিন্তা করে আমি আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম WordPress এর জন্য SEO Tools & Plugins এর কিছু কালেকশান। আশা করি এগুলো আপনাদের অনেকেরই কাজে লাগবে। তাহলে কথা না বাড়িয়ে কাজে চলুন…..

Site Map Generators

  1. google xml sitemap
  2. Image Sitemp
  3. Video Sitemap
  4. HTML sitemap
  5. Wp shopping cart xml sitemap

wordpress blog অপটিমাই্জ করা

  1. All in one seo pack
  2. SEO SLUG
  3. SEO friendly image

Link Optimization

  1. SEO Smart links
  2. No self Ping
  3. Redirection

wordpress blog এর স্পেড বাড়ানো

  1. WP super coache
  2. Hyper Cache

Miscellenous

  1. SEO data transporter
  2. Seo tools

ফ্রি হিসেবে থাকছে ২০টি ফ্রি  SEOsubmission website

SEO এর জন্য ৫টি অতি প্রয়োজনীয় WordPress Plugins


কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই মহান সৃষ্টিকর্তার অশেষ রহমতে খুবই ভাল আছেন। আজ আপনাদের ওয়েবসাইটের জন্য SEO এর জন্য ৫টি অতি প্রয়োজনীয় WordPress Plugins. ব্লগের উন্নতির জন্য ও জনপ্রিয় করার জন্য SEO এর কোন বিকল্প নাই। যাই হোক নিয়ে নিন আপনার ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগের জন্য এই প্রয়োজনীয় প্লাগইন্সগুলো।

seo wordpress SEO এর জন্য ৫টি অতি প্রয়োজনীয় WordPress Plugins

1. All in One SEO Pack

 Download

2. Robots Meta.

 Download

3. SEO Slugs.

 Download

4. SEO Smart Links.

 Download

5. Google Positioner.

 Download

6. Nofollow Case by Case.

 Download

Monday, March 31, 2014

SEO – সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন


ইন্টারনেট এ যে সকল সেবা ফ্রী পাওয়া যায় তার মধ্যে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সবচেয়ে গুরুত্তপূর্ন এবং প্রতিযোগীতামূলক সেবা। এক্ষেত্রে প্রত্যেক ওয়েবমাস্টার ই একে অন্যের প্রতিযোগী তাই সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সম্পর্কে খুব ভাল তথ্য পাওয়া যায় না। আমি আজকে এ সম্পর্কে কিছু লেখার চেস্টা করব। এখানে আমি সুধুমাত্র গুগল নিয়ে লিখব কেননা আপনি গুগলে সাফল্য পেলে অন্য গুলুতেও পেয়ে যাবেন। এখন শুরু করা যাকঃ
গুগল সার্চ রেজাল্ট দেখানোর ক্ষেত্রে ২০০ এর বেশি ফেক্টর অনুশরন করে এর মধ্যে সুধু পেজ রেঙ্ক এর কথে গুগল খলাসা করে বলেছে আর বাকি গুলু বলেনি তারপরও আমি যেগুলু আবিষ্কার করতে পেরেছি সেগুলু নিয়ে লেখা যাকঃ
  • ১। গুগল এ গিয়ে লিখুন “click here” এবার সার্চ দিন।
    11111 SEO   সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন
  • কি দেখলেন? Adobe সবার উপরে। কেন? Adobe এর ওয়েবসাইটে একবার ও ত লেখা নেই “click here” এটা কি করে কী ওয়ার্ড হল? এটা কিওয়ার্ড না তাহলে এটা কী? এটা হল anchor text.
    Anchor text কী?
    আমি এখানে আমার ওয়েবসাইট aiget.blogspot.com কে Earn money online এর সাথে লিঙ্ক করে দিলাম। তাহলে এক্ষেত্রে Earn money online হল anchor text। হাজার হাজার ওয়েবসাইটে adobe reader কে লিঙ্ক দিয়েছে এই anchor text দিয়ে। কিন্তু একজনের পক্ষে কি সম্ভব এত anchor text তৈরি করা? আর গুগল সব লিঙ্ক কে গননা করে না। সুধুমাত্র যেগুলি কে গুগল গুরুত্তপুর্ন মনে করে সেগুলুই গননা করে। এখন কথা হল adobe কেন এত লিঙ্ক দিল? কারন adobe উপকারি একটি ওয়েবসাইট তাই anchor text তৈরি করার প্রতি মনযোগ না দিয়ে প্রয়জনীয় তথ্য বহুল ওয়েবসাইট তৈরি তে মনযোগ দিন।
  • ২. আবার গূগলে যান, লিখুন “submit project and earn money” এবার কি দেখলেন?2222 SEO   সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন
    সবার উপরে আমার সাইট Itlinks.info যার বয়স মাত্র ৪৩ দিন, পেজ রেঙ্ক ০, ব্যাকলিঙ্ক মাত্র ২২ টি। আর ৩৯ দিন থেকেই প্রথমে দেখাচ্ছে।
  • ৩। আবার গূগলে যান, লিখুন “earnmoneyonline” এবার কি দেখলেন?3333 SEO   সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন
একি বেপার itlinks.info সবার উপরে। এবার আপনার সাইটিকে সবার উপরে আনতে চাইলে নিচের স্টেপ গুলু অনুসরন করুনঃ
  • ১। যতটুকু সম্ভব সুন্দর ভাবে ডিজাইন করুন আপনার ওয়েবসাইট কে।
  • ২। আপনার সাইট এ অন্য ভাল ভাল ওয়েবসাইট এর লিঙ্ক রাখুন কেননা গুগুল যে গুলুকে ভাল মনে করে আপনি যদি সেগুলুকে লিঙ্ক দেন তাহলে গুগল আপনার ওয়েব সাইটটিকে গুরুত্তপূর্ন মনে করবে। গুগল ভাববে আপনি আপনার ভিজিটর দের ভাল তথ্য দিচ্ছেন তাই আপনার সাইটটিও গুগল এ গুরুত্তপুর্ন হয়ে উঠবে।
  • ৩। আপনার ওয়েবসাইটে কোন ডেড লিঙ্ক রাখবেন না। ডেড লিঙ্ক হল এমন সব সব লিঙ্ক যে লিঙ্ক থেকে কোন পেজ খুজে পাওয়া যায় না। ৪০৪ এরর দেখায়। অথবা অন্য কোন ওয়েব সাইটের লিঙ্ক যে ওয়েবসাইটটি এখন আর খুজে পাওয়া যায় না। আপনার ওয়েব সাইট এ কি কি ডেড লিঙ্ক আছে তা জানতে গুগল ওয়েবমাস্টার টুল ব্যবহার করুন।
  • ৪। আর যদি আপনি এমন সব লিঙ্ক দেন যা গুগল গুরুত্তপুর্ন মনে করেনা তবে গুগুল আপনার ওয়েব সাইটটিকে অপ্রয়োজনীয় মনে করতে পারে। ফলে দেখা দিবে রেঙ্ক লিক।
  • ৫. আপনার ওয়েব সাইটে কোন কপি পেস্ট আর্টিকেল রাখবেন না। কেননা সকল ওয়েবপেজই গুগল এ সেভ করা আছে সুতরাং আপনি কপি পেস্ট করলে গুগলকে কিছুতেই ফাকি দিতে পারবেন না ফলে আপনার ওয়েবসাইটটি কে স্পেম হিসেবে মার্ক করা হবে।
  • ৬. গুগলের জন্য xml সাইটমেপ ব্যবহার করুন।
  • ৭। যত দ্রুত সম্ভব ওয়েবসাইট আপডেট করুন কারন বেসিদিন আপডেট না করলে আপনার সাইটটি কে স্পেম করা হবে।
  • ৮। সবচেয়ে গুরুত্তপুর্ন হল যা, কি ওয়ার্ড নির্বাচন। যে সব সব কী ওয়ার্ড এ প্রতিযোগিতা কম সে সব কী ওয়ার্ড দিয়ে ওয়েবসাইট বানান। অথবা এমন কী ওয়ার্ড ব্যবহার করুন যা যেকোন সময় সার্চেবল হতে পারে। যেমন ধরুন, “MAKE MONEY ONLINE” কী ওয়ার্ড দিয়ে অনেক সাইট আছে তাই এখানে সাফল্য পাওয়া কস্টসাধ্য। তাই আপনি চাইলে কিছুটা পরিবর্তন করে “How to make money online” এরকম কী ওয়ার্ড ব্যবহার করতে পারেন।
  • ৯। সবথেকে বড় কথা হল ইউনিক কন্টেন্ট রাখুন অন্তত সপ্তাহে একবার আপনার সাইটটি আপডেট করুন।

স্মার্ট SEO প্রিমিয়াম ওয়ার্ডপ্রেস প্লাগইন


কি আর বলব এটি আসলেই চরম সুন্দর আর আখামা কাজের একটি সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন(SEO) প্লাগইন আপনারা অনেকেই
CodeCanyon এর সাথে পরিচিত সো তাদের সাইটে রিলিজ হওয়া প্লাগইন সম্পর্কে আমি আর কি বয়ান দেব।
চুলন এর নান্দনিক কিছু ছবি দেখি
seo preview স্মার্ট SEO প্রিমিয়াম ওয়ার্ডপ্রেস প্লাগইন

এটি develop করেছেন
a ateam স্মার্ট SEO প্রিমিয়াম ওয়ার্ডপ্রেস প্লাগইন
এবার এটি ফ্রিতে ডাউনলোড করে নিন

SEO সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন পর্ব-৩ [গুরুত্বপূর্ণ বিষয়]


আজকে আবারো লিখতে বসলাম  SEO সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর পর্ব ৩ নিয়ে। আজকে খুব জরুরী কিছু বিষয় নিয়ে কথা বলব। আমি আসা করছি কেউ এই পর্ব টা মিস করবেন না। কারন বেসিক জিনিস গুলো ক্লিয়ার না হলে এডভান্স লেভেল কিছুই বুঝবেন না। এবং আসা করি আগের SEO সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন পর্ব ২  দেখে তারপরে পর্ব ৩ এ ঘুরতে এসেছেন। একটা জরুরী কথা হল যে কনো ধারাবাহিক পোস্টিং এর এক পর্ব বাদ দিয়ে আরেক পর্ব দয়া করে পড়বেন না এতে ক্ষতি আপনার ই বেশী হবে কারন আগা না বুঝলে মাথা বুঝা ঝামেলা হয়ে যাবে।

গত পর্বে আমরা যা দেখেছি সেগুলো একজন দেখে নেই।

৩টি ধাপ যেভাবে ওয়েব সাইটে ভিসিটর আসে
সার্চ ইঞ্জিন কিভাবে কাজ করে দেখুন
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের সব থেকে গুরুত্যপূর্ণ বিষয়
ডোমেইন নির্বাচন।
সাইটের ব্যাকলিংক।
ব্যাক লিংক সংক্রান্ত বিষয়ে বিশ্লেষণ
Do Follow
No follow
কিভাবে ব্যাক লিংক বাড়াবেন?
এঙ্কর টেক্সট।

