Showing posts with label অনলাইন আয়. Show all posts
Showing posts with label অনলাইন আয়. Show all posts

Thursday, April 10, 2014

আউটসোর্সিং কাজ পাওয়ার টিপস......

 ইন্টারনেটের মাধ্যমে আউটসোর্সিংয়ের কাজ অনেকেই করছেন, আবার অনেকে নতুন করে শুরু করতে যাচ্ছেন। অনলাইনে সহজে আউটসোর্সিংয়ের কাজ পেতে কিছু কৌশল অবলম্বন করলেই চলে। নিচে সে রকম কিছু কৌশল দেওয়া হলো।
 
 অনেকেই যাঁরা চার-পাঁচটা কাজের (জব) জন্য আবেদন করেই জব (কাজ) পেয়ে যান। আবার কেউ কেউ ১০০টা আবেদন করেও জব পান না। এটা নির্ভর করে আপনি কত কম মূল্যে (রেটে) আবেদন করেছেন তার ওপর।
 যেসব বায়ারের পেমেন্ট মেথড ভেরিফায়েড না সেসব বায়ারের জবে আবেদন করবেন না। কারণ, কোনো কনট্রাক্টরকে (ফ্রিল্যান্সার) ভাড়া বা হায়ার করতে হলে তার পেমেন্ট মেথড ভেরিফায়েড থাকতে হয়।
 কোনো একটা জব পোস্ট করার পর যত তাড়াতাড়ি সেটিতে আবেদন করবেন ততই ভালো।
 আপনি যত বেশি সময় অনলাইনে (ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে) থাকবেন ততই আপনার কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। কারণ কিছু কিছু কাজ আছে, যেগুলো পোস্ট করার এক-দুই ঘণ্টার মধ্যেই সম্পন্ন করে জমা দিতে হয়। যেমন ফেসবুকে বা অন্য কোনো সাইটে ভোট দেওয়া এবং কিছু ভোট সংগ্রহ করে দেওয়া; আবার হঠাৎ করে কোনো ওয়েবসাইটে সমস্যা হয়েছে তা ঠিক করে দেওয়া ইত্যাদি। কাজেই শুরুতে বেশি সময় অনলাইনে থাকার চেষ্টা করুন। যাতে বায়ার আপনাকে কোনো বার্তা পাঠালে সঙ্গে সঙ্গে তার প্রত্যুত্তর দিতে পারেন।
 মার্কেটপ্লেসগুলোতে দেখবেন প্রতি মিনিটে নতুন নতুন জব পোস্ট করা হচ্ছে, সেগুলোতে আবেদন করুন। যেসব জবে কোনো কনট্রাক্টরের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে, সেসবে আবেদন না করাই ভালো। কারণ বায়ার যদি এদের মধ্য পছন্দের কনট্রাক্টর পেয়ে যায় তাহলে আর অন্য কনট্রাক্টরের প্রোফাইল চেক করে দেখবে না।
 যেসব জবে শর্ত দেওয়া আছে এবং সেগুলো যদি আপনি পূরণ করতে না পারেন তাহলে আবেদন না করাই ভালো।
 যাঁরা ওডেস্কে দুই-তিনটা কাজ করেছেন, এখন বেশি মূল্য হারে আবেদন করতে চান, তাঁরা যে জবটিতে আবেদন করবেন সে জবের নিচে দেখুন বায়ারের আগের জবগুলোর তালিকা দেওয়া আছে। সেখানে যদি দেখেন বায়ার তাঁর আগের জবগুলোতে বেশি ডলার দিয়ে অন্য কনট্রাক্টরকে কাজ করিয়েছেন, তাহলে আবেদন করতে পারেন। আর যেসব বায়ার আগের জবগুলোতে বেশি ডলারে কাজ করায়নি, তাদের জবে বেশি রেটে আবেদন না করাই ভালো।
-----রাজীব বর্মণ -----

Wednesday, April 2, 2014

সম্পূর্ণ নতুন একটি পিটিসি সাইট হতে আয় করুন! অন্য পিটিসি সাইটের সাথে মিলিয়ে নিন! ১০০% ট্রাস্টেড!!


অনেকেই বলবেন পিটিসি নিয়ে পোস্ট কি দরকার ছিল? হ্যা কথাটা ঠিকই। কিন্তু অনেকের কথা চিন্তা করে এই পোস্টটি করতে হচ্ছে। আসলে অনেকের মত আমিও পিটিসি পচ্চন্দ করিনা। কারন ১ম দিকে পিটিসিতে কাজ করতাম, অতপর ফিল্যান্সিং। তাছাড়া অনেকেই আছেন যারা পিটিসিতে কাজ করে নেটের বিল উসুল করেন। এর মধ্যে অনেকেই বলবেন ভাল পিটিসি কোনটি হ্যা ভাই এই নিয়ে পূর্বে পোস্ট করেছি। দুনিয়ার সবচেয়ে ভাল পিটিসি হল neobux.com এবং clixsense.com । এর পরে অনেক পিটিসি সাইট এসেছে কিন্তু বেশ কিছুদিন পরেই স্ক্যম হয়ে গেছে। তার পর আরেকটি বিষয় হল এখন যে সব পিটিসি সেখানে প্রায় ৫০-৬০ অ্যাডে ক্লিক করতে প্রায় ৩০ মিনিট ব্যয় হয়ে যায় যেমন- probux.com, Oojoo.com, nerdbux.com ইত্যাদি।
আজ আপনাদেরকে এমন একটি পিটিসি সাইটের সাথে পরিচয় করিয়ে দিব এবং আমি সিউর আপনাদের কাজ করতে ১০০% ভাল লাগবে। এই পিটিসি সাইটের নাম হচ্ছে..
Fusebux.com

এক নজরে এর সুবিধাবলী দেখে নিই:

ScreenShot007

১। এটি কোন স্ক্যাম সাইট নই ১০০% ট্রাস্টেড সাইট।
২। গত বছরের ডিমেস্বরে চালু হয়েছে। এখনো পেমেন্ট শুরু করেনি তাবে আগামী মাসে দেওয়া শুরু হবে। সাইটটির রিভিউ ও স্ক্যাম কিনা পরীক্ষা করতে এখানে ক্লিক করুন।
৩। অনেক সাইট ইন্টারফেস জটিল কিন্তু এটি অনেক সাধারন।
৪। এরা প্রতিদিন ১৫ টি অ্যাড দেয় প্রতিটি ০.৫ সেকেন্ড। টোটাল কাজ করতে ৪ মিনিটের বেশী সময় নেবেনা। সার্ভার অনেক ফাস্টেড। যেখানে অন্য পিটিসিতে কাজ করতে প্রায় ২০ মিনিটের বেশী সময় ব্যয় হয়।
৫। পেমেন্ট ৪ ডলার হলেই পেপাল, পেইজা, ইগোতে পাবেন।
৬। আনলিমিটেড ও রেন্টাল রেফারেলে আয় করতে পারবেন। এই জন্য যখন একাউন্ট খুলবেন তখন রেফারেল অনুসারে করতে হবে। তাহলে আয় বৃদ্ধি হবে বেশী। অন্যথায় পয়েন্ট কম পাবেন। যেমন: ২ দিন পূর্বে রেফারেল অনুসারে একাউন্ট করে আয় হয়েছে ০.১৪৫৬।
৭। আপনার যদি পেইজা একাউন্টে ডলার থাকে তাহলে সর্বনিম্ন ৫ ডলার ইনডোর্স করে রেন্টেড আয় বৃদ্ধি করতে পারবেন।
৮। যেহেতু সাইট নতুন, পিটিসি ইনভিটেগেশন অনুযায়ী রেটিং ভাল। সুতরাং এই মুহুর্তে এখানে একাউন্ট করা ভাল। কারন, ১ম দিকে যারা নিয়মে কাজ করবে তারা অবশ্যই টাকা পাবে। কেননা, কোম্পানীর প্রচার ও আস্থা বৃদ্ধি করতে হবে। তবে তারা যদি স্ক্যাম হবে তাহলে মনে করি ১/১.৫ বছরের পূর্বে হবেনা। ততদিনে হয়ত ২০-৩৫ ডলার আয় হবে।
৯। একাউন্ট করলে নিয়মিত কাজ করবেন। কারন এখানে তো সময় নষ্ট হবেনা। মাত্র ৪ মিনিট, নিজেই গ্যারান্টি, কাজ করছি নিজে। অন্য কোন লেখকের/ব্লগার মত একটুও বানিয়ে মিথ্যা বলছিনা। নিজেই দেখুন! যদি কাজ না হয় তাহলে কমেন্টে আমাকে গালি-গালাজ করেন!!

কিভাবে একাউন্ট করবেন ও কাজ করবেন?

1.  Fusebux   সাইটে কাজ করতে এখানে Fusebux.com   ক্লিক করুন।
ScreenShot005


২। সেখানে create an account এ- ইমেইল ঠিকানা, ইউজার নেম, পাসওয়ার্ড, ভেরীফিকেশন কোড পূরন করে রেজি: বাটনে ক্লিক করুন।
৩। এবার পাসওয়ার্ড ও ইউজার নেম দ্বারা লগইন করুন।
৪। এবার নিজেই কাজ করতে পারবেন। অ্যাডে ক্লিক করা অন্যদের মতই। তবে এখানে ক্যাপচা কিংবা ছবি পূরনের দরকার নাই। অ্যাডে ক্লিক করলেই ০.৫ সেকেন্ড অপেক্ষাতে পয়েন্ট কাউন্ট হয়ে যায়। মাত্র ৪ মিনিটেই কাজ শেষ।
৫। ব্যস এই ভাবে নিয়মিত কাজ করতে থাকুন ও বন্ধুদের রেফার করুন।

FACEBOOK , TWITTER , YOUTUBE থেকে আয় !


এই সাইট থেকে  মূলত আমরা Facebook / Twitter /Youtube দারা Point আয় করব । এই  Point Convert করে আমরা এটা   থেকে আমরা  টাকা বা $  আয় করতে  পারি ।
যাই হোক  আগে  Pament নিয়ে  কথা বলি । আমাদের  টাকা উঠাবার সহজ উপায় হল Payza , Paypal , okpay .

এখানে আমরা  Payza 5000 Point = $1

Paypal 5000 Point = $1
okpay 5000 Point = $1

তবে  একটির  বেশি  Account খুলেবন না কখনও ।

যদি  কারও ACCOUNT না থাকে তবে http://likesplanet.com/

লিংক থেকে করতে পারেন ।

আমার পেমে্নট  Proof আপনাদের মাঝে শেয়ার করলাম  http://prntscr.com/320s06

তবে একটি কথা বেশি আয় না হলেও নেট খরচের টাকাটা অন্তত উঠে আসবে। এটাইবা কম কিসের?