আজকের পর্ব ৩ শুরু করলাম

আজকে আমরা দেখবো নিচের গত পর্বে বাকি থাকা আরো কিছু গুরুত্য পূর্ণ বিষয়
৪। কী-ওয়ার্ড নির্বাচন ব্যবহার।
৫। ডোমেইন রেজিষ্টেশন ও হোস্টিং সাইট নির্বাচন।
৬। সাইটের ট্রাফিকের প্রভাব।
৭। সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং।
৮। ইউসার ফ্রেন্ডলি URL নির্বাচন
৯। হেডিং ট্যাগ
কী-ওয়ার্ড বলতে মূলত বুঝায় সেই সমস্ত ওয়ার্ড গুলো যেই ওয়ার্ড গুলো দিয়ে সাধারণত সার্চ করে থাকে সাধারণ মানুষ। যেমন কেউ যদি কোন গান খুঁজে থাকে সে কি লিখে সার্চ করবে গুগলে গিয়ে? “আমি একটা গান খুচতেছি” এটা লিখবে নাই লিখবে যে “ডাউনলোড বাংলা গান” অবশ্যই সে পরের বাক্যটি ব্যবহার করবে, তাই না? এখানে দেখুন ৩টি জরুরী কি ওয়ার্ড আছে ডাউনলোড, বাংলা, গান, এখন আপনার সাইটের টাইটেলে এবং কি ওয়ার্ড এ যদি এই ওয়ার্ড গুলো না থাকে তাহলে কি গুগল আপনার সাইট খুঁজে পাবে? পাবে না। তার মানে কি দাঁড়ালো? আমাদের সাইট টি যে বিশয়ের উপরে তৈরি হবে সেই বিশয়ের উপরেই আমাদের কি ওয়ার্ড গুলো সিলেক্ট করতে হবে।
এছাড়াও নিচের বিষয়গুলো মাথায় রাখুন
  • আপনার কিই ওয়ার্ড গুলো alt টেক্সট এ ব্যবহার করুন
  • আপনার কিই ওয়ার্ড প্রেজ গুলো কন্টেন্ট এর শেষে স্থাপন করুন, অথবা একেবারে নিচের লিংক এ ব্যবহার করুন
  • কন্টেন্ট এর মেইন কিই ওয়ার্ড গুলো বোল্ড এবং ইতালিক ফন্ট এ মার্ক করুন, কন্টেন্ট এ অনেক বেশি লিংক ব্যবহার পরিহার করুন।
  • আপনার আর্টিকেল গুলোতে ১-৩% কিই ওয়ার্ড এর ঘনত্ব রাখার চেষ্টা করুন।
  • কন্টেন্ট স্থাপন শেষ হলে কিই ওয়ার্ড নিয়ে গভেষনা শুরু করুন
[পরে আমি বিস্তারিত লিখব এটি নিয়ে, কিছু সফটওয়্যার দিব কি ওয়ার্ড নির্বাচনের]
৫। ডোমেইন রেজিষ্টেশন ও হোস্টিং সাইট নির্বাচন।
ডোমাইন নির্বাচন করাটা খুব ই জরুরী বিষয় একটি সাইট যদি সফল করতে চান। কারন ধরুন আপনার সাইট যদি মিউজিক নিয়ে হয়ে থাকে তখন সাইটের নাম কি “ডিজিটাল বিডি” রাখবেন? নাকি “গানের ভুবন” বা এই জাতিয় রাখবেন? অবশ্যই আপনি পরের অপশন টি সিলেক্ট করুন। কারন ডমাইনের সাথে সার্চ ইঞ্জিনের অনেক কিছু নির্ভর করে। এবং অবশ্যই ভালো কোম্পানি যেমন http://www.godaddy.com/ থেকে ডমাইন নিতে পারেন। আরেকটি কথা মাথায় রাখবেন সেটি হয়েছে হোস্ট নির্বাচন করা। অবশ্যই কোন ভালো হোস্ট নির্বাচন করুন আপনার সাইটের জন্য। কারন হোস্ট এর ঝামেলার কারনে আপনার সাইট যদি বার বার ডাউন থাকে তাহলে সার্চ ইঞ্জিনে পাওয়া আপনার লিংক এ কেউ ক্লিক করলে বার বার এরর পাবে যার ফলে একটি ব্যাড রেকর্ড হয়ে যাবে আপনার সাইটের সার্চ ইঞ্জিনের কাছে। আমি পারসনালি বলব জীবনে আর যাই করেন বিডি থেকে কোন হোস্ট কিনবেন না। ২০০ টাকা দামের হোস্ট দেখলেই দৌড়াইয়া পালাবেন নয়ত ধরে মাইর দিবেন কারন এরা বেশির ভাব ই ধকবাজি করে নানান জাতিয়। এবং অবশ্যই যে কোন সার্ভার কিনার আগেয় জিজ্ঞাস করে নিবেন “আপ টাইম” কত ভাগ। যদি বলে ৯৯.৯ তাহলেও ঐ সার্ভার নিবেন না ০.১ মানের সার্ভার মাঝে মাঝেই ডাউন হবে। তাই ১০০ ভাগ আপ টাইম ছাড়া সার্ভার নিবেন না।

৬। সাইটের ট্রাফিকের প্রভাব।
এর মানে হচ্ছে যে সার্চ ইঞ্জিন এ সফলতা পেতে অবশ্যই আপনার ট্রাফিক এর জোর থাকতে হবে। আপনার সাইটে যদি দৈনিক ভিসিটর খুব ই কম থাকে তাহলে ভাই কাজ হবে না। সাইটের মার্কেটিং করুন। প্রচার বারাতে হবেই যদি ট্রাফিক বারাতে পারেন তাহলে সার্চ ইঞ্জিনের সগলতার কাছা কাছি চলে যেতে পারবেন আপনি। এই ব্যপারে আমি হেল্প করতে পারি শুধুমাত্র পরিচিত কয়েজন যোগাযোগ করুন অনলাইন মার্কেটিং এর অনেক রহস্য গুলো উদ্ঘাতটন করতে চাইলে।


৭। সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং।
প্রচুর পরিমাণ প্রচার করতে হবে। বিভিন্য সাইটে আপনার সাইটের নামে প্রোফাইল ওপেন করুন, লিংক শেয়ার করুন বিভিন্য সোশাল সাইট গুলোতে। এটাও খুব গুরুত্য পূর্ণ একটি বিষয় সার্চ ইঞ্জিনের জন্য।

৮। ইউসার ফ্রেন্ডলি URL নির্বাচন
এইটাও খুব দরকারি জিনিস আসলে ইউআরএল এর টা যদি সহজ এবং ছোট হয় তাহলে সার্চ ইঞ্জিনের সেটা মনে রাখা এবং আমাদের অ মনে রাখা সহজ হবে। চেষ্টা করবেন যেন অবশ্যই আপনার সাইটের ইউআরএল আপনার পোস্ট এর সাথে ম্যাচ করে। অহেতুক আইডি ব্যবহার করবেন ইউআরএল এর মাঝে। এবং বড় ইউআরএল অবশ্যই বাতিল খাতায় নাম লিখান। তবে বাংলা সাইট হলে অবশ্যই অবশ্যই ইউআরএল এর আইডি ব্যবহার করুন নয়ত আপনার বাংলা ইউআরএল গুলো সার্চ ইঞ্জিন চিনতে পারবে না।
একটি সার্চ ইঞ্জিন ফ্রেন্ডলি URL [ ইংলিশ সাইট]

http://aiget.blogspot.com/archives/bangla-seo-tutorial
একটি সার্চ ইঞ্জিন ফ্রেন্ডলি URL [ বাংলা সাইট]
http://aiget.blogspot.com/archives/13927
একটি সার্চ ইঞ্জিন আনফ্রেন্ডলি URL [ ইংলিশ সাইট]
http://aiget.blogspot.com/archives/pd-12-%%%Sfjgk_ks,47asqwouioiqw%%%%DSDD–asaskkkkmk,kasjlhklasas [জাস্ট উদাহরণ]
একটি সার্চ ইঞ্জিন আনফ্রেন্ডলি URL [ বাংলা সাইট]
http://aiget.blogspot.com/archives/সার্চ-ইঞ্জিন-অপটিমাইজেশন-এর-পর্ব-৩

৯। হেডিং ট্যাগ
হেডিং ট্যাগ অ দরকারি একটি জিনিশ। সাধারণ সার্চ ইঞ্জিন h1 কে মনে করে খুব গুরুত্যপূর্ণ এবং পরের সকল হেডিং কে মনে করে h1 এর সাব ক্যাটাগরি। যেমন আমি যদি
<h1>Main Heading</h1>
Main Heading
<h2>Sub Heading</h2>
Sub Heading
এই ব্যপারটা হয়ত অনেকেই জানেন না যে একটি সাইটে শুধু মাত্র একটি h1 রাখা উচিত, বাকি সব কিছু h2 রাখতে হবে। যেমন টিউনারপেজে h1 দেখা আছে নির্বাচিত পোস্ট এর জন্য এবং বাকি সকল পোস্টিং এর টাইটেল গুলো h2 ব্যবহার করা হয়েছে। যার ফলে সার্চ ইঞ্জিন h2 প্রথমে খুঁজে তাই বাকি সমস্ত পোস্টিং গুলো সহজে পেয়ে যাবে।

SEO সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন পর্ব-২ [ জরুরী বিশ্লেষণ ]


আজকে আবারো লিখতে বসলাম  SEO সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর পর্ব ২ নিয়ে। আজকে খুব জরুরী কিছু বিষয় নিয়ে কথা বলব। আমি আসা করছি কেউ এই পর্ব টা মিস করবেন না। কারন বেসিক জিনিস গুলো ক্লিয়ার না হলে এডভান্স লেভেল কিছুই বুঝবেন না। এবং আসা করি আগের SEO সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন পর্ব ১  দেখে তারপরে পর্ব ২ এ ঘুরতে এসেছেন। একটা জরুরী কথা হল যে কনো ধারাবাহিক পোস্টিং এর এক পর্ব বাদ দিয়ে আরেক পর্ব দয়া করে পড়বেন না এতে ক্ষতি আপনার ই বেশী হবে কারন আগা না বুঝলে মাথা বুঝা ঝামেলা হয়ে যাবে। যাই হক আগের পর্বে আমরা যা দেখেছি সেগুলো একজন দেখে নেই।
SEO সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন কাদের জন্য?
SEO সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন কি এবং এর কাজ কি?
SEO সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন করলে কি হবে?
SEO সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর কিছু ধাপ।
দেখে নিতে পারেন আপনার ওয়েব সাইটের বর্তমান স্কর
- আমি প্রতি পর্বে আপনাদের কিছু প্রশ্ন করবো পারলে রিপ্লাই দিবেন যদি সত্যি আপনি এস ই ও তে একজন এক্সপার্ট হতে চান। কথা দিলাম আমাকে সহযগিতা করলে যা কিছু জানি সব শেয়ার করব নয়ত কথা দিলাম কিপটামি করে শিখাবো
গত পর্বের উপরে ভিক্তি করে আজকের কিছু প্রশ্ন –
১। কনো ওয়েব সাইটের ভেলু বারাতে সব থেকে বেশী জরুরী কনটা?
২। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন মূলত কাদের জন্য? এক লাইনে বলতে হবে।
seoab SEO সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন পর্ব ২ [ জরুরী বিশ্লেষণ ]

আজকের পর্ব ২ শুরু করলাম

আসুন দেখে নেই আমরা কোন কোন সিস্টেম এ আমাদের সাইটে ভিসিটর পেয়ে থাকি

৩টি ধাপ যেভাবে ওয়েব সাইটে ভিসিটর আসে

১। সরাসরি ট্রাফিক -  অনলাইন অফলাইন মার্কেটিং এর মাধ্যমে সাধারণত ভিসিটর রা আপনার সাইটে সরাসরি ওয়েব এর ঠিকানা জেনে শুনে ভিসিট করে। ।
২। লিংক ম্যানাজার – অন্য সাইট থেকে আপনার লিংক এ ক্লিক করে ভিসিট করা। যেমন ভিবিন্য সাইটে যখন আপনি আপনার সাইটের লিংক দিয়ে মন্তব্য করেন অথবা পোস্টিং এর মাধ্যমে আপনার সাইটের লিংক দিয়ে থাকেন।
৩। SEO ট্র্যাফিক – গুগলে বা অন্য যে কনো সার্চ ইঞ্জিন গুলতে ঘুরতে ঘুরতে কনো কিছু খুঁজতে খুঁজতে আপনার পেলে সেখান থেকে সাইট ভিসিট করা।
তাহলে যেহুতু আমরা শিখতে এসেছি SEO তাই আমাদের মুল উদ্দেশ্য ও লক্ষ থাকবে জেনো সার্চ ইঞ্জিন গুলো থেকেই আমাদের ইউসার রা আমাদের সাইটে আসে। এটা কেন বেশী ইম্পরট্যান্ট? কারন – একটি সাইট কেউ ৬/৮ মাসের জন্য করে না। অথবা ১বছর ও কম যদি আপনি প্রফেশনাল কনো সাইট করতে চান, তাই অনলাইন অথবা অফলাইন মার্কেটিং করা নিশ্চয়ই সারা বছর সম্ভব নয়। তাই নয় কি? ধরেন আপনার একটি সাইট খুলেছেন টার্গেট করলেন ২ বছর চালাবেন। এই ২ বছর কি শুধু মার্কেটিং করে সাইটে ভিসিটর আনতে পারবেন? পারবেন যদি আপনার প্রচুর টাকা পয়সা থাকে। আর যদি না থাকে তাহলে আপনাকে নির্ভরশীল হতে হবে কিসের উপরে? SEO সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর উপরে। কারন এটাই একমাত্র ভরসা যেখানে আপনি যদি খুব ভালো করে একবার ঠিক মত SEO সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন করতে পারেন তখন যে কনো কিছু সার্চ করলেই একজন সাধারণ ব্যবহারকারী আপনার সাইটের লিংক পেয়ে যাবে। তাই ভিসিটর বাড়ানোর ঝামেলা আর নেই।

সার্চ ইঞ্জিন কিভাবে কাজ করে দেখুন

সার্চ ইঞ্জিন গুলো প্রতিটা সাইটের পেজ র‍্যাংক ভিক্তিতে সার্চ ইঞ্জিনের BOT পাঠায় প্রতিটা সাইট কে ক্রলিং করতে। এখানে বট বলতে অনেকটা বুঝায় যে এটা সার্চ ইঞ্জিন গুলোর অটোমেটিক সিস্টেম। এই সিস্টেম এর কাজ হল নতুন পুরনো সাইট গুলতে ঘুরে ঘুরে দরকারি ও কাজের সাইটের লিংক গুলো keyword বা meta tag গুলো গুগল বা যে কনো সার্চ ইঞ্জিনের ডাটাবেসে যুক্ত করা। তারা মূলত চিনে থাকে আপনার সাইটের keyword বা meta tag গুলো কে। এই ক্রুলিং সাধারণত হয়ে থাকে পেজ রাংক, সাইট লিংক, সাইটের মেয়াদ, সাইটের ভিসিটর এর উপরে ভিক্তি করে আপনার সাইটে গুগলের ক্রুলার ক্রুল করে আপনার keyword বা meta tag লিংক গুলো নিতে আসবে। অনেক সময় একদম নতুন সাইট ও দেখবেন সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ করলে প্রথম পাতায় দেখা যাবে সেটার কারন এই ক্রুলিং এর জন্য ই হয়ে থাকে। কারন অনেক সাইটে  সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন না করা থাকলেও এই ক্রুলিং এর জন্য সার্চ করলে সার্চ রেসাল্ট এ দেখা যায় । তাই এই জন্য ই মূলত Sitemap এর ব্যবহার হয়ে থাকে। এ ছারাও আপনার সাইট টিকে গুগলে ক্রলিং করবে কিনা সেটা ডিপেন্ড করবে আপনার পুরো সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সিস্টেম এর উপরে নির্ভর করে। সেটা আমরা শিখতে শুরু করেছি। আসলে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন একটা ব্যপারের সাথে আরেকটা ব্যপার খুব বেশী যুক্ত থাকে।

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের সব থেকে গুরুত্যপূর্ণ বিষয়

১। ডোমেইন নির্বাচন।
২। সাইটের ব্যাকলিংক।
৩। এঙ্কর টেক্সট।
৪। কী-ওয়ার্ড নির্বাচন ব্যবহার।
৫। ডোমেইন রেজিষ্টেশন ও হোস্টিং সাইট নির্বাচন।
৬। সাইটের ট্রাফিকের প্রভাব।
৭। সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং।
৮। ইউসার ফ্রেন্ডলি URL নির্বাচন
৯। হেডিং ট্যাগ
১০। সাইট ম্যাপ
১১। কন্টেন্ট
১২। ALT ট্যাগ
১৩। টাইটেল নির্বাচন
১৪। মেটা ট্যাগ
এই ১৪টি স্টেপ খুব বেশী জরুরী বিষয় সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর ক্ষেত্রে। একটি ছাড়া আরেকটি জেনো অসহায় হয়ে যায়। আপনাকে অবশ্যই অবশ্যই এই ১৪টি পয়েন্ট মুখস্ত থুতস্ত করতে হবে। এগুলা আসলেই খুব বেশী জরুরী জিনিস। মুখস্ত এই জন্য করতে হবে জেনো আমি যে কনটার নিয়ে আলোচনা করলেই চট করে বুঝে যেতে পারেন কনটার বিষয়ে কথা বলছি এবং কনটার কি কাজ। তাহলে চলুন এগুলো আরো ভালো ভাবে বিশ্লেষণ করি। হয়ত আজকের পর্বে সব শেষ করতে পারব না, কয়েকটা আজকে দেখি।

১। ডোমেইন নির্বাচন।

ডোমেইন নির্বাচন বুঝাতে বলা হচ্ছে যে আপনার সাইটের সাথে আপনার সাইটের কন্টেন্ট অবশ্যই মিল থাকতে হবে। আপনে যদি কবিতা বিষয়ক কনো সাইট বানিয়ে ডোমেইন দেন সাইবার ক্যাফ তাহলে কি ভাই জিনিসটা মিল খাইল? কেউ যদি বাংলা কবিতা লিখে সার্চ করে তাহলে আপনার কি ধারনা সহজে আপনার সাইট খুঁজে পাবে? পাবে না। তাই চেষ্টা করবেন অবশ্যই ডোমেইন এর সাথে মিল রেখে সাইটের মুল তথ্য রাখতে।

২। সাইটের ব্যাকলিংক।

আগেও বলেছি আবারো বলতেছি এখানের ১৪টি বিষয় খুব খুব খুব বেশী গুরত্য পূর্ণ। তাই প্লিজ মন দিয়ে জিনিস গুলো বুঝেন। সাইটের ব্যাক লিংক বলতে বুঝায় যে, আপনার সাইটের লিংক আরো কোন কোন সাইটে আছে। এই ব্যাক লিংক এর মাধ্যমে নির্ধারণ করা হয়ে থাকে আপনার সাইট টি কতটা দামি সাইট। সাইটের ব্যাক লিংক যত বাড়াবেন সাইটের পেজ রাংক তত বেশী বাড়বে, আর পেজ র‍্যাংক যত বেশী বাড়বে আপনার সাইটের ভেলু তত বেশী হবে। তাই বেশী বেশী করে অন্য সাইটে নিজের লিংক শেয়ার করুন। কনো মন্তব্য বা পোস্ট এর মাঝে আপনার সাইটের লিংক দিলেই সেটা ব্যাক লিংক হবে কিন্তু শুধু সাইটের লিংক শেয়ার করলেই চলবে না অবশ্যই এঙ্কর টেক্সট দিয়ে থাকতে হবে, তাও চলবে না অবশ্যই Do Follow লিংক হতে হবে। তবুও চলবে না ভাইজান সাইটের লিংক বেশী পেজ র‍্যাঙ্ক ওয়ালা সাইটে হতে হবে নয়ত গুগল আপনার ব্যাক লিংক পাত্তাও দিবে না। বেশী পেজ র‍্যাংক অয়ায়ালা সাইটে বেশী বেশী ব্যাক লিংক করুন।
ব্যাক লিংক সংক্রান্ত বিষয়ে বিশ্লেষণ
ক} প্রথমে একটি মজিলা এড অন ইন্সটল করে নিন, এখানে দেখা যাবে কোন সাইটের কয়টা ব্যাক লিংক আছে, পেজ রাংক কত আছে, ইত্যাদি ইত্যাদি। এখনে ডাউনলোড করুন। এটা ইন্সটল করার পড়ে মজিলার টলবারে একটি টলবার নতুন যুক্ত হবে কনটার কি কাজ দেখা যাবে সেটা নিচের ছবিতে দেখে নিন।
images SEO সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন পর্ব ২ [ জরুরী বিশ্লেষণ ]
খ} Do Follow
সার্চ ইঞ্জিন স্পাইডার ও বুট গুলো সবসময় do follow link count করে থাকে। যদি কোন Do follow blog এ আপনি আপনার সাইটের link শেয়ার করে থাকেন তাহলে সেটি Google এর কাছে Backlink হিসেবে গন্য হবে। তাই অবশ্যই Do Follow লিংক ছাড়া কনো সাইটে নিজের লিংক শেয়ার করে সময় নষ্ট করবেন না। পড়ে আমি হাজার হাজার Do Follow লিংক দিবো। আমি আগে সব কিছু বুঝাইয়া নিতেছি পড়ে মান মসালা দিলেই জেনো আপনি বুঝে ফেলেন কনটার কি কাজ এবং কিভাবে করতে হবে।

গ} No follow
সার্চ ইঞ্জিন স্পাইডার ও বুট গুলো কখনো No follow লিংক count করবে না। যদি কোন No follow blog এ আপনি আপনার সাইটের link শেয়ার করে থাকেন তাহলে সেটি Google এর কাছে Backlink হিসেবে গন্য হবে হবে না। কিনতু ঐ লিঙ্ক এর সুবিধা হল ওখান থেকে আপনি ভিজিটর পাবেন। তবে স্পেমিং করা থেকে বিরত থাকুন।

ঘ} কিভাবে ব্যাক লিংক বাড়াবেন?
অন্য সাইটে বেশী বেশী আপনার সাইটের লিংক শেয়ার করুন মন্তব্য করে লিংক দিতে পারেন অথবা যে কনো পোস্ট এ নিচে আপনার সাইটের লিংক দিতে পারেন। তবে একজন ভালো ওয়েব মাস্টার কখনো এভাবে ব্যাক লিংক করবে না। কারন এভাবে স্পেমিং এর একটা কলঙ্ক থাকে। আসলে আমি এটাকে স্পেমিং মনে করি না, আরে ভাই আরেকজন যদি একটা লিংক শেয়ার করে এটা কি আপনার খুব বেশী ক্ষতি হয়ে যাবে? মন মানসিকতা বড় করেন প্লিজ। একজনের পাশে এসে আরেকজন দাঁড়ান। যাই হক আমি আপনাদের কে এমন একটি সফটওয়্যার ও হাজার খানিল হাই পেজ র‍্যাংক সাইটে দিবো। ঐ সফটওয়্যার দিয়ে অটোমেটিক সিস্টেম এ হাজার হাজার সাইটে ব্যাংক লিংক করতে পারবেন। তবে এই সফটওয়্যার শুধু মাত্র মিয়মিত পাঠকদের কেউ দেয়া হবে। একদম শেষ পর্বে। তাই প্লিজ নিয়মিত হবেন আসা করছি। ভাই টিউটোরিয়াল লিখা অনেক কষ্ট যদি খুব ভালো করে লিখতে চাই। তাই একটু উৎসাহ দরকার আমার। ২ঘন্টা লাগছে এটা লিখতে। বাংলা পারি না একনো ভালো ভাবে খুব কষ্ট হউতেছে।

৩। এঙ্কর টেক্সট।
সোজা কথায় বলতে গেলে এঙ্কর টেক্সট হল কনো লিখার মাঝে লিংক টাকে জরিয়ে দেয়া যেমন নিচে -
<a href=”http://aiget.blogspot.com/”>আইগেট</a>
এখানে দেখুন আমার নামের সাথে একটি লিংক এড করা আছে এটাই মূলত এঙ্কর ট্যাক্স। এখানে মাউশ লিংক টি সরাসরি দেখতে পারবে না নামের উপরে ক্লিক করলে ঐ লংক এ চলে যাবে। পড়ে বিস্তারির আলোচনা করব আপাতত ধারনা রাখুন সব কিছুর উপরে।

SEO Panel – প্রথম ওপেনসোর্স Search Engine Control Panel


যাদের SEO নিয়ে মাথা ব্যাথার শেষ নাই তাদের জন্যে কিছুটা হলেও মাথা ব্যথা অপ্টিমাইজ করার কথা !
সবচেয়ে মাথা ব্যথার কথা হল SEO এর জন্যে ভাল টুলস গুলো ফ্রি ব্যবহার করার কথা চিন্তাও করা যায় না..কিন্তু এবার আর যাবেন কই ব্যবহার করুন SEO Panel…
কি কি আছে এই ওপেন সোর্স পানেলে ?

১। Keyword Position Checker

আপনার ব্লগের পোষ্টটি বা সাইটের কোন পেইজ কোন নির্দিষ্ট কিওয়ার্ডের জন্যে Search engine এর কত নং পজিশনে অবস্থান করছে সাথে সাথে জানতে পারবেন…সাথে পাবেন বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনের জন্যে Graphical Position রিপোর্ট। Keywords Manager টি ব্যবহার করে নতুন কোন কিওয়ার্ড যোগ করে দিতে পারবেন এবং তার রিপোর্ট জানতে পারবেন,Generate Keyword Reports এর মাধ্যমে সকল কিওয়ার্ডের বর্তমান অবস্থান জানতে পারবেন।

২। Site Auditor

এটির মাধ্যমে আপনার সাইটের Google, Yahoo, Bing ব্যাক্লিঙ্কস দেখতে পারবেন…সাথে থাকবে Indexed রিপোর্ট। External,Total Links ও সাথে পাবেন, Sitemap Generate করতেও পারবেন এই টুলটির মাধ্যমে।

৩। Rank Checker

গুগল পেইজ র‍্যাং এবং এলেক্সা র‍্যাংক পাবেন একই সাথে এই টুলটি ব্যবহার করে, Generate Rank Reports এর মাধমে বিভিন্ন তারিখের র‍্যাংকের উঠা-নামা চিহ্নত করতে পারবেন।

৪। Backlinks Checker

এটির মাধ্যমে বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনের ব্যাকলিঙ্ক চেক করতে পারবেন, আর Generate Backlinks Reports এর মাধ্যমে বিভিন্ন তারিখের মধ্যে ব্যাকলিঙ্ক এর রিপোর্ট পাবেন।

৫। Directory Submission

দুঃখের বিষয় মাত্র ১৬০ টি ফ্রী Directory ওয়েব সাইটের লিঙ্ক দেয়া আছে যদি হাজার খানিক সাইটের লিঙ্ক দেয়া থাকত তাহলে আর আপনাকে পাইত কে ? যাই হোক এই ১৬০ টি ফ্রী Directory Submission করতে পারবেন…

৬। Search Engine Saturation

এটির মাধমে জানতে পারবেন বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিন কত পেইজ বা লিঙ্ক ইডেক্স করে নিয়েছে…এবং Generate Saturation Reports এর মাধ্যমে বিভিন্ন তারিখের রিপোর্ট পাবেন।

আরো কিছু যেগুলো মাথা ব্যাথার কারন কিন্তু ফ্রি নয় !!

১। Blog Commentor

এটির মাধমে আপনার নির্দিষ্ট কিওয়ার্ডের জন্যে হাজার ব্লগে ঠিকানা পাবেন এবং ব্যাকলিঙ্ক তৈরী করতে চাইলে ব্লগ গুলোতে কমেন্টের ঝড় তুলে দিয়ে আসতে পারেন।(স্পাম হতে দূরে থাকবেন )
এছাড়া আরো কিছু প্লাগিন্স আছে যেগুলো ফ্রি নয় তাই আপনাদের মাথা ব্যথা বাড়ানোর জন্যে প্যাচাল বাড়াতে চাই না…
চাইলে একবার টেস্ট করে দেখে আস্তে পারেন এই ঠিকানায়…http://easysocialbookmarking.com/seo-panel/
ভাল না লাগলে আমার কোন দোষ নাই, মাথা ব্যাথার ঔষধ নিজে খেয়ে নিবেন…..(টিক টিক টিক…)

মেগা পোস্ট - এসইও শিখুন সহজে


সূচনাঃ

অনেকদিন ধরেই ভাবছিলাম SEO নিয়ে পোষ্ট করি যাতে যারা ওয়েব মাষ্টার বা SEO করে উপার্জন করতে চান তারা যেন একটু উপকৃত হন। অনেকেই SEO নিয়ে অনেক ধরনের পোষ্ট লিখেন, কিন্তু কোন পোষ্টই ততটা পরিপূর্ণ নয়। এটা ঠিক যে সবাই সব ট্রিকস জানেন না। আমি যতটা সম্ভব এই পোষ্টের মাধ্যেমে সহজ ভাষায় এবং যত বিস্তারিত সম্ভব পোষ্ট করব। মাঝে মাঝে টিউন করতে দেরী হতে পারে। সেই জন্য আগেই ক্ষমা প্রাথনা করছি। আর হা… টিউনার পেজ এ এটিই আমার প্রথম টিউন।

SEO কি ?