ছোট ছোট কাজ করে টাকা উপার্জন


আশা করি সবাই ভালো আছেন। ইন্টারনেট এ ছোট ছোট কাজ করে কিছু টাকা উপার্জনের কিছু সাইট নিয়ে হাজির হলাম আপনাদের সামনে। হয়তবা অনেকেই এই সাইট গুলোর নাম আগে থেকেই জানেন। যারা জানেন না তাদের জন্য আমার আজকের এই টিউন ।

microworkers.com:এই সাইটটি অনেক জনপ্রিয়। কাজ করার সাত দিনের মাঝে আপনার টাকা হয়ে যাবে। একাধিক একাউন্ট করা যাবে না। নয় ডলারের বেশি হলে পেপাল, পায়জা ও মানিবুকের্স দিয়ে টাকা তুলতে পারবেন.
shorttask.com : এই সাইটটি কার্যক্রম অনেক ভালো। একাধিক একাউন্ট করা যাবে না। দশ ডলারের বেশি হলে পেপাল দিয়ে টাকা তুলতে পারবেন।
minuteworkers.com: এই সাইটটি ভালো সাইট হিসাবে যথেষ্ট সুনাম অর্জন করেছে। রেফারেল দিলে পাচ সেন্ট পাবেন ও আপনার রেফারার যদি একটি কাজ সফলভাবে শেষ করেন তবে দশ সেন্ট পাবেন। দুই ডলারের বেশি হলে ১০% ফী দিয়ে টাকা তুলতে পারবেন। তবে দশ ডলারের বেশি হলে কোনো ফী দিতে হবে না। পেপাল ও পায়জা দিয়ে টাকা তুলতে পারবেন।
microtoilers.com: এই সাইটটিতে একাউন্ট করার সাথে সাথে এক ডলার পাবেন। এই সাইট এ রেফারেল এর বেবস্থা আছে। প্রথমবার টাকা তুলতে পচিশ ডলার বেশি হতে হবে। এরপর নয় ডলারের বেশি হলে পেপাল ও পায়জা দিয়ে টাকা তুলতে পারবেন। (তবে এই সাইটটিতে আমি কখনো কাজ করিনি)
jobboy.com: এই সাইটটিতে একাউন্ট করার সাথে সাথে এক ডলার পাবেন। এই সাইট এ রেফারেল এর বেবস্থা আছে। দশ ডলারের বেশি হলে পেপাল ও পায়জা দিয়ে টাকা তুলতে পারবেন।

Friday, March 28, 2014

অনলাইনে আয়ের কিছু সঠিক দিক নির্দেশনা :: অনলাইনে আয় (আউটসোর্সিং) পর্ব ৩


কেমন আছেন সবাই অনলাইনে আয় নিয়ে ধারাবাহিক ভাবে লিখছি .আজ পর্ব ৩ লিখবো কিছু দিকনির্দেশনা মূলক লেখা যাতে কোন প্রতারনা শিকার না হতে হয় । আগামী পর্ব থেকে আবার গুগল এডসেন্স ও অনন্য সাইট নিয়ে লিখবো ।
সমাজের অনেক লোক আছে যারা বিশ্বাস করতে চায় না যে ইন্টারনেট থেকেও ইনকাম সোর্স আছে .আবার অনেকে আছে এ লাইনে পা দিয়ে প্রতারনা শিকার হয়ে ঘরে ফিরে যায় । অনলাইনে আয় মূলত নির্ভর করে প্রচুর ধৈর্য্যর উপর । আমি মনে করি যাদের ধৈর্য্য নেই তারা যেন ইন্টারনেটে আয়ের পথে পা না বাড়ায় । কারন তারা রাতারাতি লাখ লাখ টাকা উর্পাজন করতে এসে অবশেষে প্রতারনা নিয়ে ঘরে ফিরতে হয় ।আর এ কলংক পুরো ফ্রিল্যান্সার জগতে এসে লাগে ।
Online Earn

কিভাবে আয় করবেন ?

আয় করতে হলে অবশ্যই কাজ জানতে হবে বা শিখতে হবে ।

কি কাজ করবেন ?

আমি মূলত ওয়েবে এড পাবলিশ করে উপার্জন করি । ওয়েবে এড পাবলিশ করে অথবা ফ্রিল্যান্সিং এ কাজ করতে পারেন । দুইটা ধরনের কাজ ফ্রীল্যান্সিং কাজ করতে চাইলে ওয়েব ডিজাইন .গ্রাফিক্স . ও seo বিষয়ে কাজ জানলেই চলবে বাকী কাজগুলো ধীরে ধীরে শিখতে পারবেন । আর এজন্য http://www.freelancer.com বা http://www.odesk.com নিশ্চিতে বিড করে কাজ নিতে পারেন .আর যাই হোক এরা কখনো আপনার উপার্জনের টাকা মেরে খাবেনা ।
এডপাবলিশ করার ক্ষেত্রে মূলত নিজের একটি ওয়েব সাইট থাকতে হবে .আর ওয়েবসাইট টি সুন্দর সুন্দর কন্টেন দিয়ে সাজাতে হবে যাতে ভিজিটরকে আকৃষ্ট করানো যায় নিয়মিত আপনার সাইট ভিজিট করতে .আর এ ক্ষেত্রে Google adsense সবার চাইতে এগিয়ে তারপর যার স্থান সে হলো bidvertiser আরো আছে Adbrite .chitika এরা কখনো আপনার আয়ের টাকা মেরে খাবেনা এ নিশ্চয়তা আছে ।
আর ওয়েবে কিভাবে এডপাবলিশ করবেন তা নিয়ে ইতিমধ্য ধারাবাহিক টিউন লিখছি । আরো কয়েকটি উপায়ে অনলাইনে আয় করতে পারেন যেমন sedo ডোমেইন পার্ক করে উপার্জন করতে পারেন আর এজন্য আপনার নিজস্ব ডোমেইন থাকতে হবে । আর যারা একে বারে নতুন তাদের জন্য আছে microworkers
আমি এতক্ষন যাদের কথা বললাম তারা কোনদিন আপনার উর্পাজনের টাকা মেরে খাওয়া সম্ভবনা নেই ।

তারা কেন আপনাকে টাকা দিবে ?

তার উত্তর আপনি একটু ভেবে দেখলে পেয়ে যাবেন ।
যেমন ফ্রীল্যান্সার সাইটগুলো কথা বলতে চাই .যেমন একটা ওয়েবসাইট যদি ইউরোপ বা আমেরিকার ডেভলপার দিয়ে করাতে চায় সেখানে খরচ পড়ে ৩ থেকে ৫ হাজার ডলার .আর একই কাজ যদি এশিয়া থেকে মানে বাংলাদেশ.ভারত .পাকিস্তান বা ইন্দোনেশিয়া থেকে করানো যায় তবে সর্ব্বোচ ৮০০ ডলার দিলেই তাদের কাজ সম্পন্ন.আর আমরা খুশিতে আত্মহারা হয়ে যাই । এতো গেলো ফ্রীল্যান্সাদের গল্প ।

এবার আপনি প্রশ্ন করতে এডপাবলিশ করা থেকে কেনো টাকা দিবে ?

দাদার দাদার আমলে গেছে কলের গান .দাদার আমলে রেডিও .বাবার আমলে গেছে টেলিভিশন আর আমাদের আমলে পৃথিবীটা ছোট হয়ে ইন্টারনেটে সীমাবদ্ধ হয়েছে তাই দাদার আমলে রেডিওতে যদি বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকে তাহলে আপনার আমলে বিজ্ঞাপন দাতারা ওয়েবসাইটে বিঞ্জপন দিবেনা তা কি করে হয় বলুন ?ওয়েবে বিজ্ঞাপনে একদিকে যেমন তাদের পন্য বিশ্বজুড়ে প্রচার পাচ্ছে তেমনি পেপাল বা ক্রেডিট কার্ডে থাকছে সাথে সাথেই পন্য বিক্রয় করার সুযোগ ।
আর এজন্য সহজ এ মাধ্যম টিকে বেছে নিয়েছে বিজ্ঞাপন দাতারা । তবে বাংলাদেশে পেপাল সুবিধা নেই তাই তারা কোন পন্য বিক্রয় করার সম্ভবনা নেই তাই বাংলাদেশীরা এড ক্লীক করলে খুব একটা দাম পাওয়া যায়না শুধুমাত্র প্রচার মূল্য দেয় ।

কিভাবে বাঁচবেন অনলাইনে আয়ের নামে প্রতারনার হাত থেকে ?

আমি এতক্ষণ যাদের নিয়ে আলোচনা তাদের সফলতা দেখে একশ্রেনীর অসাধুরা ঠিক তাদের মত করে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সাইট বানায় .আর রাতারাতি কোটিপতি বানিয়ে দেবার লোভ দেখিয়ে অবৈধ ভাবে কাজ করিয়ে নেয় । তাই যেকোন কাজ করার আগে অনেক সচেতন ব্লগার আছে তাদের পরামর্শ নিয়ে কাজ শুরু করবেন যেমনঃএই সাইটের এডমিন সহ
শাকিল আরেফিন ভাই .রনি পারভেজ. আরিফুল ইসলাম শাওন .সালেহ আহমেদ .মেহেদী আকরাম .মাহবুব টিউটো .জাকির ভাই সহ আরো কিছু ব্লগার আছে তাদের খুজে বের করে ফেসবুকে বন্ধুবানিয়ে নিন । আমার বিশ্বাস তারা কখনো আপনাকে স্ক্যাম বা পিটিসি সাইটে কাজ করার অনুমোদন দেবেন না।
বর্তমানে কিছু MLM সিষ্টেমে সাইট এসেছে সাথে নিয়ে এসেছে একঝাঁক দালাল যারা আপনাকে ইবলিশের মত স্ক্যাম সাইটে কাজ করার জন্য তোষামোদ করবে ।
কিছু দিন আগের একটা কথা বলি একটা mlm সাইটে ফেক আইডি বানানোর খুব তোড়জোড় চলছিল আমার কাজ বিভিন্ন ভাবে বলতে লাগলো ফোনে যখন আমাকে বলছিলো আমি উত্তর দিয়েছিলাম আপনি আমাকে ভূয়া কাজের অফার দিচ্ছেন আপনার পেমেন্ট সিষ্টেম সঠিক তার নিশ্চয়তা কি তিনি জবাব দেননি ।
একজন আমার পেজে লিংক দিল তার সাইটে একই অবস্থা যখন তাকে কয়েকটা প্রশ্ন করলাম ক্ষমা চেয়ে পোষ্টটি ডিলেট করেছিল ।
কেউ কেউ বিনিয়োগের অফার দিয়ে হাতিরঝিল বা মতিঝিলে অফিস দেখায় আমি যখন প্রশ্ন করি তোমাদের অফিস আগামী ৬মাস পরে এখানে থাকবে তার কোন গ্যারান্টি পারবে ? কোন জবাব থাকেনা ।
আমার পরামর্শ বিনিয়োগ করলে সরকার অনুমোদিত শেয়ারবাজারে করুন বিক্ষোভের পর টিভি বা পত্রিকায় ছবি আসলেও আসতে পারে । কিন্তু এরকম ভিত্তিহীন অফিসে বিনিয়োগ না করাই নিরাপদ আর আপনি যে স্ক্যাম সাইটে বিনিয়োগ করছেন তা ডাউন হতেই বা কতক্ষণ লাগবে ?
অনেকে অনলাইন আয়ের উপর কর্মশালা করে . এখানেও ভিন্নমত রয়েছে। ইদানিং নাকি কিছু ব্যক্তি শুধু টাকা খাওয়ার জন্য কর্মশালা করে শুনেছি.তারা নিজেরাই অনলাইনে আয়ে পারদর্শী নয়। তবে সবাই একরকম নয় । সর্বোপরি অনলাইনে আয় করতে হলে ভেবে চিন্তে পা বাড়ান ।
সর্বশেষ অনলাইনে আয় করে নিজের জীবনকে সুন্দর করে গড়ে তুলুন । অনলাইনে কাজ করতে আমাদের সবচেয়ে বেশী দরকার পেপাল .কিন্তু সব সরকার নিজেদের প্রয়োজনে অনেক আইনের পরিবর্তন আনলেও হাজার তরুনের কর্মসংস্থানের জন্য মানি লন্ডারিং আইনে কোন পরিবর্তন আনছেনা ।