SEO শব্দের অর্থ হল Search Engine Optimize . আমি সহজ বাংলায় আমার নিজের মত করে বলি, SEO হল এমন একটা কায়দা.. যে কায়দাতে সার্চ ইঞ্জিন কে একটি নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটকে, ঐ ওয়েবসাইটের কয়েকটি নির্দিষ্ট কীওয়ার্ড দ্বারা পরিচয় করিয়ে দেয়া। যাতে পরে কোন ভিজিটর ঐ ধরনের কোন কীওয়ার্ড সার্চ ইঞ্জিনে লিখে সার্চ দিলে.. সার্চ ইঞ্জিন ঐ নিদির্ষ্ট ওয়েবসাইটাকে ভিজিটরকে প্রদান করবে।

SEO করার জন্য কি কি দরকার ?

১।  ডোমেইন নেম নির্বাচন
২। ভাল এবং ফাস্ট একটি ওয়েব সার্ভার
৩। সঠিক ভাবে ওয়েব সাইটের মেটা ট্যাগিং
৪। SEO Friendly URL
৫। কিছু প্রয়োজনীয় ট্যাগ ও টিপস
৬। সঠিক কোডিং

কিভাবে SEO করা যায়???

SEO করার সবচেয়ে সহজ কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ কিছু মাধ্যম হলঃ
১। স্যোসাল মাকেটিং (Social Marketing)
২। Bookmarking
৩। ব্লগ ও ফোরাম পোষ্টিং
৪। সার্চ ইঞ্চিন সাবমিশন
৫। গুগল ওয়েবমাষ্টার টুল
৬। পিং
৭। RSS ফিড

SEO Tools:-

SEO  করার জন্য কিছু টুলস এর ও প্রয়োজন আছে। আমার ধারাবাহিক টিউনগুলো শেষ হলে সবগুলো টুলস সব টিউন রিডারকে সম্পূর্ন ফ্রি দেয়া হবে।
আমি ধারাবাহিক ভাবে এই সবগুলো বিস্তারিতভাবে আলোচনা করব। আশা করি সবাইকে পাশে পাব।
ধন্যবাদ।


১। ডোমেইন নেম নির্বাচনঃ

ডোমইন নেম হল একটি ওয়েবসাইটের নাম বা পরিচয়। আর এটি নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। যতটুকু বলার দরকার, আমি ততটুকুই বলছি,  কোন ওয়েব সাইট বানানোর পূর্বে সাইটের ওয়েবমাষ্টারকে ডোমেইন নেমটি ভেবে চিন্তে নেয়া উচিত। কারন একটি কফি শপ এর ডোমেইন নেম যদি  ricemill.com জাতিয় কিছু হয় তবে সেটা ভাল দেখায় না। আবার সাইটের নামে কোন symbol বা সংখ্যা না রাখাটাই ভাল। কারন মানুষ এই symbol টাকে মনে রাখতে পারে না। ডোমেইন নেম সিলেক্ট করার পূর্বে একটা কথা ভালভাবে বুঝতে হবে, যে ওয়েব সাইটের কন্টেন্ট কি হবে, কেন বানানো হচ্ছে সাইটি, কি সার্ভিস দেয়া হবে সাইটটি দিয়ে। ডোমেইন নেম সহজ ও ছোট হওয়াটাই ভাল।
ডোমেইন নেম এর এক্সটেনশন .com, .net, .biz, .info, .org এই সব হলে বেশি ভাল হয়। কারন মানুয় এক্সটেনশন গুলোর সাথে বেশি পরিচিত। এগুলো হল টপ লেভেল ডোমেইন নেম। .tk, .co.cc, .co.uk, .ws, com.bd এই সব হল থার্ড লেভেল ডোমেইন নেম বা কান্টি লেভেল ডোমেইন নেম। যাকে cTLD বলে।
আর একটা জিনিস মনে চলা অনেকটা ভাল। সেটা হল ডোমেইনের এক্সটেনশন গুলো বিভিন্ন কথা মাথায় রেখে করা হয়েছে। যেমনঃ
.com – কমার্শিয়াল প্রতিষ্ঠান এর জন্য বা সব ধরনের ওয়েব সাইটের জন্য।
.net – নেটওর্য়াক বা ইন্টারনেট সংক্রান্ত ওয়েবসাইটের জন্য, যদিও এখন এটা সব ধরনের ওয়েব সাইটে ব্যবহৃত হয়।
.org – বিভিন্ন আর্গানাইজেশন এর জন্য।
.biz – ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এর জন্য।
.info – ইনফরমেশন সংক্রান্ত ওয়েবসাইটের জন্য।
.edu – শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এর জন্য।
.gov – সরকারী প্রতিষ্ঠান সমূহের জন্য।
এরকম প্রত্যেকটা এক্সটনশনের অর্থ আছে।
একটা কথা মনে রাখতে হবে, ভিজিটরের দরকার নেই আপনার ওয়েব সাইটের নাম মনে রাখার। আপনার দরকার ভিজিটরকে নামটি মুখস্থ করিয়ে দেয়া। সুতরাং ওয়েব সাইটি যতটা সম্ভব সুন্দর, পরিপাটি ও ডোমেইন নামটি যতটা সম্ভব ছোট ও সুন্দর রাখুন।
কিছু SEO friendly কিন্তু ভিজিটর আনফ্রেন্ডলি URL:
http://domain4you.com
http://domainforyou.com
http://domainforu.com
http://domain-for-you.com
http://domain4u.com
উপরের ডেমেইনগুলোর সবগুলোর অর্থ বা উচ্চারণ এক ই হয়। সুতরা কাউকে যখন এই এড্রেসটি বলা হবে তখন সে কনফিউজড থাকবে এর সঠিক বানান নিয়ে। আমাদের টিউটোরিয়াল যদিও সার্চ ইঞ্জিন নিয়ে, তবুও এই পোষ্টটি এভাবে করার কারন হল আপনার ওয়েবসাইট যতবেশি ভিজিটর হবে এবং লোকে মনে রাখতে পারকে, আপনার সাইটটি ততবেশি পুপলার হয়ে উঠবে।
আজ এতটুকুই। পরের পর্বে পাবেন “ভাল এবং ফাস্ট একটি ওয়েব সার্ভার” ও “সঠিক ভাবে ওয়েব সাইটের মেটা ট্যাগিং” নিয়ে টিউটোরিয়াল। সবাই ভাল থাকবেন।
ডোমেইন নিয়ে অনেক কথা বলেছি। হয়তো অনেকে বিরক্ত হয়েছেন, আবার অসেকে ভেবেছেন যে SEO এর সাথে আবার ডোমেইন এর কি সম্পর্ক? আমি তাদের জন্য বলেছি, দয়া করে আমার পোষ্টটি ভাল করে পড়ুন, আশা করি বুঝতে পারবেন। আপনার সাইটে একবার ভিজিটর আসল কিন্তু সে আপনার সাইটের নামটি মনেই রাখতে পারল না বা কাউকে আপনার সাইটের নামটি দিতে গিয়ে কনফিউজড হয়ে পড়ল.. তখন আপনার সাইটের সার্থকতা কোথায়? আমি মনে করি বন্ধুরা যখন একে অপরের সাথে কোন ওয়েব সাইটের তথ্য বা নাম শেয়ার করে, সেটাও এক ধরনের SEO. আসলে যারা SEO করে টাকা উপার্জন করতে চাইবেন, তাদের জন্য এটা কোন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়…. কিন্তু যারা ওয়েবমাষ্টার বা সাইট ঔনার (owner) তাদের জন্য এটা অনেক গুরুত্বপূর্ন বিষয়।
যাইহোক, আমি পরের পর্ব শুরু করছি। কারও প্রয়োজন হলে বা কোন কিছু বুঝতে অসুবিধা হলে কমেন্টস এর মাধ্যমে জানাবেন।


২। ভাল এবং ফাস্ট একটি ওয়েব সার্ভারঃ

একটি ওয়েব সাইটের জন্য ভাল এবং ফাস্ট ওয়েব সার্ভার এর খুবই প্রয়োজন। কেননা, আপনার সাইটি যদি স্লো হয় তহলে আপনার সইটের কন্টেট যতই ভাল হোক, ইউজার আপনার সাইটের উপর বিরক্ত হবে। আবার ভাল ওয়েব সার্ভার না হলে, সাইট ডাউন থাকলেও ইউজর পাবেননা। এমনকি যখন সার্চ ইঞ্জিন এর বট গুলো আপনার সাইটকে সার্ভে করতে আসবে এবং দেখবে যে আপনার সাইটটি ডাউন তখন সে আপনার সাইটকে তার লিস্টে অর্ন্তভূক্ত করতে পারবে না। সুতরাং আপনার সাইটের Ranking কমতে থাকবে।

৩। সঠিক ভাবে ওয়েব সাইটের টাইটেল ও মেটা ট্যাগিং :

টাইটেলঃ

আপনার সাইটটি যেই শিরোনাম দিয়ে সার্চ ইঞ্জিন এ প্রদর্শন করে চান ঠিক সেই শিরোনাম ই সাইটের টাইটেল এ লিখুন। যেমন http://yahoo.com যদি আপনার ডোমেইন হয় এবং আপনি যদি চান সার্চ ইঞ্জিন এ Yahoo লিখে সার্চ দিলে সার্চ ইঞ্জিন আপনার সাইটের টাইটেল “Yahoo!” প্রদর্শন করবে {চিত্রঃ ১}, তবে আপনি সাইটের <title></title> সেকশন এ “Yahoo!” লিখুন। ঠিক এই ভাবে <title>Yahoo!</title> {চিত্রঃ ২}

চিত্রঃ ১

12 SEO GURU – পর্ব ৩

চিত্রঃ ২


মেটা ট্যাগিং:
মেটা ট্যাগ ওয়েবসাইটের হেড সেকশনের মাঝে থাকে। এর মাঝে ওয়েবসাইট বা কোন নিদির্ষ্ট পেজ এর বর্ণনা দেয়া থাকে। দেয়া থাকে নির্দিষ্ট কিছু কীওর্য়াড যার দ্বারা সার্চ ইঞ্জিনএ সার্চ দিয়ে পাওয়া যায়। এছাড়াও ওয়েব সাইটের ঔনার এর নাম, কোন ক্যারেক্টার (CHARSET) দিয়ে করা হয়েছে তা, সার্চ ইঞ্জিন কি ফলো করবে, কি করবে না .. সেই সবও দেয়া থাকে।
নিচে দুইটি ছবির {চিত্রঃ ৩ ও ৪} মাধ্যমে http://www.seoconsultants.com এই ওয়েব সাইটির মেটা ট্যাগ ও তার ফলাফল প্রদর্শন করলাম।

চিত্রঃ ৩

3 SEO GURU – পর্ব ৩

চিত্রঃ ৪

4 SEO GURU – পর্ব ৩

সুতরাং আপনার ওয়েব সাইটকে কি দিয়ে সার্চ করলে পাওয়া যাবে সেই সব কীওয়ার্ড গুলো হেড এর কীওয়ার্ড সেকশন ও লিখতে হবে।
<meta name="keywords" content="keyword, meta tag, meta keyword, demo page" />
সেই সার্চের ফলে আপনার ওয়েব সাইটের টাইটেল এ কী বর্ননা প্রদর্শিত হবে তা টাইটেল ও ডিসক্রিপশন সেকশন এ লিখতে হবে।
<title>Welcome Alshe Dupur Website</title>
<meta name="description" content="This is my personal website. You can find my information from here." />
ওয়েবসাইটটি কোন ভাষায় তা সার্চইঞ্জিন কে জানিয়ে দেয়ার জন্য নিচের ট্যাগটি ব্যবহার করা হয়।
<meta http-equiv="content-language" content="en">
এখানে content=”en” মানে হল ওয়েব সাইটি ইংরেজীতে তৈরী। বাংলা হলে এটি হতো
<meta http-equiv="content-language" content="bn">
যারা সার্চ ইঞ্জিন এর জন্য robot.txt ফাইল ওয়েব সার্ভারে আপলোড করেনা, তারা ইচ্ছে করলে সার্চ ইঞ্জিন গুলোতে তার ওয়েব সাইটি লিস্টেড হওয়ার জন্য মেটা ট্যাগ ব্যবহার করতে পারে। নিচে তার উদাহরন দেয়া হল।

সাধারন সার্চ ইঞ্জিন এর জন্য মেটা ট্যাগঃ

<meta name="robots" content="noindex, nofollow">
গুগল সার্চ ইঞ্জিন এর জন্য মেটা ট্যাগঃ
<meta name="googlebot" content="noindex, nofollow, noarchive">
MSN/Bing সার্চ ইঞ্জিন এর জন্য মেটা ট্যাগঃ
<meta name="msnbot" content="noindex, nofollow">
এখন কিছু গুরুত্বপূর্ন তথ্য দেই। যখন কোন ওয়েবসাইটের SEO করা শুরু করবেন তখন এই তথ্যগুলো খুবই কাজে দেবে। এগুলো টাইটেল, কীওয়ার্ড ও ডিসক্রিপশন এর। বিশাল একটা টাইটেল বা অনেক বড় একটা ডিসক্রিপশন বা অনেকগুলো হিজিবিজি কীওয়ার্ড দিলেই হবে না। মেটা ট্যাগ এ শুধু মাত্র এরয়বসাইটের সাথে সমঞ্জস্যপূন্য ডিসক্রিপশন ও কীওয়ার্ড ও টাইটেল দিন। এগুলোর ম্যক্সিমাম একটা লেনন্থ আছে।নিচে বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিন এর ম্যক্সিমাম লেনন্থ দিলাম।
Google এর জন্য ম্যক্সিমাম লেনন্থঃ
টাইটেলে গুগল (Google) স্পেস সহ ম্যক্সিমাম ৬৯ টি ওয়ার্ড শো করতে পারে এবং ডিসক্রিপশনে স্পেস সহ সবোর্চ্চ  ১৫৬ টি ওয়ার্ড শো করতে পারে।
google title description length SEO GURU – পর্ব ৩ BING/MSN এর জন্য ম্যক্সিমাম লেনন্থঃ
বিং বা এমএসএন (Bing/MSN)স্পেস সহ ম্যক্সিমাম ৬৫ টি ওয়ার্ড শো করতে পারে এবং ডিসক্রিপশনে স্পেস সহ সবোর্চ্চ  ১৫০ টি ওয়ার্ড শো করতে পারে।
bing title description length SEO GURU – পর্ব ৩ Yahoo! এর জন্য ম্যক্সিমাম লেনন্থঃ
ইয়াহু (Yahoo) স্পেস সহ ম্যক্সিমাম ৭২ টি ওয়ার্ড শো করতে পারে এবং ডিসক্রিপশনে স্পেস সহ সবোর্চ্চ  ১৬১ টি ওয়ার্ড শো করতে পারে।
yahoo title description length SEO GURU – পর্ব ৩ Ask এর জন্য ম্যক্সিমাম লেনন্থঃ
Ask স্পেস সহ ম্যক্সিমাম ৬৯ টি ওয়ার্ড শো করতে পারে এবং ডিসক্রিপশনে স্পেস সহ সবোর্চ্চ ৩১২ টি ওয়ার্ড শো করতে পারে।
ask title description length SEO GURU – পর্ব ৩ সুতরাং যেহেতু ভিন্ন ভিন্ন সার্চ ইঞ্জিন এর জন্য ভিন্ন ভিন্ন সাইট বানানো সম্ভব নয় সেহেতু SEO করার আগে সব সার্চ ইঞ্জিন এর জন্য স্টান্ড্যার্ড এমন লেনন্থ সিলেক্ট করুন।


১) nofollow / noindex / noarchive
2) dofollow / index / follow
যারা SEO এর কাজ করেন বা তারা সকলেই উপরের শব্দগুলোর সাথে পরিচিত। কিন্তু অনেকেই ঠিকভাবে জানেননা যে এগুলো কি বা কেন ব্যবহার করা হয়। তো কথা না বাড়িয়ে শুরু করছি icon smile SEO GURU – পর্ব ৪
১) nofollow / noindex / noarchive: এগুলো হলো HTML এর লিংক কোড এ ব্যবহৃত একটি ভ্যালু যা rel attribute হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটির কাজ হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন কোন লিংকটি ফলো করবে না বা লিস্টে অর্ন্তর্ভূক্ত করবে না তা দেখিয়ে দেয়া। যেমন ধরুন আপনার ওয়েবসাইটে বা ব্লগের কোন পাতায় অনেকগুলো সাইটের লিংক দেয়া আছে। আপনি চাচ্ছেন সার্চ ইঞ্জিন শুধু মাত্র আপনার পেজটি তার লিস্টে অর্ন্তর্ভূক্ত করবে, তার ভিতর যে সব লিংক আসে সেই সব অর্ন্তর্ভূক্ত করবে না, তখন আপনি এই ট্যাগটি ব্যবহার করতে পারেন।
কিভাবে ব্যবহার করবেন?
আপনি যদি আলাদা আলাদা লিংক হিসেবে দিতে চান তাহলে নিচের মতো করে কোডটি ব্যবহার করুন।

<a href="http://google.com" rel="nofollow" alt="Google" target="_blank">Google.com</a>
<a href="http://yahoo.com" rel="nofollow" alt="Yahoo! Mail" target="_blank">Yahoo! Mail</a>
<a href="http://feedburner.com" rel="noindex, nofollow, noarchive" alt="Feed Burner" target="_blank">FeedBurner</a>

আর যদি আপনি সবগুলো লিংক nofollow / noindex / noarchive করতে চান তাহলে সেকশনে <head> </head> মেটা ট্যাগ ব্যবহার করতে পারেন।
সাধারন সার্চ ইঞ্জিন এর জন্য মেটা ট্যাগঃ
<meta name="robots" content="noindex, nofollow">
গুগল সার্চ ইঞ্জিন এর জন্য মেটা ট্যাগঃ
<meta name="googlebot" content="noindex, nofollow, noarchive">
MSN/Bing সার্চ ইঞ্জিন এর জন্য মেটা ট্যাগঃ
<meta name="msnbot" content="noindex, nofollow">

nofollow ব্যবহারের উপকারিতা

  • স্প্যামারদের হাত থেকে বাঁচা যায়
  • সার্চ ইঞ্জিন সহজেই সাইটি অর্ন্তর্ভূক্ত করতে পারে
  • সার্চ ইঞ্জিন প্রয়োজনীয় তথ্যগুলো সহজেই নিতে পারে

২) nofollow / noindex / noarchive: আসলে nofollow/noindex/noarchive বলে কিছুই নেই। যা nofollow/noindex/noarchive না…. তাই dofollow/index /follow icon smile SEO GURU – পর্ব ৪ .
একটা সহজ উদাহরণ দেই: রহিম ও করিম কে ১ ও ২ নং এর জায়গায় নিন। তাহলে এখন যাদ বলি যে রহিম না সেই করিম. ভুল হবে? হা হা হা… আসলে ব্যাপারটা তাই।
dofollow/index/follow এই সাইটগুলোতে সার্চ ইঞ্জিনগুলো ঠিকভঅবে তথ্য সংগ্রহ করতে পারেনা। যেমন Google Bot আপনার সাইতে আসল আপনার সাইটের তথ্যগুলো নিতে। তখন সে ৪ নং লাইনে যেয়ে দেখল যে আরেকটা সাইটের লিংক দেয়া আছে এবং যেটা তাকে ফলো করতে বলা হয়েছে। তাহলে Google bot আপনার পরের লাইনগুলো ফলো না করেই ঐসাইটিতে চলে যাবে। যার কারণে আপনার সাইটি সার্চ ইঞ্জিনে ঠিক ভাবে লিস্টেট হবেনা। আবার dofollow/index/follow এর ব্লগ গুলোতে স্প্যামাররা স্যাপম করতে আসে কমেন্ট করে ব্যাকলিংক বাড়াতে। সুতরাং আমার মনে হয় আপনারা nofollow & dofollow এর ব্যাপারটা ঠিক ভাবে বুঝতে পেরেছেন। আর কোন প্রশ্ন থাকলে সেটা কমেন্টস এ করুন। ধন্যবাদ।

SEO Friendly URL:
সার্চ ইঞ্জিন বা মানুষ সহজে যেই সব লিংক গুলো মনে রাখতে পারে সেই সব লিংকই SEO Friendly URL.
নিচে কিছু SEO Friendly URL ও SEO UnFriendly URL দেয়া হলোঃ
www.google.com
www.domain.com/test.html
www.seourl.com/seofriendly/url.html
www.yes-no-very-good.net/my-link.php
www.mail.com/seo-site/best-answare.asp
উপরের URL গুলো হল SEO friendly. এবার নিচে কিছু SEO UnFriendly URL দিচ্ছি।
www.google.com/#sclient=psy&hl=en&biw=1280&bih=880&source=hp&q
www.tinyportal.net/index.php?topic=30619.0
www.mydomain.com/forum/index.php?action=forum
আশা করি উপরের লিংক গুলো থেকে ধারণা পেয়েছেন যে কোনগুলো SEO Friendly URL কি।
তাহলে যেইসব সাইট SEO Unfriendly URL সেই সব সাইটের URL গুলো SEO Friendly করব কি করে?
যারা CMS (WordPress, Joomla, Durpal, PhpBB, Vbulletin etc) ব্যবহার করে ওয়েবসাইট তৈরী করেন তারা CMS এর ভেতর থেকেই SEO Friendly URL করতে পারেন।
যেমন ওয়ার্ডপ্রেস এ Permalink চেঞ্জ করে, জুমলা তে SEF Patch অথবা .htaccess ফাইল ব্যবহার করে SEO Friendly URL করে নিতে পারেন।
জুমলাতে SEO Friendly URL করার জন্য নিচের লিংক দুইটি দেখুনঃ
http://www.easysiteguide.com/articles/joomla/joomla-seo.html
http://www.scribd.com/doc/2300167/Joomla-v-15-Configure-and-troubleshoot-SEF-URLs
যারা phpBB তে SEO Friendly URL ব্যবহার করতে চান তারা নিচের লিংকটি দেখতে পারেনঃ
http://www.phpbb-seo.com/
এভাবে সব ধরনের CMS / Software এর জন্যই SEO Friendly URL করার কিছু ট্রিকস, কিছু প্লাগিন বা কিছু মড আছে। সবচেয়ে ভাল হয় আপনি যে CMS টি ব্যবহার করবেন সেটির Docs ফাইলটি পরে নিলে।
উপরে CMS/Software দ্বারা বানানো সাইটের জন্য SEO Friendly URL নিয়ে আলোচনা করলাম। এবার আসি একটি ওয়েবসাইটের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন একটি জিনিসের কছে যা কোন সাইটকে জনপ্রিয় করতে বা সাইট ইঞ্জিনে অর্ন্তভূর্ক্ত হয়ে পেজ র‌্যাঙ্ক বাড়াতে সাহায্য করে।
আমরা সাধারণত কোন ওয়েবসাইটের URL লিখতে গেলে প্রথমে WWW ব্যবহার করে আবার কখনো WWW ব্যবহার না করেই লিখি। যেমনঃ
www.alshedupur.com
alshedupur.com
আপনি মনে করতে পারেন দুটি একই জিনিস, যেহেতু যেকোন একটি লিখলে একই ফলাফল আসছে, কিন্তু সার্চ ইঞ্জিন এর কাছে ২টি ২ জিনিস। www.alshedupur.com হলো একটি সাব ডোমেইন এবং alshedupur.com হলো Main ডোমেইন। যেহেতু www দিয়েও মানুষ ওয়েব সাইট খুলতে অভ্যস্ত সেহেতু ধরে নিচ্ছি www.alshedupur.com ও Main ডোমেইন। কিন্তু কোন ওয়েব সাইটের ২টি মেইন ডোমেইন হতে পারেনা, তাই আমাদের যেকোন একটি ডোমেইনকে বেছে নিতে হবে যেটাতে ২টির যেকোন একটি URL লিখলে ঐটিতেই যাবে। একটু সহজ করে দিচ্ছি।
ধরুন আপনি http://alshedupur.com কে পার্মানেন্ট ডোমেইন হিসেবে সিলেক্ট করলেন। এখন আপনি www দিয়ে URL লিখুন বা www ছাড়া লিখুন আপনাকে ব্রাউজার http://alshedupur.com এই নিয়ে যাবে।
কেন একটি পার্মানেন্ট URL লাগবে এই প্রশ্ন কি জাগছে মনে?? আচ্ছা একটা কথা একটু ভেবে দেখুনতো আপনি যদি দুই নামে পরিচিত হন তাহলে কি আপনাকে বেশি লোক চিনবে নাকি এক নামে পরিচিত হলে বেশি লোক চিনবে? ধরুন রহিম এ করিম ২টাই আপনার নাম। যে নামেই ডাকা হোক আপনিই সাড়া দিবেন, কিন্তু আপনাকে রহিম নামে চিনে ৫০ জন লোক আর করিম নামে চিনে ৪০ জন লোক। তাহলে ঐ ৪০ জন কিন্তু অপনাকে রহিম নামে চিনবে না, ঠিক ৫০ জনের বেলায়ও তারা আপনাকে করিম নামে চিনবে না। কিন্তু আপনি যদি শুধু রহিম বা শুধু করিম নামে পরিচিত হতেন তবে আপনাকে ৯০ জন লোক একনামে চিনত।
ঠিক www দিয়ে বা www ছাড়া ২ নামেরই সামিল। দুইটি একসাথে একটিভ থাকলে সার্চ ইঞ্জিন বুঝতে পারেনা যে সে আপনার ডোমেইনটিকে কোন নামে অর্ন্তভূর্ক্ত করবে। সুতরাং আপনার ডোমেইনকে যে কোন একটি নামে পরিচিত করতে হবে।