কিভাবে গুগল এডসেন্স হোল্ড রিমুভ করতে হয় :: অনলাইনে আয় (আউটসোর্সিং) পর্ব ২


আজ আমার অনলাইনে আয় (আউটসোর্সিং) নিয়ে গুগল এডসেন্স পর্ব ২ লিখছি
আগের লেখায় বলেছিলাম কিভাবে সহজে গুগল এডসেন্স পাওয়া যায়।  যদি আপনি ইতিমধ্য গুগল এডসেন্স এপ্রোভ হয়ে থাকেন বা আবেদন করে থাকেন তবে পরবর্তী ধাপ গুলো জেনে নিন ।
আপনার এডসেন্স একাউন্ট নিয়মিত চেক করুন . যখন আপনার গুগল এ্যাডসেনস ১০ ডলার জমা হবে তখনি গুগল আপনার ঠিকানা ভেরিফাই করতে একটি কার্ড পাঠাবে যাতে একটি পিন নাম্বার দেয়া থাকবে ।এখন অটোমেটিক ভাবে আপনার গুগল এডসেন্স ড্যাশবোর্ডে একাউন্ট হোল্ড করার বার্তা প্রর্দশন করবে ,আর যদি আপনি এডসেন্স চেক পেতে চান অবশ্যই হোল্ড রিমুভ করতে হবে ।

আসুন দেখি কিভাবে গুগল এডসেন্স হোল্ড রিমুভ করতে হয় ?

আগেই বলেছি যখন আপনার একাউন্টে হোল্ড বার্তা দেয়া হয়েছে তখনি আপনাকে পিন নাম্বার পাঠানো হয়েছে .যা আপনি ২০ থেকে ২৮ দিনের মধ্য হাতে পাবার কথা । এবার গুগল এডসেন্সে লগইন করে হোল্ড লেখা বা মাই একাউন্ট ক্লীক করুন ও আপনার কাছে আসা পিন নাম্বাটি প্রবেশ করুন .মনে রাখবেন তিনবার ভুন পিন প্রবেশ করলে একাউন্ট ব্যানড করে দিবে ।
আমার কাছে পাঠানো প্রথম পিনটি আমি পাইনি .এজন্য আবার পিন নাম্বারের জন্য আবেদন করেছি (পর পর ৩বার পিন নাম্বারের জন্য আবেদন করতে পারবেন)যদি তিন বার আবেদন করে পিন না পান তবে আমার গুরু শাকিল আরেফিন ভাইয়ের মতে ম্যানুয়ালি করতে হবে তাহলো এডসেন্স সাপোর্ট সেন্টারে মেইল করে বলুন স্থানীয় পোষ্ট সমস্যায় আমি পিনটি পাইনি .দেখবেন ওরা আপনাকে ম্যানুয়ালি করতে মেইল পাঠিয়েছে ব্যস আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র স্ক্যান করে ঐ মেইলে এটাচ করে রিপ্লাই করুন এবার পিনের কাজ শেষ। হোল্ড রিমুভ করতে আরো ২টা অপশন সম্পন্ন করতে হবে ।

এবার আপনি কিভাবে আপনার চেক আনতে চান

  • A.ষ্ট্যান্ডাড ডেলিভারী, B.সিকিউরিটি ডেলিভারি – তা মার্ক করে কনফার্ম করুন। সিকিউরিটি ডেলিভারি হলো আপনি ৭ দিনের মধ্যে DHL কুরিয়ারে চেক হাতে পাবেন এজন্য ২৮ ডলার চার্জ দিতে হবে ।
  • ষ্ট্যান্ডাড ডেলিভারী – ২০ থেকে ৩০ দিনের মধ্য চেক হাতে পাবেন ডাকযোগে এজন্য কোন চার্জ নেই ।
  • সবশেষ ধাপ – আপনার ট্যাক্স ইনফরমেশন চাইবে। ইউএস, নন ইউএস
  • আপনি নন ইউএস, সিলেক্ট করুন পরিবর্তীতে ভালভাবে বুঝে সব অপশনে শুধু NO মার্ক করুন ।
  • এজন্য বুঝে দিবেন ,মাঝে মাঝে বিভিন্ন পরিবর্তন আসতে পারে ।
  • কনর্ফাম করলে আপনাকে একটি এইমর্মে পেজ দিবে সাক্ষর করতে যে আমি কোন ভাবেই আমেরিকার সাথে ব্যবসায়িক বা অন্যকোন ভাবে জড়িত নই ।
  • এবার আপনার একাউন্ট যে নাম আছে তা লিখুন। যেমন আমার একাউন্ট নাম Md Rubel Ahmed. আমি এভাবে লিখে জমা দিয়েছি । এবার দেখুন আপনার হোল্ড লেখা আর নেই ।
আজ এপর্যন্ত আশা করি অনলাইনে আয় নিয়ে ধারাবাহিক টিউনস প্রকাশে আপনাদের অনুপ্রেরনা পাবো । গুগল এডসেন্স শেষ হলে বিডভারটাইসার নিয়ে সফল কিভাবে সফল হয়েছি তা নিয়ে আলোচনা করবো

যেভাবে সহজে পেতে পারেন গুগল এডসেন্স :: অনলাইনে আয় (আউটসোর্সিং) পর্ব ১


আজ থেকে আপনাদের মাঝে গুগল এডসেন্স থেকে অনলাইনে আয় (আউটসোর্সিং) এর অভিজ্ঞতা  নিয়ে ধারাবাহিক টিউনস শুরু করতে যাচ্ছি .ভালমন্দ বিচারের দায়িত্ব আপনার তবে অবশ্যই মন্তব্য করতে ভুলবেন না । অনেকেই মনে করেন অনলাইনে আয়ের টিউন ভুয়া!
গুগল এডসেন্স পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় ও গ্রহনযোগ্য উপার্জনের সাইট .এখানে একটা এ্যাকাউন্ট পাওয়া সোনার হরিন পাওয়ার সমতুল্য মনে করি সবাই .আসলে গুগল এডসেন্স পাওয়ার জন্য দীর্ঘ ২ বত্‍সর এর পিছনে লেগে ছিলাম. টাকা দিয়ে কিনতে চেয়েছি তবু পারিনি. পরে অবশ্য নিজের চেষ্টায় দেখা পেয়েছি সোনার হরিনের ।
যারা এডসেন্স একাউন্ট সহজে পেতে চান তারা http://www.google.com/adsense আবেদন করার সময়

কয়েকটি বিষয় খেয়াল করুন তবেই হয়ে যাবে

  • ১. আপনি যদি ঢাকার বাইরে থাকেন.তবে অবশ্যই ঢাকার মধ্য থাকে এমন বন্ধুবান্ধব বা আত্মীয় স্বজনের ঠিকানা ব্যবহার করুন . সম্ভব হলে ১০০০ বা ১২৩০ এই পোষ্টকোডের ঠিকানা ব্যবহার করুন। ভুলেও মফস্বলের ঠিকানা ব্যবহার করবেন না। একাউন্ট এপ্রোভ হওয়ার সাথে সাথে আপনার ঠিকানা পাল্টাতে পারেন পোষ্টকোড সহ।
  • ২. বাংলা কন্টেন থাকলে পুরোটাই ইংরেজী করুন ।
  • ৩.সাবডোমেইন ব্যবহার করবেন না ,একটু কষ্ট হলেও আপনার পরিচিত কাউকে ধরে একটা ডোমেইন কিনে ব্লগার বা ওয়ার্ডপ্রেসে সাইট বানাতে পারেন । ভুলেও co.cc ডোমেইন ব্যবহার করবেন না। কারন ইতিমধ্য গুগল এডসেন্স co.cc সাইটে ব্যান করতে শুরু করেছে ,তাদের সার্চ ইন্জিন থেকেও ব্যান করেছে । (অনেকেই সাবডোমেইন দিয়ে পেয়েছে, তবে বর্তমানে না সম্ভবনা বেশী)
  • ৪.সুন্দর করে সাইটের পেজ গুলো বানান যেমনঃ About us . contact us .privacy policy ও Copyright বিষয়ে ।
  • ৫.যদি উপরের নিয়ম আবেদন করে থাকেন .তবে গুগল এডসেন্স থেকে ডোমেইন ভেরীফাই করতে বলা হতে পারে এজন্য আপনার পাবলিশার নাম্বারসহ আরো কয়েকটি ওয়ার্ড যোগ করে দিবে যা দিয়ে পরবর্তীতে একটা পেজ বানাতে হবে এই শিরোনামে “This post my domain ownership” তারপর এই পেজের লিংক দিয়ে আবার সাবমিট করুন ।
এগুলো ঠিক থাকলে নিশ্চিতে আবেদন করুন, তবেই আমার মতো দুই বত্‍সর ঘুরতে হবেনা ।তার প্রমান এগুলো মেনে আমার বন্ধুর জন্য আবেদন করেছিলাম মাত্র ৩ দিন লেগেছিল এপ্রোভ হতে ।কিন্তু বন্ধুটি ডলারের লোভ সামলাতে না পেরে প্রক্সি ব্যবহার করে নিজে ও বন্ধুদের দিয়ে ক্লীক করিয়ে ৭দিনে ৬০ ডলার কামিয়েছিল পরে অবশ্য ৮দিন পরে নিজের মাথায় হাতে দিয়েছিল কারন গুগল মামা ইতিমধ্য তাকে ব্যানড করে দিয়েছে ।
কিন্তু মজার ব্যাপার হলো অন্য সাইটদিয়ে তার জন্য পরবর্তীতে আবার যখন আবেদন করেছিলাম মাত্র ২ঘন্টায় এপ্রোভ হয়েছিল । যে বিষয় গুলো খেয়াল রাখতে হবে-

যদি আপনার গুগল এডসেন্স এপ্রোভ হয়ে থাকে তবে ভুলেও এই কাজ গুলো করবেন না

  • ১.কখনো আপনার পিসি থেকে আপনার এড ক্লীক করবেন না ।
  • ২.কখনো এক আইপি বা পিসি দিয়ে একাধিক এডসেন্সে লগ ইন করবেন না ।
  • ৩.বন্ধুদের দিয়ে একটা বেশী ক্লীক করাবেন না ।
  • ৪.সাইটে এডাল্ট কনটেন যুক্ত করবেন না ।
  • ৫.বেশী ভিজিটর পাওয়ার লোভে বিভিন্ন কমিউনিটি বা সামাজিক সাইটে লিংক শেয়ার করবেন না (তাতে ক্ষতি হতে পারে উপকার নয়)

অনেকে বলেন তাহলে ভিজিটর পাবো কিভাবে বা আয় কিভাবে হবে ?

  • উঃ ভিজিটর পেতে প্রচুর পোষ্ট করতে হবে . শুধু অন্ধের মত পোষ্ট করলেই চলবেনা .এজন্য গুগল এডসেন্সকে খেয়াল করতে হবে যে কি ধরনের পোষ্ট বেশী সার্চ হচ্ছে ঐ বিষয় গুলো নিয়ে পোষ্ট লিখুন ।
  • একজন বাংলাদেশী ভিজিটরের চেয়ে একজন আমেরিকান ভিজিটরের ক্লীকের মূল্য অনেক বেশী তাই যাতে ওদের বেশী আকৃষ্ট করা যায় এদিক খেয়াল রাখতে হবে ।
  • আপনার সাইটটি পরিস্কার রাখার চেষ্টা করুন যাতে ভিজিটর সহজেই এডের প্রতি আকৃষ্ট হয় .অনেক সাইট দেখেছি যারা বেশী উইজেট ব্যবহার করে সাইট অপরিছন্ন করে রাখে।

যতক্ষণ ফেসবুক ব্যাবহার করব,ততক্ষণ একটু আয় করলে কেমন হয়?


 সবাই কেমন আছেন?কেউ এর আগে এইপোষ্টটি পোষ্ট করে থাকলে দয়া করে আমাকে ক্ষমা করে দিবেন।চলুন সরাসরি কাজের কোথায় আসি।আর নয় ptc সাইট এ ক্লিক করে আয়,তত সময় নাই।এখন আয় হবে,সামাজিক যোগাযোগ সাইট এর মাধ্যমে।এজন্য আপনার facebook, twitte, youtube, instagram, stumbleupon ও linkdin অ্যাকাউন্ট লাগবে।সব গুলো না হলে ও ছলবে। তবে সব গুলো অ্যাকাউন্ট থাকলে আপনি বেশী বেশী আয় করতে পারবেন খুবেই তারাতারি।কাজ গুলো খুবেই সহজ।চলুন কাজ সম্পর্কে জেনে নেই।
কি কি কাজ আছে?
কাজ গুলো হল অতি সাধারণ।ফেসবুক এর কাজ Face-book page Like, dislike, photo post lik, photo post comment,করে।Twitter এর কাজ twitter Follow, tweets, retweets করে । YouTube এর কাজ youtube like, dislike, view, play, comment, favorite, subscribe করে। instagram এর কাজ instagram follow অথবা share করে। stumbleupon এর কাজ stumbleupon follow অথবা share করে। website traffic এর কাজ direct traffic, website traffic visit করে,এবং linkdin share করে কাজ করে আয় করা যায়।
সাইট সম্পর্কে ধারনাঃ
এই সাইট এ টাকার অঙ্ককে Point হিসেবে প্রকাশ করা হয়। আপনি যত Point কালেক্ট করবেন আপনার Level তত বারবে।আপনি ১০০০০ Point কালেক্ট করলে $1 যোগ হবে।Reference করেও Point বাড়ানো যায়। এরা আপনাকে earn free points এর প্রতিটি সেকশন ভিজিট এর জন্য ১-১১৫ পয়েন্ট দিবে। Earn Coins এর প্রতিটি সেকশন থেকেই আপনি আয় করতে পারবেন যদি আপনার সব কয়টিতে Account থাকে।
টাকা প্রদান কিভাবে করে?
সাইট টি টাকা প্রদান করে থাকে Payza, paypal, okpay তে। 1 dollar হলেই আপনি payza এবং okpay এর মাধ্যমে cashout দিতে পারবেন। এছারা paypal, এর মাধ্যমে $.70 হলে cash করতে পারবেন। এরা cashout এর জন্য ৮ দিন সময় নেয় কিন্তু দেখা যায় ১ দিনের মধ্যেই পেমেন্ট দিয়ে দেয়।তবে হ্যাঁ আপনি অ্যাকাউন্ট খোলার ৩ দিন পরে cashout দিতে পারেন।



কিভাবে কাজ করবেন?

১ম এ এই লিংক এ ক্লিক করে Register করে নেন
যার যার মতন করে বিবরণ দেন।এবং আপনার ইমেইল এ একটি লিংক যাবে ঐ লিংক এ ক্লিক করে লগইন করুন।এবার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট লগইন করুন,এবং অনন্যা অ্যাকাউন্ট গুলোও লগইন করুন করুণ যদি থাকে। লগইন হলে Earn Free Points/Money ফেসবুক সিলেক্ট করলে কতগুলো Fb page এর লিংক আসবে, page গুলো লাইক করে Confirm করুন।এবং Fb page সব লাইক শেষ হলে Page টি Refresh করুন আবার কিছু fb page এর লিংক দেবে আবার আগের মত লাইক করে Confirm করুন।প্রতিটি page লাইকের জন্য আপনি নির্দিষ্টপরিমান পয়েন্ট পাবেন।এভাবে সব কয়টি fb page লাইক শেষ হলে Earn free points/money থেকে twitter বা অন্য কোনো Section select করুন। সেখান থেকে যে কাজ দেবে তা সমাপ্ত করুন তাহলে ওই কাজের জন্য নির্দিষ্ট Coin আপনার Account এ জমা হবে। ছাইলে আপনি এক সাথে সব কয়টি কাজ করতে পারেন।সবচেয়ে ভালো হয় সব কয়টি সাইটে আপনার Account থাকলে। তাহলে প্রতিটি সেকশন থেকেই আপনি ১ঘণ্টায় আয় করতে পারবেন $0.70-$1.5 ।

সহজে আয় করুন । প্রতিদিন 2 ঘন্টা সময় ব্যায় করে আয় করুন , মাসে 4500 টাকা ।


এটি একটি এ্যাড পোস্টিং সাইট , এখানে প্রতিটি এ্যাড পোস্ট করলে আপনি পাবেন বাংলাদেশি 1.5 টাকা। আমি নিচে ধাপে ধাপে আপনাদের কাজের পদ্ধতি আলোচনা করেছি। টাকা উঠাতে পারবেন পায়যা থেকে যেখানে একাউন্ট খোলা খুবই সোজা।

পায়যা/PAYZA (পূর্ব নাম- অ্যালার্টপে/ALARTPAY ) অ্যাকাউন্ট খুলবেন যেভাবে

এবার এই সাইটে প্রবেশ করুন

নিচের ছবির মতো একটি পেজ আসবে।
এবার উপরে থাকা Register বাটনে ক্লিক করুন। রেজিস্টারে , আপনার দেয়া ইউজার নেম এবং পাসওয়ার্ড কোথাও সংরক্ষন করে রাখুন । যাতে পরবর্তীতে আপনি ভূলে না যান। রেজিস্টার হয়ে গেলে আপনা্র  Email-এ একটা ভেরিফিকেশন লিংক যাবে । সেখান থেকে ভেরিফাই করে একাউন্টে লগ ইন করুন । লগ ইন করার পর নিচের পেজটির মতো একটি পেজ দেখতে পাবেন।
1) নিজের ইউজার নামটি , যেটা রেজিস্টারে দিয়েছেন। 2)পাসওয়ার্ড যেটা রেস্টিারে দিয়েছিলেন। 3) লগ ইন করুন।   নিচের মত পেজ পাবেন ।
উপরের চিত্রের 1,২,৩ নাম্বার চিন্হিত অংশ নিয়েই আমোদের মূল কাজ করতে হবে। 1) প্রথমেই আছে Dashboard  এখানে  আপনার একাউন্টের যাবতীয় তখ্য আছে। একটি এ্যাড পোস্ট করলে আপনি পাবেন ইন্ডিয়া টাকা (Rs) .50 যা বাংলাদেশী টাকায় 1.50 টাকা। প্রতিদিন আপনি 100 টি সব্বোর্চ এ্যাড পোস্ট করতে পারবেন।প্রতিটি এ্যডের জন্য টাকা জমা হবে। আপনি  চাইলে যখন ইচ্ছা তখন আপনার পায়জা একাউন্টে টাকা তুলতে পারবেন । তবে  একটু বেশি টাকা হলে তুলবেন,  তখন আপনার লাভ বেশি হবে। কারন পায়জা প্রতিবার নিদ্বিয়্ট এমাউন্টর টাকার লেনদেনের জন্য চার্জ কাটে। 2) এখানে এড দেওয়া থাকে । এখানে view add এ ক্লিক করে , আপনি যে এ্যাড পোস্ট করবেন তার সবকিছু দেখতে পাবেন । এই এ্র্যাড পোস্টিং কিছুটা বাংলাদেশের বিক্র্য় ডট কমের মত। 3) classified add     এই সাইট গুলোতে এ্যাড পোস্ট করতে হবে।   এবার কিভবে এ্যাডপোস্ট করে টাকা রোজগার করবেন।   তাহলে ‍যেকোন একটি classified add  থেকে লিংক ওপেন করুন । তারপর সেখানে প্রথম বারের মতো হলে রেজিস্টেশন করে নিন  । প্রথম লিংকটিতে যান । রেজিস্টেশন করার পর নিচের চিত্রের মতো একটি যায়গা দেখবেন ।
এবার চিন্হিত গোল দাগে কিল্ক করুন তারপর নিচের ছবির মতো একটি পেজ ওপেন হবে।
চিত্রে আপনি এই লিংকটিতে যে ইমেইল নাম্বারে একটু আগে রেজিস্টেষন করেছেন সেটি এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে প্রবেশ করুন। নিচের চিত্রের মতো একটি পেজ আসবে।
1)উপরের চিত্রে আপনি 1,2,3 এবং 4 নাম্বার যাযগা গুলো পূরন করুন । ক্যাটাগরি কিংবা টাইটেল কি হবে সেটা আপনার এ্যাড পোস্টিং সাইটের Dashboard নিচে ‍add campaing-> view add দেখলে পেয়ে যাবেন ।
view add থেকে ছবিটি আগেই কপি করে ডেস্কটপে রেখে দিন। এভাবে ফিল্ড গুলো পূরন হলে। আপনি এ্যাডটি পাবলিশ করতে পারবেন । এরপর যে লিংকটি পাবেন সেটি Dashboard এর নিচে থাকা Submit Url এ গিয়ে পেস্ট করুন । তবে লিংকের, http:// কেটে দিবেন।
 