ডোমেইনকে পার্মানেন্টলি একনামে পরিচিত করার পদ্ধতিকে বলা হয় 301 Redirect

এটা .htaccess ফাইলের মাধ্যমে করতে হয়। এজন্য আপনি যে সার্ভার ব্যবহার করছেন তাতে “mod_rewrite” enable থাকতে হবে। তারপর পার্মানেন্ট URL এর জন্য নিচের কোডটি কপি-পেষ্ট করুন আপনার .htaccess ফাইলএ।
যদি www ছাড়া ডোমেইনটি পার্মানেন্ট করতে চান তাহলে এই কোডটি কপি পেষ্ট করুন।
RewriteEngine On
RewriteCond %{HTTP_HOST} ^www.alshedupur.com
RewriteRule (.*) http://alshedupur.com/$1 [R=301,L]
যদি www সহ ডোমেইনটি পার্মানেন্ট করতে চান তাহলে এই কোডটি কপি পেষ্ট করুন।
RewriteEngine On
RewriteCond %{HTTP_HOST} ^ alshedupur.com
RewriteRule (.*) http://www. alshedupur.com/$1 [R=301,L]
(কোডের মাঝে alshedupur.com এর পরিবর্তে আপনার ডেমেইনটি লিখুন।)
উপরের কোডটি যারা এপাচি সার্ভার ব্যবহার করেন তাদের জন্য। যারা মাইক্রোসফটের IIS সার্ভার ব্যবহার করেন তারা এই লিংকটি থেকে সাহায্য নিন।



 


SEO সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন পর্ব-১ [ আলোচনা ]


আজকে থেকে শুরু করলাম SEO সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সিরিজ। এর ধারাবাহিক পর্বে আপনারা জানতে পারবেন SEO সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর ঘুটি নাটি বিষয় থেকে শুরু করে কিছু এক্সক্লুসিভ তথ্য। কথা দিলাম আমি যদি অন্য সবার থেকে আলাদা কিছু না দিতে পারি আমি এই সিরিজ বন্ধ করে দিবো। যাই হক আজকে এটির প্রথম পর্ব। তাই আজকে তেমন কিছু দেখাবো না জাস্ট আলাপ আলোচনা করি চলেন। শুরুতেও বলেই নেই আমি আমার বানান অনেক ভুল থাকতে পারে সেগুলার দিকে না তাকিয়ে দয়া করে মেইন জিনিসে মন দিন। আরেকটা কথা বলে নেই যারা পুড়ুনও আছেন তাদের ও অনেক কিছু জানা হবে আসা করছি তবে যেহুতু এটি একটি সিরিজ পোস্টিং তাই আমি একদম বেসিক থেকে মানে একদম নতুন রাও জেনো জানতে পারে তাই শূন্য থেকে শুরু করলাম। ভাই আমার অনেক ভুল হতে পারে কারন আমি টিউটোরিয়াল এই প্রথম লিখছি। কিছু ভুল করে থাকলে অবশ্যই জানাবেন আমাকে।
seo tips SEO সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন পর্ব ১ [ আলোচনা ]

SEO সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন কাদের জন্য?
এস ই ও আসলে মূলত ওয়েব ডেভলপারদের জন্য দরকার। অথবা আপনার যদি কনো সাইট থাকে তাহলে আপনার জন্য ও এটি দরকার। যদি আপনি মনে করেন আপনার ওয়েব সাইটের সাথে দুনিয়ার সবার একটা সম্পর্ক স্থাপন করবেন। অথবা যদি মনে করেন এড দিয়ে সাইট থেকে ইনকাম করবেন তাহলে আপনার জন্য ই দরকার SEO সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন। যদি ওয়েব সাইট নিয়ে প্রফেশনাল কিছু না করতে চান তাহলে আমি বলব, ভাই SEO এর চিন্তা আপনি বাদ দিয়ে ভালো কিছু করেন। কারন অনেকেই মনে করে SEO একবার করলেই ঝামেলা শেষ আসলে তা নয় এস ই ও রেগুলার চেকিং এর উপরে রাখতে হবে। সেতার কারন পরে বিস্তারিত পাবেন। সোজা কথা আপনার ওয়েব সাইট নিয়ে যদি আপনি অনেক দুরের স্বপ্ন দেখে থাকেন অথবা ইনকাম করতে চান তাহলে আপনার অবশ্যই SEO সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন জানতে হবে শিখতে হবে এবং সেটা করতে হবে।

SEO সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন কি এবং এর কাজ কি?
সোজা কথায় বলি আমি, এস ই ও হইলো অনলাইনে মার্কেটিং করা। মনে করেন আপনার একটা কোম্পানি আছে সেখানে কলম অথবা পেন্সিল বানানো হয়ে থাকে। শুধু বানানেই কি কাজ শেষ হবে? আপনার প্রডাক্ট এর বিক্রির জন্য নিশ্চয়ই মার্কেটিং মানে বিজ্ঞাপন দিতে হবে তাই না? ঠিক তেমন ই SEO করতে হবে তখন ই যখন আপনার একটি ওয়েব সাইট থাকবে এবং আপনি চান আপনার ওয়েব সাইট টি জেনো সবার কাছে প্রচার হক। কিন্তু ভাই ওয়েব সাইট ত আর কলম বা পেন্সিল নয়, তাই না? সুতুরাং মার্কেটিং টা একটি অন্য স্টাইলে করতে হবে। এখনো ক্লিয়ার না তাই না? ৫মিনিট টাইম দেন আমি ক্লিয়ার করতেছি।
মনে করেন আপনি একটি ওয়েব সাইট খুলেছেন। এখন ওয়েব সাইটের ভিসিটর পাবেন কই? চিন্তা করেন ভাবেন। ১মিনিট টাইম নিয়ে চিন্তা করেন। চিন্তা করেছেন? বের করতে পারছেন? না পারলেও প্রবলেম নাই আমি বলি। আপনি google ওপেন করে টাইপ করেন tunerpage.com করছেন? কি দেখা যায়? দেখা যাবে টিউনারপেজ ওয়েব সাইট টা গুগলে দেখা যাচ্ছে। একি ভাবে অন্য সে সকল সার্চ ইঞ্জিন আছে সেখানেও যদি আপনি টিউনারপেজ লিখেন তাহলে টিউনারপেজের সাইট চলে আসবে। মুলুত এই কাজটা করাই সি ই ও।
নতুন কনো সাইটে ভিসিটর আনার একমাত্র উপায় হল এস ই ও। মানে যখনি কেউ কিছু লিখে সার্চ দিবে গুগলে অথবা যে কনো সার্চ ইঞ্জিনে আপনার সাইটের লিংক জেনো সেখানে দেখা যায়। শুধু দেখা গেলেই হবে না। প্রথম ১০ এর মাঝে থাকতে হবে। কি ভয় লাগতেছে? হাজার হাজার সাইট থাকতে আপনার সাইটের লিংক কিভাবে আসবে? এটাই ত ভাই SEO এর খেলা। আমি কি বেশি প্যাঁচাল পারতেছি? বোরিং লাগতেছে?

SEO সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন করলে কি হবে?
  • আপনার ওয়েব সাইটের ভিসিটর বাড়বে।
  • আপনার ওয়েব সাইটের চাহিদা বাড়বে।
  • আপনার ওয়েব সাইটের অনলাইনের ভেলু বাড়বে। [page rank]
  • আপনার ওয়েব সাইট দিয়ে Microworkers এর কাজ করে ইনকাম করতে পারবেন।
  • আপনার ওয়েব সাইট দিয়ে google adsense থেকে আয় করতে পারবেন।
seoab SEO সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন পর্ব ১ [ আলোচনা ] SEO সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর কিছু ধাপ।
  • আপনার ওয়েব সাইটের সাথে মিল রেখে উপুযুক্ত কি ওয়ার্ড সিলেক্ট করা।
  • সকল প্রকার সার্চ ইঞ্জিনে আপনার সাইট সাবমিট করা।
  • সকল প্রকার মেটা ট্যাগ ব্যাবহার করা।
  • সার্চ ইঞ্জিন ফ্রেন্ডলি url এর ব্যাবহার।
  • সঠিক হেডিং এর ব্যবাহার।
  • আপনার সাইটের লোড কমিয়ে আনতে হবে।
  • ওয়েব ডিরেক্টরি গুলতে নিজের সাইট সাবমিট করা।
  • মাস মেইলিং প্রসেস।
  • ব্যাক লিংক তৈরি করা।
  • সুস্থ ও উন্নত কন্টেন্ট।
  • alt এট্রিবিউট এর ব্যবহার।
  • robot.txt এর ব্যাবহার।
  • nofollow লিংক নিয়ে ভাবনা।
[উপরের এ সব কিছু একটি একটি করে বিস্তারিত ব্যাখ্যা করে বুঝিয়ে দেয়া হবে এবং এছাড়াও আরো অনেক কিছু পাবেন]

দেখে নিতে পারেন আপনার ওয়েব সাইটের বর্তমান স্কর
প্রথমে এই সাইটে যাবেন। নিচের ছবিতে যেখানে টিউনারপেজ লিখা আছে আপনার সাইটের নাম লিখে আনালাইজ বাটনে ক্লিক করেন।

Friday, March 28, 2014

অনলাইনে আয়ের কিছু সঠিক দিক নির্দেশনা :: অনলাইনে আয় (আউটসোর্সিং) পর্ব ৩


কেমন আছেন সবাই অনলাইনে আয় নিয়ে ধারাবাহিক ভাবে লিখছি .আজ পর্ব ৩ লিখবো কিছু দিকনির্দেশনা মূলক লেখা যাতে কোন প্রতারনা শিকার না হতে হয় । আগামী পর্ব থেকে আবার গুগল এডসেন্স ও অনন্য সাইট নিয়ে লিখবো ।
সমাজের অনেক লোক আছে যারা বিশ্বাস করতে চায় না যে ইন্টারনেট থেকেও ইনকাম সোর্স আছে .আবার অনেকে আছে এ লাইনে পা দিয়ে প্রতারনা শিকার হয়ে ঘরে ফিরে যায় । অনলাইনে আয় মূলত নির্ভর করে প্রচুর ধৈর্য্যর উপর । আমি মনে করি যাদের ধৈর্য্য নেই তারা যেন ইন্টারনেটে আয়ের পথে পা না বাড়ায় । কারন তারা রাতারাতি লাখ লাখ টাকা উর্পাজন করতে এসে অবশেষে প্রতারনা নিয়ে ঘরে ফিরতে হয় ।আর এ কলংক পুরো ফ্রিল্যান্সার জগতে এসে লাগে ।
Online Earn

কিভাবে আয় করবেন ?

আয় করতে হলে অবশ্যই কাজ জানতে হবে বা শিখতে হবে ।

কি কাজ করবেন ?

আমি মূলত ওয়েবে এড পাবলিশ করে উপার্জন করি । ওয়েবে এড পাবলিশ করে অথবা ফ্রিল্যান্সিং এ কাজ করতে পারেন । দুইটা ধরনের কাজ ফ্রীল্যান্সিং কাজ করতে চাইলে ওয়েব ডিজাইন .গ্রাফিক্স . ও seo বিষয়ে কাজ জানলেই চলবে বাকী কাজগুলো ধীরে ধীরে শিখতে পারবেন । আর এজন্য http://www.freelancer.com বা http://www.odesk.com নিশ্চিতে বিড করে কাজ নিতে পারেন .আর যাই হোক এরা কখনো আপনার উপার্জনের টাকা মেরে খাবেনা ।
এডপাবলিশ করার ক্ষেত্রে মূলত নিজের একটি ওয়েব সাইট থাকতে হবে .আর ওয়েবসাইট টি সুন্দর সুন্দর কন্টেন দিয়ে সাজাতে হবে যাতে ভিজিটরকে আকৃষ্ট করানো যায় নিয়মিত আপনার সাইট ভিজিট করতে .আর এ ক্ষেত্রে Google adsense সবার চাইতে এগিয়ে তারপর যার স্থান সে হলো bidvertiser আরো আছে Adbrite .chitika এরা কখনো আপনার আয়ের টাকা মেরে খাবেনা এ নিশ্চয়তা আছে ।
আর ওয়েবে কিভাবে এডপাবলিশ করবেন তা নিয়ে ইতিমধ্য ধারাবাহিক টিউন লিখছি । আরো কয়েকটি উপায়ে অনলাইনে আয় করতে পারেন যেমন sedo ডোমেইন পার্ক করে উপার্জন করতে পারেন আর এজন্য আপনার নিজস্ব ডোমেইন থাকতে হবে । আর যারা একে বারে নতুন তাদের জন্য আছে microworkers
আমি এতক্ষন যাদের কথা বললাম তারা কোনদিন আপনার উর্পাজনের টাকা মেরে খাওয়া সম্ভবনা নেই ।

তারা কেন আপনাকে টাকা দিবে ?

তার উত্তর আপনি একটু ভেবে দেখলে পেয়ে যাবেন ।
যেমন ফ্রীল্যান্সার সাইটগুলো কথা বলতে চাই .যেমন একটা ওয়েবসাইট যদি ইউরোপ বা আমেরিকার ডেভলপার দিয়ে করাতে চায় সেখানে খরচ পড়ে ৩ থেকে ৫ হাজার ডলার .আর একই কাজ যদি এশিয়া থেকে মানে বাংলাদেশ.ভারত .পাকিস্তান বা ইন্দোনেশিয়া থেকে করানো যায় তবে সর্ব্বোচ ৮০০ ডলার দিলেই তাদের কাজ সম্পন্ন.আর আমরা খুশিতে আত্মহারা হয়ে যাই । এতো গেলো ফ্রীল্যান্সাদের গল্প ।

এবার আপনি প্রশ্ন করতে এডপাবলিশ করা থেকে কেনো টাকা দিবে ?