কাজটি আরো ভালো ভারে বুঝতে চাইলে , উল্লেখিত সাইটের মেনু বারে  Demo work থেকে ভিডিও টি দেখে নিন। সেখানে সম্পূর্ন একটি এ্যাড পোস্টিং দেখানো হয়েছে।

ছোট ব্লগ কিভাবে বড় আয়ের উৎসব হতে পারে


 কেমন আছেন সবাই।আশা করি ভাল আছেন।যাক এবার কাজের কথায় আসি।ইন্টারনেট থেকে আয়ের পদ্ধতিগুলির মধ্যে ব্লগিং অন্যতম গুরুত্বপুর্ন একটি বিষয়। ব্লগিং এর জন্য অফিস প্রয়োজন নেই, নিজের বাড়িতে একটি কম্পিউটারই যথেস্ট। শুধুমাত্র গুগল এডসেন্স বিজ্ঞাপন থেকে বছরে লক্ষ ডলার আয় করার মত ব্লগের উদাহরনের অভাব নেই। আবার এভাবে আয় করতে গিয়ে সফলতা আসেনি তাদের সংখ্যা তার থেকেও বেশি।

অত্যন্ত উচু মানের ব্লগ ভাল ব্যবসা করতে পারছে না অথচ আপাত সাধারন মানের ব্লগ থেকে ভাল আয় হচ্ছে এমন উদাহরনের অভাব নেই। প্রশ্ন থাকা স্বাভাবিক, কোন বিষয়গুলির ওপর ব্লগের সফলতা নির্ভর করে।
সফলতার প্রত্যক্ষ কিছু কারন এখানে তুলে ধরা হচ্ছে।

বাংলাদেশে ব্লগ থেকে বড় ধরনের আয় আশা করার আগে কিছু বাস্তবতা জেনে নেয়া ভাল।
এক সময় বাংলাদেশে অনলাইনে কেনাকাটার প্রচলন ছিলনা। বর্তমানে কিছুটা হয়েছে । পেপল এর মত ব্যবস্থায় মত অনলাইনে লেনদেনের সুযোগ নেই। আয়ের মুল উতস হচ্ছে কোন বিজ্ঞাপনে ক্লিক করা, কোন পন্য বা সেবা কেনা। কেনাকাটার বিষয় যখন কম তখন ভিজিটর বিজ্ঞাপনে ক্লিক করবেন না এটাই স্বাভাবিক।
গুগল বাংলা ব্লগে এডসেন্স অনুমোদন দেয় না। এখানেও মুল কারন অনলাইনে কেনাকাটার সুযোগ না থাকা। ভিজিটর যদি না কেনেন তাহলে তাকে বিজ্ঞাপন দেখানোর প্রয়োজন নেই, এই নীতিতে বাংলা ব্লগে এডসেন্স ব্যবহারের সুযোগ দেয়া হয় না।
এই সমস্যাগুলির সমাধান আপনার হাতে নেই। যা করা সম্ভব তা হচ্ছে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহন করা।
এবারে দেখা যাক সফল ব্লগগুলি যে কারনে সফল হয়েছে।
সঠিক সময়ে সঠিক বিষয় তুলে ধরাঃ ইন্টারনেট সবচেয়ে দ্রুত পরিবর্তনের যায়গা। অন্যকথায়, হুজুগের যায়গা। ব্যবহারকারীরা একে সময় একে ধরনের বিষয়ের দিকে বেশি আগ্রহ দেখান। ব্যবসা সফল ব্লগিং এর জন্য ব্লগারকে তারসাথে মিল রাখতে হয়। মানুষের আগ্রহ হিসেব করে সেই বিষয়ে তথ্য তুলে ধরতে হয়। এরফলে আগ্রহি ভিজিটরের সংখ্যা বাড়তে থাকবে, একসময় তারা আয়ের উতসে পরিনত হবে।
নিজের বৈশিষ্ট ঠিক রাখাঃ একটা প্রবাদ আছে, যিনি পুতুল নাচ দেখান তিনি পুতুলকে নাচান, নিজে নাচেন না। নিজে নাচলে ব্যালান্স থাকে না। আপনি হুজুগ নিয়ে ব্লগ করতে পারেন, নিজে সেই হুজুগে যোগ দেবেন না। বরং মাথা ঠান্ডা রেখে প্রতিক্রিয়া লক্ষ করুন, ব্লগকে আরো কতটা আকর্ষনীয় করা যায় সেদিকে মনোযোগ দিন। ডিজাইনকে অবহেলা করবেন না। অনেকে খুব ভাল বিষয় পড়ার চেয়ে দেখতে সুন্দর ব্লগ বেশি পছন্দ করেন।
নিজের মত প্রকাশ করুনঃ ব্লগে আপনি তথ্য তুলে ধরার পাশাপাশি নিজের মত প্রকাশ করে ভিজিটরের দৃষ্টি আকর্ষন করতে পারেন। সবাই আপনার সাথে একমত হবেন এমন কথা নেই, বরং অত্যন্ত কড়া সমালোচনা সহ্য করতে হতে পারে। অনেকে ইচ্ছে  করে এমন বক্তব্য তুলে ধরে যেন অন্যরা সমালোচনা করে, প্রতিবাদ করে। জনপ্রিয়তা লাভের এটা একটা প্রচলিত পদ্ধতি। এই একটিমাত্র কারনেই মানুষ বিতর্কিত বিষয় প্রকাশ করে।
ব্লগকে পেশা হিসেবে নিনঃ ব্লগ থেকে আয়কেই মুল আয় হিসেবে ব্যবহার করতে চান, খুব দ্রুত ফল পেতে চান। কাজটি তুলনামুলক সহজ। ভিজিটর নিজে থেকে ব্লগে আসবে ধরে না নিয়ে আনার ব্যবস্থা করুন। বিজ্ঞাপন দিন। বিজ্ঞাপনে কাজ হয়। অনেকে বলেন বর্তমান জগত চলে বিজ্ঞাপনের জোরে। সম্ভাব্য সব যায়গায় বিজ্ঞাপন দিন, মানুষের আগ্রহ তৈরী করুন। যিনি নিয়মিত ইন্টারনেট ব্যবহার করেন না তিনিও একবার ব্লগ দেখার চেষ্টা করবেন।

ব্লগ তৈরী করা সহজ কিন্তু ব্লগ থেকে ব্যবসায়িক সফলতা পাওয়া সহজ না। এটা নিজে থেকে ঘটে না, ঘটাতে হয়। ব্লগিং বিষয়ক তথ্য যত বেশি জানবেন, সেগুলি প্রয়োগ করবেন, সফল হওয়ার সম্ভাবনা তত বেশি।

অনলাইনে খুব সহজে আয় করতে চান ? তাও আবার শুধুমাত্র অ্যাড দেখে —


আমি স্টেপ বাই স্টেপ প্রোসেস বলছি আর আপনি অনুসরণ করুন আর দেখুন কিভাবে সারাদিনে মাত্র ৪/৬ টি করে অ্যাড দেখে আপনি মাসে ২-৩ $ উপার্জন করতে সমর্থ হচ্ছেন ।
প্রথমে আপনি এই লিঙ্ক টিতে ক্লিক করুন আর রেজিস্টার করুন ।
রেজিস্টার করা হয়ে গেলে Earn Watching Adds এ ক্লিক করুন আর সেখান থেকে নেভিগেশান করে
যান PAID TO CLICK ADDS এ ।
এবার আপনি নিচের ছবির মত অনেক গুলো অ্যাড দেখতে পাবেন ।
Ojooo-com-Watching-Ad-Paid-to-click-advertisement 2014-02-07 09-30-04
এবার আপনার পছন্দের অ্যাডটিতে ক্লিক করুন আর লক্ষ্য করুন একটি কমলা রঙের চিহ্ন , সেটিতে
ক্লিক করলেই অ্যাডটি আপনার ব্রাউজার এর নতুন ট্যাব এ হাজির হবে ।
Ojooo-com-Watching-Ad-Paid-to-click-advertisement 2014-02-07 09-30-56
আর সেটি দেখলেই আপনি পেয়ে যাচ্ছেন কাঙ্ক্ষিত ডলার ।
মনে রাখবেন আপনি একসাথে একসময়ে কেবলমাত্র একটি অ্যাড দেখতে
পারবেন ।
কোনও রকম অসুবিধা বা জিজ্ঞাসা থাকলে কমেন্ট করুন ।

অনলাইন আয়-রোজগার এর অলিগলি [পর্ব-৭] :: অনলাইন হোক কর্মক্ষেত্র


বর্তমান সময়ে ইমেইল মার্কেটিং একটি আলোচিত সমালোচিত বিষয়। অনেকেরই এই ইমেইল মার্কেটিং সম্পর্কে ধারণা আছে এবং অনেকেই এই ইমেইল মার্কেটিং নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী। আজকে আমরা জানবো একজন প্রফেশনাল ইমেইল মার্কেটিং এক্সপার্ট হিসেবে ভবিষ্যত কেমন।
আমরা ফ্রিল্যান্সিং বলতে শুধুমাত্র ওডেস্ক বুঝি থাকি। কিন্তু কি জানি ওডেস্ক এর পাশাপাশি কাজ করার জন্য আরো অনেক ক্ষেত্র রয়েছে? ফ্রিল্যান্সার,ইল্যান্সসহ আরো অনেক সাইটে আপনি আপনার ক্যারিয়ার শুরু করতে পারেন।

http://www. elance.com



http://www.odesk.com

http://www.freelancer.com

 তুলনামূলক একটি প্রার্থক্য দেওয়ার চেষ্টা করা হল-
Elance VS Odesk
রেট- ওডেস্ক এ যেখানে .১ সেন্টে বিড করা যায় সেখানে ইল্যান্স এ সর্বনিম্ন ৩ ডলার।
কাজের পরিমাণ- ওডেস্ক এ আইডি ভেরিফাই থাকলে ২৫টি বিড করা যায়। ইল্যান্স এ সংখ্যাটি ৪০ এর মত। তবে এখানে আপনাকে অবশ্যই আইডি ভেরিফাই করতে হবে।
কাজের প্রতিযোগিতা- ওডেস্ক এ প্রচুর প্রতিযোগিতা থাকলেও তুলনামূলক ভাবে ইল্যান্স এ প্রতিযোগিতা কম।

freelancer.com, elance.com, odesk.com শুধুমাত্র এই সাইটগুলোই কি ইমেইল মার্কেটিং এর জন্য ? না এছাড়াও আরো অনেক ক্ষেত্র রয়েছে ইমেইল মার্কেটিং এর জন্য।
themeforest এ ইমেইল টেম্পলেট তৈরি করে বিক্রয় করা যায়।
http://themeforest.net/
 ইল্যান্স,ফ্রিল্যান্স কিংবা ওডেস্ক এ কিভাবে কাজ শুরু করবেন?
যেখানে এসইও কিংবা ডাটা এন্ট্রির কাজগুলোতে ভালো রেট পাওয়া যায় না। সেখানে ইমেইল মার্কেটিং এর কাজে ভালোই রেট পাওয়া যায়। তবে এখানে বিশেষ ভাবে জানা প্রয়োজন হল দক্ষতা। নিজেকে যত বেশি দক্ষ হিসেবে গড়ে তোলা যাবে ভালো রেট পাওয়া সম্ভব। বাংলাদেশী অনেকেই আছেন ৪০ ডলার/ঘন্টা রেটে ইমেইল মার্কেটিং এর কাজ করেন। আপনি নতুন হলে এই রেট অবশ্য পাবেন না তবে ৫ ডলার/ঘন্টায় প্রথম কাজটি শুরু করা কোন ব্যাপারই না। তবে ৫ ডলারের নিচে ইমেইল মার্কেটিং এর কাজ কখনোই করতে যাবেন না।

আপনার যদি ইচ্ছে থাকে অনলাইনে আয় করবেন এই সব ফ্রিল্যান্সিং সাইট থেকে। তবে আপনার মনোবলকে দৃঢ করে তুলুন। আমরা আপনার ইচ্ছে শক্তিকে তৈরি করবো কর্মশক্তিতে। একদিনেই এটা সম্ভব নয়। নিয়মিতভাবে চর্চা এবং গাইড লাইন জরুরী। আপনার কাজ শেখা থেকে শুরু করে ফ্রিল্যান্সিং সাইটগুলো থেকে কাজ পাওয়ার প্রতিটি মুহূর্ত পর্যন্ত “AIGET” রয়েছে আপনাদের পাশেই।

অনলাইন আয়-রোজগার এর অলিগলি [পর্ব-৬] :: ফ্রিল্যান্সিং না পিটিসি?


পিটিসির ক্লিক করে আর কয়দিন? অনলাইনে বর্তমান সময়ে পিটিসির চাহিদা মনে হয় বেশি! টেকটিউনস এ পিটিসি নিয়ে প্রতিদিনই কোন না কোন সাইটের লিংক দেত্তয়া হয়। একবার আপনি চিন্তা করুন একটি ক্লিক করে ২০/৩০ সেকেন্ড বসে রয়েছেন। ০.০১ ডলার এল এ বাবদ। তারপর মাস শেষে যা পেলেন তা নিয়ে আপনি খুশি। কিন্তু একবার ত্ত কি ভেবেছেন এই যে বসে বসে ক্লিক করে করে নিজের মেধা এবং সময়ের অপচয় করছেন এই সময় দিয়ে যদি একটি কাজ শিখতেন তবে ফ্রিল্যান্সিং করে কত আয় করতে পারেন মাসে। কোন কিছু পেতে হলে অবশ্যই আপনাকে সময় শ্রম দিতে হবে। অবশ্যই বিনা পারিশ্রমিকে।
অর্থের চিন্তা করা যাবে না। কি ব্যাপার টাকা পাচ্ছি না কেন কেন? ধ্যুর এত সময় যাচ্ছে। টাকা পাইনা কেন :( আপনি মনোযোগ দিয়ে কাজ শেখেন। কোন প্রতিষ্ঠানে না পারলে অনলাইনে সাইট থেকে শিখেন। ৩ মাসে নিশ্চয়ই শিখতে পারবেন কোন না কোন কিছু। তার পর কোন ফ্রিল্যান্সিং সাইটে প্রোফাইল বানিয়ে কাজের জন্য বিড করুন। একদিনেই কাজ পাবেন না।
এক সপ্তাহ কিংবা এক মাসত্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে। তবে কাজ পেলে পরে আর চিন্তা করতে হবে আপনাকে। ভালো বায়ার পেলে তার কাজ দিয়েই সারা বছর চালিয়ে যেতে পারবেন।  আজ আপনাদের একটি সুখবর দেই। আমি ত্তডেস্কে প্রোফাইল বানিয়ে বিড করার ২ দিনের মাঝেই ৩০০ ডলার এবং ১০ ডলারের কাজ পাই। ১০ ডলার বাদ দিয়ে এখন ৩০০ ডলারের কাজ করছি।
দুই দিন আগে প্রথম পেমেন্ট আমার ত্তডেস্কে জমা হল ২৫.২০ ডলার। কি কাজ পেয়েছি আমি? ব্যাকলিংক তৈরির কাজ। আর একাজে অনেকেই সাহায্য করেছেন যখন আমি কোন সমস্যার সম্মুখীন হয়েছি। আপনি কাজ শিখতে চান? কিভাবে কাজ পেতে হবে ? এসব বিষয়ে সাহায্য করার অনেক বন্ধুই রয়েছে এখানে। একবার বলে দেখেন সাহায্য করে কিনা। অবশ্যই তা হতে হবে গঠনমূলক। তো  ফ্রিল্যান্সিং এর জগতে চলে আসুন।  আজ এ পর্যন্তই :) আবার সামনে কোন বিষয় নিয়ে আসবো।

অনলাইন আয়-রোজগার এর অলিগলি [পর্ব-৫] :: ফ্রিল্যান্সিং




আমাদের আজকের বিষয়বস্তু  ফ্রিল্যান্সিং। ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে ইন্টারনেট স্বাধীনভাবে  কাজ করার একটি মাধ্যম। মূলত এম.এস ত্তয়ার্ড থেকে শুরু করে গ্রাফিক্স ডিজাইন,ভিডিত্ত এডিটিং, প্রোগ্রামিং হাজারো কাজ রয়েছে। উন্নত বিশ্বের দেশগুলোতে এসকল কাজের যে মুল্য রয়েছ তা কমানোর জন্য আউটসোসিং করে থাকে। যেমন সেখানে একটি কাজ করার জণ্য ঘন্টায় ২০ ডলার খরচ হচ্ছে। অথচ আউটসোসিং এর মাধ্যমে একটি কাজ উন্নয়নশীল দেশে ৫-১০ ডলারে করানো সম্ভব। বর্তমানে আমাদের দেশে অনেকেই এই কাজের মাধ্যমে প্রতি মাসে হাজার হাজার ডলার আয় করেছেন। ধারাবাহিকভাবে আলোচনা করা হবে কিভাবে কাজ পাত্তয়ার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে।
নিজেকে প্রস্তুত করতে হবে প্রতিযোগিতার মাঝে। ধৈর্য এবং অধ্যায়বসার কোন বিকল্প নেই। হুট করেই কোন কাজ পাত্তয়া সম্ভব নয় আবার কাজ না জেনে অগ্রসর হত্তয়া পারতপক্ষে নিজের জন্য তো বটেই দেশের জন্য ক্ষতিকর। কেননা কাজ না জেনে কোন কাজ পেলেন। অথচ সময়মত তা সমাপ্ত করতে ব্যর্থ হলেন। এতে করে নিজের ক্ষতি হল এবং পরবর্তী সময়ে দেশের একটি খারাপ উদাহরণ রয়েছে গেল। পরে সেই বায়ার আর কাজ দিতে চাইবে না এদেশের কাউকে। সত্যিকার অর্থে সেযদি কাজ জেনেত্ত থাকে। তাই নাচতে না পারলে উঠানের দোষ দিয়ে কোন লাভ নেই। আবার কাজ না পেরে বিট করে কাজ না পেলে নিজের কপাল চাপড়ে হাত ব্যাথা করার মত ব্যর্থ প্রয়াস না চালানোই ভালো। সবাইকে ধন্যবাদ। পরবর্তী পর্ব
(ফ্রিল্যান্সিং এর ক-খ-গ)

অনলাইন আয়-রোজগার এর অলিগলি [পর্ব-৪] :: গুগল এডসেন্সের মাধ্যমে আয়


গুগল এডসেন্স গুগল সার্চ ইঞ্জিন এর একটি বিখ্যাত বিজ্ঞাপন প্রর্দশনের মাধ্যম। এটি প্রথম পছন্দ সকলের। কিন্তু ইচ্ছে করলেই সাইটে গুগল এডসেন্স এর বিজ্ঞাপন প্রর্দশন করতে পারবেন না। কঠোরভাবে গুগল নিয়মনীতি অনুসরণ করে থাকে। আগে বিভিন্ন ভাবে একাউন্ট করার সুযোগ সুবিধা থাকলেত্ত বর্তমানে দিনে দিনে কঠোর থেকে কঠোরতর হচ্ছে। কোন ধরণের হুশিয়ারী বার্তা ছাড়াই আপনার একাউন্ট বন্ধ করে দিতে পারে গুগল মামা ;)। তাই আপনার সাইটে যদি গুগলের বিজ্ঞাপন প্রর্দশন করতে চান তবে আপনাকে অবশ্যই সর্তক থাকতে হবে।
প্রথমত কপি রাইটের আত্ততায় পড়ে  এমন কিছু ব্যবহার করবেন না। সেটি ছবি কিংবা লেখা যেটিই হোক না কেন। তা হলে সাধের একাউন্ট ব্যান। ২য় কথা ভুলেত্ত আপনার সাইট বাংলাদেশের জন্য তৈরি করবেন না। বিভিন্ন কোম্পানীর একই আইপি হত্তয়ার কারণে গুগল ভাবে একজনই ক্লিক করছে। আবার কেউ আপনার একাউন্ট বন্ধ করার ইচ্ছে থাকলে কয়েক ক্লিক ব্যাস। প্রথম থেকেই আপনাকে পরিকল্পিতভাবে অগ্রসর হতে হবে। কারণ এখানে প্রতিদিন লাখ লাখ সাইট তৈরি হচ্ছে এবং প্রতিযোগিতায় আপনাকে এগিয়ে থাকতে হবে। একাধারে আপনাকে হতে হবে ডিজাইনার, এস,ই,ত্ত-বিদ এবং কনটেন্ট নিমার্ণে সক্ষম। কেন আসবে আপনার সাইটে একজন? তারা কেন ক্লিক করবে এডে? তাদেরকে ধরে রাখতে হবে। উদ্ভুদ্ধ করতে হবে এডে ক্লিক করতে। সাইটটি যদি দেখতে সুন্দর হয় তবে সহজেই সে মুগ্ধ হয়ে বার বার ফিরে আসবে।
টেকটিউনসে সাইট ডিজাইন নিয়ে, এস,ই,ত্ত নিয়ে অনেকগুলো চেইন টিউন হয়েছে। সেগুলোকে কাজে লাগাতে পারেন।টেকটিউনস এখানে সবচেয়ে বড় শিক্ষক। বিনামূল্যে শিখতে পারবেন সবাই। কোন প্রশ্ন থাকলে প্রশ্ন করবেন। সবাই আছে উত্তর দেত্তয়ার জন্য প্রস্তুত। গুগল এডসেন্স একাউন্ট এর জন্য আপনার একটি ডোমেইন থাকতে হবে। সেটি যদি না করতে চান তা হলে বিনামূল্যে ব্লগস্পটে সাইট বানাতে পারেন। আর এডসেন্স ব্যবহার করার জন্য ব্লগস্পট একটি সুন্দর প্ল্যাটফর্ম। কীভাবে ব্লগ তৈরি করবেন? কোন সমস্যা নয়। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত টিউটোরিয়াল আছে টিউনার নিশাচর নাইম ভাই,সাব্বির ভাইয়ের। সেগুলো অনুসরণ করতে পারেন। পরিকল্পনা করুন এখন থেকেই। এর কোন বিকল্প নেই।
একটি সাইট তৈরির আগেই এর প্রতিযোগী তৈরি হয়ে আছে। সাইটের নাম, বিষয়বস্তু নির্বাচন করা,তৈরি করা,এস,ই,ত্ত সর্বশেষে কনটেন্ট পাবলিশ করা সর্বক্ষেত্রেই প্রতিযোগী অপেক্ষা করছে আপনার জন্য। ৩৫০ শব্দের পোস্ট দিন। প্রতি সপ্তাহে কমপক্ষে ১টি করে। ইউনিক হতে হবে। ৬ মাস কাজ করে সাইটটিকে একটি ভালো স্থানে নিয়ে আসুন। এবার গুগল এডসেন্স এর জন্য আবেদন করুন। ভাগ্য ভালো হলে কপাল খুলে যেতে পারে। তবে এ ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনাকে নিজের সাইটের জন্য সময় দিতে হবে। শ্রম দিতে হবে। তা হলেই পারবেন সফল। অধ্যবসায় এর কোন বিকল্প নেই যদি গুগল এডসেন্স দিয়ে আয় করতে চান। সবাইকে ধন্যবাদ।
টেকটিউনসের সাথে থাকুন। টেকটিউনস অফিসিয়াল ফেসবুক গ্রুপে যোগ দিন এবং অন্যদেরকে যুক্ত করুন।