দাদার দাদার আমলে গেছে কলের গান .দাদার আমলে রেডিও .বাবার আমলে গেছে টেলিভিশন আর আমাদের আমলে পৃথিবীটা ছোট হয়ে ইন্টারনেটে সীমাবদ্ধ হয়েছে তাই দাদার আমলে রেডিওতে যদি বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকে তাহলে আপনার আমলে বিজ্ঞাপন দাতারা ওয়েবসাইটে বিঞ্জপন দিবেনা তা কি করে হয় বলুন ?ওয়েবে বিজ্ঞাপনে একদিকে যেমন তাদের পন্য বিশ্বজুড়ে প্রচার পাচ্ছে তেমনি পেপাল বা ক্রেডিট কার্ডে থাকছে সাথে সাথেই পন্য বিক্রয় করার সুযোগ ।
আর এজন্য সহজ এ মাধ্যম টিকে বেছে নিয়েছে বিজ্ঞাপন দাতারা । তবে বাংলাদেশে পেপাল সুবিধা নেই তাই তারা কোন পন্য বিক্রয় করার সম্ভবনা নেই তাই বাংলাদেশীরা এড ক্লীক করলে খুব একটা দাম পাওয়া যায়না শুধুমাত্র প্রচার মূল্য দেয় ।

কিভাবে বাঁচবেন অনলাইনে আয়ের নামে প্রতারনার হাত থেকে ?

আমি এতক্ষণ যাদের নিয়ে আলোচনা তাদের সফলতা দেখে একশ্রেনীর অসাধুরা ঠিক তাদের মত করে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সাইট বানায় .আর রাতারাতি কোটিপতি বানিয়ে দেবার লোভ দেখিয়ে অবৈধ ভাবে কাজ করিয়ে নেয় । তাই যেকোন কাজ করার আগে অনেক সচেতন ব্লগার আছে তাদের পরামর্শ নিয়ে কাজ শুরু করবেন যেমনঃএই সাইটের এডমিন সহ
শাকিল আরেফিন ভাই .রনি পারভেজ. আরিফুল ইসলাম শাওন .সালেহ আহমেদ .মেহেদী আকরাম .মাহবুব টিউটো .জাকির ভাই সহ আরো কিছু ব্লগার আছে তাদের খুজে বের করে ফেসবুকে বন্ধুবানিয়ে নিন । আমার বিশ্বাস তারা কখনো আপনাকে স্ক্যাম বা পিটিসি সাইটে কাজ করার অনুমোদন দেবেন না।
বর্তমানে কিছু MLM সিষ্টেমে সাইট এসেছে সাথে নিয়ে এসেছে একঝাঁক দালাল যারা আপনাকে ইবলিশের মত স্ক্যাম সাইটে কাজ করার জন্য তোষামোদ করবে ।
কিছু দিন আগের একটা কথা বলি একটা mlm সাইটে ফেক আইডি বানানোর খুব তোড়জোড় চলছিল আমার কাজ বিভিন্ন ভাবে বলতে লাগলো ফোনে যখন আমাকে বলছিলো আমি উত্তর দিয়েছিলাম আপনি আমাকে ভূয়া কাজের অফার দিচ্ছেন আপনার পেমেন্ট সিষ্টেম সঠিক তার নিশ্চয়তা কি তিনি জবাব দেননি ।
একজন আমার পেজে লিংক দিল তার সাইটে একই অবস্থা যখন তাকে কয়েকটা প্রশ্ন করলাম ক্ষমা চেয়ে পোষ্টটি ডিলেট করেছিল ।
কেউ কেউ বিনিয়োগের অফার দিয়ে হাতিরঝিল বা মতিঝিলে অফিস দেখায় আমি যখন প্রশ্ন করি তোমাদের অফিস আগামী ৬মাস পরে এখানে থাকবে তার কোন গ্যারান্টি পারবে ? কোন জবাব থাকেনা ।
আমার পরামর্শ বিনিয়োগ করলে সরকার অনুমোদিত শেয়ারবাজারে করুন বিক্ষোভের পর টিভি বা পত্রিকায় ছবি আসলেও আসতে পারে । কিন্তু এরকম ভিত্তিহীন অফিসে বিনিয়োগ না করাই নিরাপদ আর আপনি যে স্ক্যাম সাইটে বিনিয়োগ করছেন তা ডাউন হতেই বা কতক্ষণ লাগবে ?
অনেকে অনলাইন আয়ের উপর কর্মশালা করে . এখানেও ভিন্নমত রয়েছে। ইদানিং নাকি কিছু ব্যক্তি শুধু টাকা খাওয়ার জন্য কর্মশালা করে শুনেছি.তারা নিজেরাই অনলাইনে আয়ে পারদর্শী নয়। তবে সবাই একরকম নয় । সর্বোপরি অনলাইনে আয় করতে হলে ভেবে চিন্তে পা বাড়ান ।
সর্বশেষ অনলাইনে আয় করে নিজের জীবনকে সুন্দর করে গড়ে তুলুন । অনলাইনে কাজ করতে আমাদের সবচেয়ে বেশী দরকার পেপাল .কিন্তু সব সরকার নিজেদের প্রয়োজনে অনেক আইনের পরিবর্তন আনলেও হাজার তরুনের কর্মসংস্থানের জন্য মানি লন্ডারিং আইনে কোন পরিবর্তন আনছেনা ।

কিভাবে গুগল এডসেন্স হোল্ড রিমুভ করতে হয় :: অনলাইনে আয় (আউটসোর্সিং) পর্ব ২


আজ আমার অনলাইনে আয় (আউটসোর্সিং) নিয়ে গুগল এডসেন্স পর্ব ২ লিখছি
আগের লেখায় বলেছিলাম কিভাবে সহজে গুগল এডসেন্স পাওয়া যায়।  যদি আপনি ইতিমধ্য গুগল এডসেন্স এপ্রোভ হয়ে থাকেন বা আবেদন করে থাকেন তবে পরবর্তী ধাপ গুলো জেনে নিন ।
আপনার এডসেন্স একাউন্ট নিয়মিত চেক করুন . যখন আপনার গুগল এ্যাডসেনস ১০ ডলার জমা হবে তখনি গুগল আপনার ঠিকানা ভেরিফাই করতে একটি কার্ড পাঠাবে যাতে একটি পিন নাম্বার দেয়া থাকবে ।এখন অটোমেটিক ভাবে আপনার গুগল এডসেন্স ড্যাশবোর্ডে একাউন্ট হোল্ড করার বার্তা প্রর্দশন করবে ,আর যদি আপনি এডসেন্স চেক পেতে চান অবশ্যই হোল্ড রিমুভ করতে হবে ।

আসুন দেখি কিভাবে গুগল এডসেন্স হোল্ড রিমুভ করতে হয় ?

আগেই বলেছি যখন আপনার একাউন্টে হোল্ড বার্তা দেয়া হয়েছে তখনি আপনাকে পিন নাম্বার পাঠানো হয়েছে .যা আপনি ২০ থেকে ২৮ দিনের মধ্য হাতে পাবার কথা । এবার গুগল এডসেন্সে লগইন করে হোল্ড লেখা বা মাই একাউন্ট ক্লীক করুন ও আপনার কাছে আসা পিন নাম্বাটি প্রবেশ করুন .মনে রাখবেন তিনবার ভুন পিন প্রবেশ করলে একাউন্ট ব্যানড করে দিবে ।
আমার কাছে পাঠানো প্রথম পিনটি আমি পাইনি .এজন্য আবার পিন নাম্বারের জন্য আবেদন করেছি (পর পর ৩বার পিন নাম্বারের জন্য আবেদন করতে পারবেন)যদি তিন বার আবেদন করে পিন না পান তবে আমার গুরু শাকিল আরেফিন ভাইয়ের মতে ম্যানুয়ালি করতে হবে তাহলো এডসেন্স সাপোর্ট সেন্টারে মেইল করে বলুন স্থানীয় পোষ্ট সমস্যায় আমি পিনটি পাইনি .দেখবেন ওরা আপনাকে ম্যানুয়ালি করতে মেইল পাঠিয়েছে ব্যস আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র স্ক্যান করে ঐ মেইলে এটাচ করে রিপ্লাই করুন এবার পিনের কাজ শেষ। হোল্ড রিমুভ করতে আরো ২টা অপশন সম্পন্ন করতে হবে ।

এবার আপনি কিভাবে আপনার চেক আনতে চান

  • A.ষ্ট্যান্ডাড ডেলিভারী, B.সিকিউরিটি ডেলিভারি – তা মার্ক করে কনফার্ম করুন। সিকিউরিটি ডেলিভারি হলো আপনি ৭ দিনের মধ্যে DHL কুরিয়ারে চেক হাতে পাবেন এজন্য ২৮ ডলার চার্জ দিতে হবে ।
  • ষ্ট্যান্ডাড ডেলিভারী – ২০ থেকে ৩০ দিনের মধ্য চেক হাতে পাবেন ডাকযোগে এজন্য কোন চার্জ নেই ।
  • সবশেষ ধাপ – আপনার ট্যাক্স ইনফরমেশন চাইবে। ইউএস, নন ইউএস
  • আপনি নন ইউএস, সিলেক্ট করুন পরিবর্তীতে ভালভাবে বুঝে সব অপশনে শুধু NO মার্ক করুন ।
  • এজন্য বুঝে দিবেন ,মাঝে মাঝে বিভিন্ন পরিবর্তন আসতে পারে ।
  • কনর্ফাম করলে আপনাকে একটি এইমর্মে পেজ দিবে সাক্ষর করতে যে আমি কোন ভাবেই আমেরিকার সাথে ব্যবসায়িক বা অন্যকোন ভাবে জড়িত নই ।
  • এবার আপনার একাউন্ট যে নাম আছে তা লিখুন। যেমন আমার একাউন্ট নাম Md Rubel Ahmed. আমি এভাবে লিখে জমা দিয়েছি । এবার দেখুন আপনার হোল্ড লেখা আর নেই ।
আজ এপর্যন্ত আশা করি অনলাইনে আয় নিয়ে ধারাবাহিক টিউনস প্রকাশে আপনাদের অনুপ্রেরনা পাবো । গুগল এডসেন্স শেষ হলে বিডভারটাইসার নিয়ে সফল কিভাবে সফল হয়েছি তা নিয়ে আলোচনা করবো

যেভাবে সহজে পেতে পারেন গুগল এডসেন্স :: অনলাইনে আয় (আউটসোর্সিং) পর্ব ১


আজ থেকে আপনাদের মাঝে গুগল এডসেন্স থেকে অনলাইনে আয় (আউটসোর্সিং) এর অভিজ্ঞতা  নিয়ে ধারাবাহিক টিউনস শুরু করতে যাচ্ছি .ভালমন্দ বিচারের দায়িত্ব আপনার তবে অবশ্যই মন্তব্য করতে ভুলবেন না । অনেকেই মনে করেন অনলাইনে আয়ের টিউন ভুয়া!
গুগল এডসেন্স পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় ও গ্রহনযোগ্য উপার্জনের সাইট .এখানে একটা এ্যাকাউন্ট পাওয়া সোনার হরিন পাওয়ার সমতুল্য মনে করি সবাই .আসলে গুগল এডসেন্স পাওয়ার জন্য দীর্ঘ ২ বত্‍সর এর পিছনে লেগে ছিলাম. টাকা দিয়ে কিনতে চেয়েছি তবু পারিনি. পরে অবশ্য নিজের চেষ্টায় দেখা পেয়েছি সোনার হরিনের ।
যারা এডসেন্স একাউন্ট সহজে পেতে চান তারা http://www.google.com/adsense আবেদন করার সময়