অনলাইন আয়-রোজগার এর অলিগলি [পর্ব-৩] :: বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের মাধ্যমে আয়


অনলাইন আয় রোজগারের ক্ষেত্রে বিজ্ঞাপনের প্রদর্শনের মাধ্যমে আয় একটি উল্লেখযোগ্য মাধ্যম। বিভিন্ন সাইট ভিজিট করলে দেখা যায় বিভিন্ন পণ্য কিংবা সাইটের বিজ্ঞাপন ।  সাধারণভাবে গুগল এডসেন্স, AdBrite, Clicksor, Bidvertiser, Chitika ইত্যাদি সাইটের বিজ্ঞাপন প্রদর্শিত হচ্ছে। ভিজিটর এসে সাইটগুলো দেখেন এবং ক্লিক করে থাকেন এসকল প্রতিষ্ঠানের। একটি নির্দিষ্ট পরিমাণে আয় করা সম্ভব। তবে শুধুমাত্র বিজ্ঞাপনের কথা বললেই হবে না। এজন্য আপনাকে অবশ্যই কতকগুলো শর্তপূরণ করতে হবে।
যেমন বিজ্ঞাপন প্রর্দশনের জন্য একটি সাইট থাকতে হবে। নিয়মিত ভিজিটর আনতে হবে এবং তাদেরকে আপনার সাইটের বিজ্ঞাপন ক্লিক করার জন্য উৎসাহিত করতে হবে। কেউ আসবে আর এসেই বিজ্ঞাপনে ক্লিক করবে আর আপনি আয় করবেন এমনটি ভাবা বোকামী ছাড়া আর কিছুই নয়। এমন কিছু থাকতে হবে সাইটে যাতে তারা এসে আপনার সাইটে কিছুক্ষণ থাকবেন এবং বিজ্ঞাপনে ক্লিক করবে। এজন্য আপনাকে একাধারে সাইটের ডিজাউনার, এস,ই,ত্ত ক্ষেত্রে দক্ষ হতে হবে এবং পাশাপাশি আপনাকে কনটেন্ট তৈরিতে পারদর্শী হতে হবে। কী চায় তারা? যারা আপনার সাইটে আসবেন! আর শুধু মাত্র সাইট বানালেই হবে না। প্রতিষ্ঠান গুলোর নীতিমালা আপনাকে মনে রাখতে হবে। কিছু কিছু বিষয়ের সাইটে আপনি বিজ্ঞাপন ব্যবহার করতে পারবেন না। সব কিছু করার আগে অবশ্যই আপনাকে সেই বিষয় নিয়ে ভাবতে হবে। প্রতিদিনই আপনার লক্ষ লক্ষ প্রতিযোগী বাড়ছে অনলাইনে। সবার সাথে দৌড়ে আপনাকে জয়ী হতে হবে। দুর্বল হলে পিছিয়ে পড়বেন। পরিকল্পনা এবং শ্রম ছাড়া কোন বিকল্প নেই।
(পরবর্তী পর্ব গুগল এডসেন্স)

অনলাইন আয়-রোজগার এর অলিগলি [পর্ব-০২] :: অর্থ উত্তোলনের পদ্ধতিসমূহ



অনলাইনে আয় করতে গেলে প্রথমে একটি বিষয় আপনাকে মাথায় রাখতে হবে সেটি হল আপনি আপনার উপার্জিত ডলার কী ভাবে নিজের কাছে নিয়ে আসবেন। কেননা বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সবগুলো পদ্ধতি অনুসরণ করা সম্ভব নয়। অনলাইনে বর্তমান সময়ে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় মাধ্যম হল পেপাল কিন্তু দু:খজনক হল বাংলাদেশে পেপাল সমর্থন করে না। তাই অধিকাংশ ক্ষেত্রে আমরা পিছিয়ে রয়েছি। বেশিরভাগ সাইট অনলাইনে কাজের পেমেন্ট পেপাল এর মাধ্যমে করে থাকে। এছাড়া বর্তমান সময় এলার্টপে,মানিবুকারসহ আরো বিভিন্ন পদ্ধতি প্রচলিত রয়েছে। তবে এলার্টপে অধিকাংশ সাইটে সমর্থন করে না। এবং অনলাইনে কোন কেনাকাটার সময় এলার্টপের ডলার ব্যবহার করা যায় না। আশার কথা এই যে আগামী সেপ্টেম্বর নাগাদ বাংলাদেশে পেপাল আসার সম্ভাবনা রয়েছে। পেপাল আসার মাধ্যমে আমাদের দেশে অনলাইনে আয়ের ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে সাহায্য দুয়ার খুলে দিবে। তখন আর হতাশ হতে হবে না যে কীভাবে অর্থ দেশে আনা যাবে। এখন বিভিন্ন ভাবে পেপালের ডলার দেশে আনা যায়। বিদেশে আত্নীয়স্বজন থাকলে তাদের মাধ্যমে পেপাল একাউন্ট তৈরি করে ডলারগুলো আনা যায়। তবে সীমিত সংখ্যক এ সুবিধা পাচ্ছেন। ঝুকিপূর্ণ হত্তয়ার কারণে আমাদেরকে অন্যান্য পদ্ধতিসমূহ সর্ম্পকে পর্যাপ্ত ধারণা থাকা প্রয়োজন।


আর যদি একান্তভাবে এসকল ঝামেলায় না যেতে চান তবে অনলাইনে অর্জিত ডলার বিক্রয় করার ব্যবস্থা রয়েছে। বাংলাদেশী অনেকেই ডলার কিনে থাকেন অনলাইনে। তবে এ ক্ষেত্রে অবশ্যই হাতে হাতে টাকা আদান-প্রদান করা শ্রেয়। এত ঝামেলা না করে একটি একাউন্ট খুজে ফেলুন আপনার পছন্দের মাধ্যম এ।

অনলাইন আয়-রোজগার এর অলিগলি [পর্ব-০১] :: খুটিনাটি


ইন্টারনেটের মাধ্যমে আমরা কি করি বা করি না সে বিষয়ে কোন বির্তকে যাবো না। কারণ এখানে যারা টিউনটি পড়ছেন তারা মোটামুটি ভাবে ইন্টারনেট সম্পর্কে জানেন। আর বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ভাবে অনলাইনে আয়ের বিষয়ে জেনেছেন। মূলত নবীন টিউনারদের জন্য এই টিউনটির সূত্রপাত। যাতে করে তারা অনলাইনে আয়ের বিষয়ে খুটিনাটি বিষয় সম্পর্কে জানতে পারেন। অনেকে হয়তো জানেন তারপরত্ত একে বারে প্রাথমিক পর্যায় থেকে আলোকপাত করা হবে যাতে কারো কোন বিষয়ে বুঝতে অসুবিধা না হয়। যাই হোক আর কথা না বাড়িয়ে শুরু করা যাক মূল কথা।
ইন্টারনেটে রয়েছে হাজার হাজার ডলার উপার্জন করার সুযোগ। শুধুমাত্র নিজেকে প্রস্তুত করা। সারা বিশ্বের অন্যান্য দেশের মত আপনিত্ত বাংলাদেশ থেকে আয় করতে পারেন অনলাইন থেকে। মূলত ইন্টারনেটে আয় করার বিভিন্ন পন্থা রয়েছে। আপনার যদি একটি সাইট থাকে তাহলে বিভিন্ন বিজ্ঞাপন প্রর্দশন করে। বিভিন্ন ধরনের কাজ রয়েছে গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজ, লোগো ডিজাইনারদের জন্য রয়েছে বিভিন্ন সুযোগ,ছবি আপলোড করা মাধ্যমে আয় করার সুযোগ রয়েছে,ভিডিত্ত এডিটিং, এ্যানিমেশন করার মাধ্যমে,সফটত্তয়্যার তৈরির মত হাজার হাজার পথ রয়েছে ইন্টারনেটে আয় করার। এরকম ১০১টা কাজ রয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে আমাদেরকে এমন কাজ করতে হবে যাতে করে সহজেই আমরা আয় করতে পারি। কেননা বিদ্যুৎ সমস্যা,ইন্টারনেটের স্পীড ইত্যাদি সমস্যার কারণে অবশ্যই আমাদেরকে স্বল্প সময়ে যাতে করে বেশি আয় করা যায় তেমন পদ্ধতি খুজে বের করতে হবে।
ধারাবাহিক ভাবে প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত এ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে। যদি কোন প্রশ্ন থাকে তাহলে মন্তব্য করে জানাতে পারেন। ব্যস্ততার মাঝেও উত্তর দেত্তয়ার চেষ্টা করা হবে।

পরবর্তী পর্ব (অর্থ পাত্তয়ার পদ্ধতি সমূহ)

Sunday, March 9, 2014

PTC সাইটের মাধ্যমে দ্রুত আয় করার পদ্ধতি


   ইন্টারনেট থেকে আয় করার বিভিন্ন পদ্ধতির মধ্যে PTC (Paid To Click) হল একটি। PTC সাইটগুলোর মাধ্যমে আয় করার কাজটি অত্যন্ত সহজ হলেও জানতে হবে সঠিক পদ্ধতি এবং সঠিক ও বিশ্বস্ত PTC সাইটের নাম, ঠিকানা ও বৈশিষ্ট্য।  এই PTC সাইটগুলোতে বিভিন্ন ধরনের Advertise প্রদর্শন করা হয়। এই  Advertise গুলো দেখলে Viewer দের একটি নির্দিষ্ট পরিমান অর্থ প্রদান করা হয়। প্রতিদিনই এই সাইটগুলোতে নতুন নতুন Advertise আসে। প্রতিদিন এই Advertise গুলো দেখে ও Referral পদ্ধতিতে সহজেই আয় করা সম্ভব, যদিও আয়ের পরিমান একটু কম কিন্তু ১০০% নিশ্চিত যে আয় করা সম্ভব।


PTC সাইটের মাধ্যমে আয় করার সুবিধাঃ
১. বিনিয়োগের প্রয়োজন নেই। PTC সাইটগুলোতে ফ্রী-তে রেজিস্ট্রেশান করে তাৎক্ষনিক আয় করা সম্ভব।
২. সময় কম লাগে। এক একটি PTC সাইটে অ্যাড দেখতে মাত্র ২-৫ মিনিট সময় লাগে।
৩. কোন বিশেষ দক্ষতা বা ট্রেনিং এর প্রয়োজন নাই। ফলে নতুন কম্পিউটার/ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা সহজেই PTC সাইট থেকে আয় করতে পারবে।


PTC সাইটগুলো থেকে আয় করতে হলে নিম্নোক্ত পদ্ধতি অনুসরন করুনঃ ধাপ-১ : আয়ের জন্য প্রথমে সঠিক ও বিশ্বস্ত PTC সাইট নির্বাচন করুন। ধাপ-২ : নির্বাচিত সাইটে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে রেজিস্টেশন করুন। ধাপ-৩ : আপনার ইমেল একাউন্টে গিয়ে সাইটিকে ভেরিফাই করুন। ধাপ-৪ : তারপর উক্ত PTC সাইটিতে গিয়ে প্রাপ্ত ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগ-ইন করুন। ধাপ-৫ : লগ-ইন করার পর View Adds এ ক্লিক করুন। ধাপ-৬ : এখন অনেকগুলো Advertise প্রদর্শিত হলে একটি Advertise সিলেক্ট করে মনিটরে প্রদর্শিত সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করে পরবর্তী নির্দেশনা অনুসরন করুন। ধাপ-৭ : ধাপ-৬ অনুসরন করে সবগুলো Advertise দেখুন। Advertise দেখার পর আপনার উপার্জিত অর্থ দেখতে হলে Account এ ক্লিক করুন। অতঃপর Log-out করে বেরিয়ে আসুন।
এভাবে প্রতিদিন এক একটি PTC সাইটের জন্য ২-৫ মিনিট সময় ব্যয় করলেই মাসের শেষে একটি ভাল অর্থ পাওয়া যাবে।

কয়েকটি বিশ্বস্ত(Trusted) PTC সাইটের নাম ও লিংক দেখার জন্য এখানে ক্লিক করুন।

PTC সাইট থেকে অর্থ উত্তোলনের মাধ্যমঃ
* পাইজা (এলার্টপে)
* পেপাল
* লিবার্টি-রিজার্ভ
* মানিবুকার্স (স্ক্রিল)


বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ
* একটি IP Address থেকে মাত্র একবারই রেজিস্টেশন করা যাবে।
* বেশির ভাগ লিংকগুলোতে আমার রেফারেল লিংক দেওয়া হয়েছে। আপনার ইচ্ছা হলে আমাকে রেফার করতে পারেন। আর হ্যাঁ, আমাকে রেফার করলে আপনার কোন ধরনের ক্ষতিই হবে না, কিন্তু আমার একটু লাভ  হবে। আমার নিজেরই অনেক বন্ধু আছে যারা ইন্টারনেটে আয় সম্পর্কিত তথ্য আমার কাছে থেকে জেনে নেয়, কিন্ত যদি আমার কোন রেফারেল লিংক থাকে তাহলে তা বাদ দিয়ে অ্যাকাউন্ট করে তার হীন-মৌনতার পরিচয় দেয়। আমি বুঝিনা যে, প্রায় এই ঘটনা ঘটার কারন কি ??? ??? দুঃখের সাথে আমার এই প্রশ্নটি ছুড়ে দিলাম তাদের বিবেকের কাছে ... ... ... !!!


PTC সাইট থেকে দ্রুত আয় করার টিপসঃ
একটি গ্রুপ তৈরি করা, যেমন- কয়েকজন বন্ধু-বান্ধব মিলে একটা গ্রুপ তৈরি করা। গ্রুপ তৈরির পর সবাই মিলে একজনের রেফারে জয়েন করা। মনেকরি, একটি গ্রুপে ৫০ জন লোক আছে। প্রতি জন যদি ১টি PTC সাইট থেকে ৫ সেন্ট Income করে তাহলে ঐ গ্রুপের Income হবে ২.৫ ডলার, আর যার আন্ডারে জয়েন করা হয়েছে তার এক্সট্রা ২৫ সেন্ট Income হবে। অর্থাৎ ঐ গ্রুপের ১টি সাইট থেকে দৈনিক ইনকাম ২.৭৫ ডলার। আর যদি তারা ৫০ টি PTC সাইটে একত্রে কাজ করে তাহলে একদিনে ১৩৭.৫ ডলার। মাসে ইনকাম ৪১২৫ ডলার অর্থাৎ ৪১২৫x৮৩=৩,৪২,৩৭৫ টাকা মাত্র। আর এক এক জনের পারিশ্রমিক পড়ে ৬৮৪৭.৫০ টাকা। শুধুমাত্র প্রতিদিন তিন ঘণ্টা সময় ব্যয় করে।

আর যারা SEO, Online Advertising বা Online Marketing  পারেন তাদের জন্য গ্রুপ তৈরি করা কোন ব্যাপারইনা।

আর যারা গ্রুপ তৈরি করতে পারবেন না তারা একাই কাজ করুন অন্তত মাসে ৫০০০ টাকা আয় করা কোন ব্যাপারনা।

আর যারা অন্য কাজ যেমন- ওয়েব-ডিজাইন, গ্রাফিক্স-ডিজাইন, এস ই ও, ইন্টারনেট রিসার্চ, প্রোফেসনাল ডাটা এন্ট্রি, আর্টিকেল রাইটিং সহ অন্যান্য প্রোফেসনাল কাজ জানেন তারা oDesk, Freelance, Guru, Elance, Forex এগুলোতে কাজ করতে পারেন। প্রোফেসনালদের জন্য PTC সাইট মটেও উপযুক্ত নয়, কিন্তু তারা ইচ্ছা করলে অ্যাড না দেখেই রেফারেল সিস্টেমের সাহায্যে আয় করতে পারেন।

ইন্টারনেটে আয়ের পথ অনেক। আপনাকে শুধু আপনার মেধা ও দক্ষতা অনুযায়ী আয়ের পথ বেছে নিতে হবে।

বাংলাদেশীদের জন্য Online-থেকে Money Withdraw করার সর্বোত্তম মাধ্যম হল Skrill (Moneybookers)


   বাংলাদেশীদের জন্য ইন্টারনেটে অর্জিত ডলার, ইউরো, ইয়েন ছাড়াও আরও অন্যান্য বৈদেশিক মুদ্রা কম খরচে দ্রুত বাংলাদেশে নিয়ে আসার সর্বোত্তম মাধ্যম হল মানিবুকার্সের ইন্টারন্যাশনাল অ্যাকাউন্ট। ফ্রীলান্সিং, মাইক্রো-ফ্রীলান্সিং, ফরেক্স এক কথায় যারা ইন্টারনেটে বিভিন্ন আউট সোর্সিং-এর কাজের সাথে জড়িত তাদের ক্ষেত্রে Skrill (Moneybookers) এর ভেরিফাইড অ্যাকাউন্ট থাকা অত্তান্ত গুরুত্বপূর্ণ। Skrill (Moneybookers)-এ অ্যাকাউন্ট থাকলে খুব সহজে অনলাইনে শপিং-ও করা যায়।


মানিবুকার্স থেকে পাঠানো টাকা বাংলাদেশের যেকোন ব্যাংক থেকে ১-৭ দিনের মধ্যে হাতে পাওয়া যায়। ডাচ-বাংলা ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট হলে ৬ দিন পর টাকা পাওয়া যায়, কিন্তু ব্র্যাক ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট হলে ১ দিনের মধ্যে টাকা পাওয়া যায়।

যেহেতু টাকা-পয়সার ব্যাপার, সেহেতু মানিবুকার্সে সঠিকভাবে সঠিক তথ্যাদি দিয়ে একটু সতর্কতার সাথে অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। নিজের নাম, জন্মদিন, ঠিকানা, কি ধরনের কারেন্সি লেনদেন হবে তা সঠিকভাবে উল্লেখ করতে হবে। সঠিকভাবে অ্যাকাউন্ট খোলা হলে সেটাকে ভেরিফাই করার ব্যবস্থা করতে হবে।

নিম্নে মানিবুকার্সে সঠিকভাবে অ্যাকাউন্ট খোলার পদ্ধতি ধাপে ধাপে দেওয়া হলঃ

ধাপ-১:  মানিবুকার্সে অ্যাকাউন্ট খুলতে হলে প্রথমে এখানে ক্লিক করুন
ধাপ-২: ওয়েবসাইটটি খুললে তার উপরে ডান দিকের Sing Up লিখাটিতে ক্লিক করুন।
ধাপ-৩: Country of residence-এ আপনার দেশ (Country) নির্বাচন করুন এবং Preferred language-এ English নির্বাচন করুন। এখন এই মানিবুকার্স অ্যাকাউন্টটি নিজের ব্যবহারের জন্য হলে "Personal account" এর Sing Up-এ ক্লিক করুন। যদি এই মানিবুকার্স অ্যাকাউন্টটি ব্যবসার জন্য ব্যবহার করতে চান তাহলে "Business account" এর Sing Up-এ ক্লিক করুন।
ধাপ-৪: এবার Personal Information এর যে ফরমটি আসবে তা যথাযথ ভাবে পূরণ করে "Accept and create account" লেখাটিতে ক্লিক করুন।
ধাপ-৫: এখন আপনি আপনার ইমেল অ্যাকাউন্টে গিয়ে ইমেলটি ভেরিফাই করে দিলেই মানিবুকার্স অ্যাকাউন্টটি ব্যবহার করা যাবে।