কয়েকটি বিষয় খেয়াল করুন তবেই হয়ে যাবে

  • ১. আপনি যদি ঢাকার বাইরে থাকেন.তবে অবশ্যই ঢাকার মধ্য থাকে এমন বন্ধুবান্ধব বা আত্মীয় স্বজনের ঠিকানা ব্যবহার করুন . সম্ভব হলে ১০০০ বা ১২৩০ এই পোষ্টকোডের ঠিকানা ব্যবহার করুন। ভুলেও মফস্বলের ঠিকানা ব্যবহার করবেন না। একাউন্ট এপ্রোভ হওয়ার সাথে সাথে আপনার ঠিকানা পাল্টাতে পারেন পোষ্টকোড সহ।
  • ২. বাংলা কন্টেন থাকলে পুরোটাই ইংরেজী করুন ।
  • ৩.সাবডোমেইন ব্যবহার করবেন না ,একটু কষ্ট হলেও আপনার পরিচিত কাউকে ধরে একটা ডোমেইন কিনে ব্লগার বা ওয়ার্ডপ্রেসে সাইট বানাতে পারেন । ভুলেও co.cc ডোমেইন ব্যবহার করবেন না। কারন ইতিমধ্য গুগল এডসেন্স co.cc সাইটে ব্যান করতে শুরু করেছে ,তাদের সার্চ ইন্জিন থেকেও ব্যান করেছে । (অনেকেই সাবডোমেইন দিয়ে পেয়েছে, তবে বর্তমানে না সম্ভবনা বেশী)
  • ৪.সুন্দর করে সাইটের পেজ গুলো বানান যেমনঃ About us . contact us .privacy policy ও Copyright বিষয়ে ।
  • ৫.যদি উপরের নিয়ম আবেদন করে থাকেন .তবে গুগল এডসেন্স থেকে ডোমেইন ভেরীফাই করতে বলা হতে পারে এজন্য আপনার পাবলিশার নাম্বারসহ আরো কয়েকটি ওয়ার্ড যোগ করে দিবে যা দিয়ে পরবর্তীতে একটা পেজ বানাতে হবে এই শিরোনামে “This post my domain ownership” তারপর এই পেজের লিংক দিয়ে আবার সাবমিট করুন ।
এগুলো ঠিক থাকলে নিশ্চিতে আবেদন করুন, তবেই আমার মতো দুই বত্‍সর ঘুরতে হবেনা ।তার প্রমান এগুলো মেনে আমার বন্ধুর জন্য আবেদন করেছিলাম মাত্র ৩ দিন লেগেছিল এপ্রোভ হতে ।কিন্তু বন্ধুটি ডলারের লোভ সামলাতে না পেরে প্রক্সি ব্যবহার করে নিজে ও বন্ধুদের দিয়ে ক্লীক করিয়ে ৭দিনে ৬০ ডলার কামিয়েছিল পরে অবশ্য ৮দিন পরে নিজের মাথায় হাতে দিয়েছিল কারন গুগল মামা ইতিমধ্য তাকে ব্যানড করে দিয়েছে ।
কিন্তু মজার ব্যাপার হলো অন্য সাইটদিয়ে তার জন্য পরবর্তীতে আবার যখন আবেদন করেছিলাম মাত্র ২ঘন্টায় এপ্রোভ হয়েছিল । যে বিষয় গুলো খেয়াল রাখতে হবে-

যদি আপনার গুগল এডসেন্স এপ্রোভ হয়ে থাকে তবে ভুলেও এই কাজ গুলো করবেন না

  • ১.কখনো আপনার পিসি থেকে আপনার এড ক্লীক করবেন না ।
  • ২.কখনো এক আইপি বা পিসি দিয়ে একাধিক এডসেন্সে লগ ইন করবেন না ।
  • ৩.বন্ধুদের দিয়ে একটা বেশী ক্লীক করাবেন না ।
  • ৪.সাইটে এডাল্ট কনটেন যুক্ত করবেন না ।
  • ৫.বেশী ভিজিটর পাওয়ার লোভে বিভিন্ন কমিউনিটি বা সামাজিক সাইটে লিংক শেয়ার করবেন না (তাতে ক্ষতি হতে পারে উপকার নয়)

অনেকে বলেন তাহলে ভিজিটর পাবো কিভাবে বা আয় কিভাবে হবে ?

  • উঃ ভিজিটর পেতে প্রচুর পোষ্ট করতে হবে . শুধু অন্ধের মত পোষ্ট করলেই চলবেনা .এজন্য গুগল এডসেন্সকে খেয়াল করতে হবে যে কি ধরনের পোষ্ট বেশী সার্চ হচ্ছে ঐ বিষয় গুলো নিয়ে পোষ্ট লিখুন ।
  • একজন বাংলাদেশী ভিজিটরের চেয়ে একজন আমেরিকান ভিজিটরের ক্লীকের মূল্য অনেক বেশী তাই যাতে ওদের বেশী আকৃষ্ট করা যায় এদিক খেয়াল রাখতে হবে ।
  • আপনার সাইটটি পরিস্কার রাখার চেষ্টা করুন যাতে ভিজিটর সহজেই এডের প্রতি আকৃষ্ট হয় .অনেক সাইট দেখেছি যারা বেশী উইজেট ব্যবহার করে সাইট অপরিছন্ন করে রাখে।

যতক্ষণ ফেসবুক ব্যাবহার করব,ততক্ষণ একটু আয় করলে কেমন হয়?


 সবাই কেমন আছেন?কেউ এর আগে এইপোষ্টটি পোষ্ট করে থাকলে দয়া করে আমাকে ক্ষমা করে দিবেন।চলুন সরাসরি কাজের কোথায় আসি।আর নয় ptc সাইট এ ক্লিক করে আয়,তত সময় নাই।এখন আয় হবে,সামাজিক যোগাযোগ সাইট এর মাধ্যমে।এজন্য আপনার facebook, twitte, youtube, instagram, stumbleupon ও linkdin অ্যাকাউন্ট লাগবে।সব গুলো না হলে ও ছলবে। তবে সব গুলো অ্যাকাউন্ট থাকলে আপনি বেশী বেশী আয় করতে পারবেন খুবেই তারাতারি।কাজ গুলো খুবেই সহজ।চলুন কাজ সম্পর্কে জেনে নেই।
কি কি কাজ আছে?
কাজ গুলো হল অতি সাধারণ।ফেসবুক এর কাজ Face-book page Like, dislike, photo post lik, photo post comment,করে।Twitter এর কাজ twitter Follow, tweets, retweets করে । YouTube এর কাজ youtube like, dislike, view, play, comment, favorite, subscribe করে। instagram এর কাজ instagram follow অথবা share করে। stumbleupon এর কাজ stumbleupon follow অথবা share করে। website traffic এর কাজ direct traffic, website traffic visit করে,এবং linkdin share করে কাজ করে আয় করা যায়।
সাইট সম্পর্কে ধারনাঃ
এই সাইট এ টাকার অঙ্ককে Point হিসেবে প্রকাশ করা হয়। আপনি যত Point কালেক্ট করবেন আপনার Level তত বারবে।আপনি ১০০০০ Point কালেক্ট করলে $1 যোগ হবে।Reference করেও Point বাড়ানো যায়। এরা আপনাকে earn free points এর প্রতিটি সেকশন ভিজিট এর জন্য ১-১১৫ পয়েন্ট দিবে। Earn Coins এর প্রতিটি সেকশন থেকেই আপনি আয় করতে পারবেন যদি আপনার সব কয়টিতে Account থাকে।
টাকা প্রদান কিভাবে করে?
সাইট টি টাকা প্রদান করে থাকে Payza, paypal, okpay তে। 1 dollar হলেই আপনি payza এবং okpay এর মাধ্যমে cashout দিতে পারবেন। এছারা paypal, এর মাধ্যমে $.70 হলে cash করতে পারবেন। এরা cashout এর জন্য ৮ দিন সময় নেয় কিন্তু দেখা যায় ১ দিনের মধ্যেই পেমেন্ট দিয়ে দেয়।তবে হ্যাঁ আপনি অ্যাকাউন্ট খোলার ৩ দিন পরে cashout দিতে পারেন।



কিভাবে কাজ করবেন?

১ম এ এই লিংক এ ক্লিক করে Register করে নেন
যার যার মতন করে বিবরণ দেন।এবং আপনার ইমেইল এ একটি লিংক যাবে ঐ লিংক এ ক্লিক করে লগইন করুন।এবার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট লগইন করুন,এবং অনন্যা অ্যাকাউন্ট গুলোও লগইন করুন করুণ যদি থাকে। লগইন হলে Earn Free Points/Money ফেসবুক সিলেক্ট করলে কতগুলো Fb page এর লিংক আসবে, page গুলো লাইক করে Confirm করুন।এবং Fb page সব লাইক শেষ হলে Page টি Refresh করুন আবার কিছু fb page এর লিংক দেবে আবার আগের মত লাইক করে Confirm করুন।প্রতিটি page লাইকের জন্য আপনি নির্দিষ্টপরিমান পয়েন্ট পাবেন।এভাবে সব কয়টি fb page লাইক শেষ হলে Earn free points/money থেকে twitter বা অন্য কোনো Section select করুন। সেখান থেকে যে কাজ দেবে তা সমাপ্ত করুন তাহলে ওই কাজের জন্য নির্দিষ্ট Coin আপনার Account এ জমা হবে। ছাইলে আপনি এক সাথে সব কয়টি কাজ করতে পারেন।সবচেয়ে ভালো হয় সব কয়টি সাইটে আপনার Account থাকলে। তাহলে প্রতিটি সেকশন থেকেই আপনি ১ঘণ্টায় আয় করতে পারবেন $0.70-$1.5 ।

সহজে আয় করুন । প্রতিদিন 2 ঘন্টা সময় ব্যায় করে আয় করুন , মাসে 4500 টাকা ।


এটি একটি এ্যাড পোস্টিং সাইট , এখানে প্রতিটি এ্যাড পোস্ট করলে আপনি পাবেন বাংলাদেশি 1.5 টাকা। আমি নিচে ধাপে ধাপে আপনাদের কাজের পদ্ধতি আলোচনা করেছি। টাকা উঠাতে পারবেন পায়যা থেকে যেখানে একাউন্ট খোলা খুবই সোজা।

পায়যা/PAYZA (পূর্ব নাম- অ্যালার্টপে/ALARTPAY ) অ্যাকাউন্ট খুলবেন যেভাবে

এবার এই সাইটে প্রবেশ করুন

নিচের ছবির মতো একটি পেজ আসবে।
এবার উপরে থাকা Register বাটনে ক্লিক করুন। রেজিস্টারে , আপনার দেয়া ইউজার নেম এবং পাসওয়ার্ড কোথাও সংরক্ষন করে রাখুন । যাতে পরবর্তীতে আপনি ভূলে না যান। রেজিস্টার হয়ে গেলে আপনা্র  Email-এ একটা ভেরিফিকেশন লিংক যাবে । সেখান থেকে ভেরিফাই করে একাউন্টে লগ ইন করুন । লগ ইন করার পর নিচের পেজটির মতো একটি পেজ দেখতে পাবেন।
1) নিজের ইউজার নামটি , যেটা রেজিস্টারে দিয়েছেন। 2)পাসওয়ার্ড যেটা রেস্টিারে দিয়েছিলেন। 3) লগ ইন করুন।   নিচের মত পেজ পাবেন ।
উপরের চিত্রের 1,২,৩ নাম্বার চিন্হিত অংশ নিয়েই আমোদের মূল কাজ করতে হবে। 1) প্রথমেই আছে Dashboard  এখানে  আপনার একাউন্টের যাবতীয় তখ্য আছে। একটি এ্যাড পোস্ট করলে আপনি পাবেন ইন্ডিয়া টাকা (Rs) .50 যা বাংলাদেশী টাকায় 1.50 টাকা। প্রতিদিন আপনি 100 টি সব্বোর্চ এ্যাড পোস্ট করতে পারবেন।প্রতিটি এ্যডের জন্য টাকা জমা হবে। আপনি  চাইলে যখন ইচ্ছা তখন আপনার পায়জা একাউন্টে টাকা তুলতে পারবেন । তবে  একটু বেশি টাকা হলে তুলবেন,  তখন আপনার লাভ বেশি হবে। কারন পায়জা প্রতিবার নিদ্বিয়্ট এমাউন্টর টাকার লেনদেনের জন্য চার্জ কাটে। 2) এখানে এড দেওয়া থাকে । এখানে view add এ ক্লিক করে , আপনি যে এ্যাড পোস্ট করবেন তার সবকিছু দেখতে পাবেন । এই এ্র্যাড পোস্টিং কিছুটা বাংলাদেশের বিক্র্য় ডট কমের মত। 3) classified add     এই সাইট গুলোতে এ্যাড পোস্ট করতে হবে।   এবার কিভবে এ্যাডপোস্ট করে টাকা রোজগার করবেন।   তাহলে ‍যেকোন একটি classified add  থেকে লিংক ওপেন করুন । তারপর সেখানে প্রথম বারের মতো হলে রেজিস্টেশন করে নিন  । প্রথম লিংকটিতে যান । রেজিস্টেশন করার পর নিচের চিত্রের মতো একটি যায়গা দেখবেন ।
এবার চিন্হিত গোল দাগে কিল্ক করুন তারপর নিচের ছবির মতো একটি পেজ ওপেন হবে।
চিত্রে আপনি এই লিংকটিতে যে ইমেইল নাম্বারে একটু আগে রেজিস্টেষন করেছেন সেটি এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে প্রবেশ করুন। নিচের চিত্রের মতো একটি পেজ আসবে।
1)উপরের চিত্রে আপনি 1,2,3 এবং 4 নাম্বার যাযগা গুলো পূরন করুন । ক্যাটাগরি কিংবা টাইটেল কি হবে সেটা আপনার এ্যাড পোস্টিং সাইটের Dashboard নিচে ‍add campaing-> view add দেখলে পেয়ে যাবেন ।
view add থেকে ছবিটি আগেই কপি করে ডেস্কটপে রেখে দিন। এভাবে ফিল্ড গুলো পূরন হলে। আপনি এ্যাডটি পাবলিশ করতে পারবেন । এরপর যে লিংকটি পাবেন সেটি Dashboard এর নিচে থাকা Submit Url এ গিয়ে পেস্ট করুন । তবে লিংকের, http:// কেটে দিবেন।
 








কাজটি আরো ভালো ভারে বুঝতে চাইলে , উল্লেখিত সাইটের মেনু বারে  Demo work থেকে ভিডিও টি দেখে নিন। সেখানে সম্পূর্ন একটি এ্যাড পোস্টিং দেখানো হয়েছে।